1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
শিরোনাম :
হ্নীলায় টেকনাফ সাংবাদিক সমিতি (টেসাস) এর কার্যালয় উদ্বোধন আমি মরে গেলে আমার সব সৃষ্টি ধ্বংস করো- কবীর সুমন রাত ৮টায় এল ক্লাসিকো যুদ্ধে বার্সা-রিয়াল করোনায় আরও ১৯ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ১০৯৪ সাংবাদিকনেতা গাজীর মুক্তির দাবিতে কক্সবাজারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কক্সবাজার প্রধান সড়ক বিএস মতে সড়ক বিভাগের অধিগ্রহণকৃত জমিতেই নির্মিত হবে ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতির শোক দুঃসময়ে আইনি লড়াইয়ে এগিয়ে আসেন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক: প্রধানমন্ত্রী সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রফিক-উল হক আর নেই টেকনাফ পৌর-ছাত্রলীগের বিশেষ জরুরী সভা অনুষ্ঠিত

পাসপোর্ট অফিসে আর্থিক হয়রানী কমছে না

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৫
  • ১১ দেখা হয়েছে

এম.শাহজাহান চৌধুরী শাহীন, কক্সবাজার :
কক্সবাজার আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে দালাল বিতাড়িত হওয়ার ধোয়া তুললেও আসলে দালাল কমেনি। শত চেষ্টা করেও পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের হাত থেকে বর্হিগমনেচ্ছুক পাসপোর্ট আবেদনকারীদের হয়রানী কমানো যাচ্ছে না। সাইনবোর্ড লাগিয়ে নিজেরা সাধু সাজার চেষ্টা করলেও পাসপোর্ট আবেদনকারী সহ সচেতন মানুষই জানেন ওই কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আসল রূপ।
টাকা না দিলে বিভিন্ন অজুহাত। আর টাকা দিলেই সব মাফ। এ কারবার এখন ওপেন সিক্রেট। অবাধে দুর্নীতি করার অভিযোগে পাসপোর্ট অফিসের উপ-সহকারী পরিচালক শওকত কামালের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি দিয়েছিল হয়রানীর শিকার লোকজন। কিন্তু বহাল তবিয়তে রয়েছে তারা। কারণ তাদের হাত অনেক লম্বা। তারা সরকারী আমলা। দূর্নীতি করেন ভাগবাটোয়ারাও করেন। এমন কথাই জানালেন পাসপোর্ট ফরম জমাদানকারী কর্মকর্তা উচ্চমান সহকারী আবু হানিফ মুস্তফা কামাল।
তিনি উচ্চ গলায় মিডিয়া ম্যানেজ করেই হচ্ছে সব। আসলে কারা মিডিয়া, কাদের কথা তিনি বলেছেন তা অবশ্য স্পষ্ট করেননি। তিনি দাবী করেন, সব প্রমাণ আছে এখান থেকে কারা কারা ভাগ পায়।
হয়রানীর শিকার লোকজনের অভিযোগ, আগের মতোই প্রতি পাসপোর্ট আবেদন ফরমের বিপরীতে দেড় হাজার টাকা নগদ নেয়া হচ্ছে। এখানে কোন ছাড় নেই। দালাল আর পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের মধ্যে ত্রিমূখি বিরোধ ও রশি টানাটানি নিয়ে বেশ কয়েকটি লংকা কান্ডের ঘটনা ঘটেছিল। এরই জের ধরে সহকারী পরিচালক (এডি) শরীফুল ইসলাম সম্প্রতি বদলি হন। কিন্তু বিভিন্ন কৌশলে দূর্নীতিগ্রস্থ ডিএডি শওকত কামাল ও উচ্চমান সহকারী আবু হানিফ মোস্তফা কামাল বহাল রয়ে যান। এর মধ্যে দালাল সিন্ডিকেটের সাথেই ভুল বুঝাবুঝি। তা অবশ্য সমাধানও হয়ে গেছে বলে একটি সুত্র জানান।
এব্যাপারে জানার জন্য ডিএডি শওকত কালালের ব্যক্তিগত মোবাইলে এবং ল্যান্ড ফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তিনি ফোন ধরেননি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com