1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

পেকুয়ার শিলখালীতে ৩ সহস্রাধিক পেঁপে গাছ কেটে ফেলেছে দুবৃর্ত্তরা

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৫
  • ৭ দেখা হয়েছে

পেকুয়া সংবাদদাতা :
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের তারাবনিয়াপাড়া এলাকায় দিন দুপুরে দুটি পেঁপে বাগানের ৩ সহস্রাধিক পেঁপে গাছ কেটে ফেলেছে দুবৃর্ত্তরা। এনিয়ে এলাকায় বিরাজ করছে চাপা উত্তেজনা। ভুক্তভুগী পেঁপে বাগানের মালিকের অভিযোগ সূত্রে সরেজমিনে ঘুরে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, শিলখালী ইউনিয়নের শেষ সীমান্তের পাহাড়চান্দা বনবিটের অধীন আফালিয়াকাটা এলাকার স্থানীয় শাহ আলম, রশিদ বাহিনীর নেতৃত্বে ২০/২৫ জনের দুবৃর্ত্তের দল দিন দুপুরে ফলে ভরপুর পেঁপে গাছগুলি সম্পূর্ণ কেটে ফেলে। পেঁপে বাগানের মালিক জামাল হোসেন ও তার অংশীদাররা জানিয়েছেন, ২০১৪-১৫ সালের দিকে তারা সামাজিক বনায়ন ও দখল খরিদা সূত্রের মালিকানাধীন জায়গায় দুটি পেঁপে বাগান  সৃজন করেন। গত ২৫ আগষ্ট বেলা ৩ টার দিকে চিহ্নিত দুবৃর্ত্তদল অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অবৈধ অস্ত্রের ফাঁকা গুলি বর্ষন করে এলাকায় আতংক সৃষ্টি করে। এক পর্যায়ে তারা ধারালো দা, কিরিচ, লোহার রড ও লাঠিশোটা সমেত দেশীয় অস্ত্রের দ্ধারা এলোপাতাড়ি ভাবে ওই পেঁপে বাগানের সম্পূর্ণ বাগানের গাছ কেটে সাবাড় করে ফেলে। এ দিকে বাগানের মালিক আরো জানান, বাগান দুটিতে দীর্ঘ দুই বছর যাবৎ পরিচর্যা করে লক্ষ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে আসছিল। যার কারনে মালিকের প্রায় বিশ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধিত হয়। তথ্য সুত্রে জানা যায়, দুবৃর্ত্তরা পেঁপে বাগান কেটে ফেলার আগে ও পরে  প্রায় ৩০ টন পেঁপে বাগান থেকে ছিড়ে  নিয়ে যায়। এব্যাপারে শাহ আলমের কাছে জানতে ছাইলে তিনি জানন জামাল হোসেন আমাদের এলাকার নিরহ মানুষদের নামে জামাল হোসেন গং একের পর এক মিথ্যা মামলা মোকাদ্দমা জড়িয়ে গ্রেপ্তার ও হয়রানী করার জের ধরে স্থানীয়রা অতিষ্ট হয়ে অনেকের রাতের ঘুম দিনের আয় হারাম হয়ে গেছে। এবারো ফের মামলায় জড়ানোর উদ্দেশ্যে জামাল হোসেন গং নিজেরাই তাদের পেঁপে বাগান কেটে ফেলেছে। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হারবাং এর আইসি আয়ুব খান পেঁপে বহনকারী গাড়ী, মালামাল ও লোকসহ জব্দ করে। এ ব্যাপারে চকরিয়া থানায় মামলাও রেকর্ড করা হয়। বর্তমানে দুবৃর্ত্তরা বাগানের মালিক, তার আত্মীয় স্বজন ও কর্মচারীদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধমকি দিচ্ছে। এমনকি এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার জন্য প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছে। এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির আইসি আইয়ুব আলী খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com