1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

পেকুয়ায় কেটে দেয়া বেড়িবাঁধ সংষ্কারে এগিয়ে আসছেনা কেউ : আতংকে এলাকাবাসী

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০১৫
  • ১০ দেখা হয়েছে

এস.এম.ছগির আহমদ আজগরী,পেকুয়া :
কক্সবাজারের পেকুয়ায় প্লাবিত এলাকার পানি নিষ্কাসনে কেটে দেয়া বেড়িবাঁধের অংশ সংষ্কারে এগিয়ে আসছেনা কেউ। ফলে, ফের প্লাবনের চরম আতংকে উদ্বিগ্ন ছিরাদিয়া এলাকার মানূষ। জানা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের মাতামুহুরী নদী লাগোয়া দূর্গম ও অবহেলিত এক জনপদের নাম ছিরাদিয়া। দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকার বেড়িবাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশে কোন ধরনের সংষ্কার কাজ না হওয়ায় চরম দূর্যোগ ঝুঁকি মাথায় নিয়ে শতাধিক পরিবারের লোকজন সেখানে বসবাস করে আসছেন। উন্নয়ন ও সরকারী সূযোগ সুবিধা বঞ্চিত ছিরাদিয়ার মানূষ এনিয়ে বিভিন্ন সময় তাদের দাবী দাওয়া ও অবহেলার কথা উল্লেখ করে তাদের জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করলেও ফল মিলেনি তার। সমপ্রতি ওই এলাকার লোকজনের কাছে নিবেদীতপ্রাণ সমাজকর্মী হিসাবে পরিচিত মোঃ নাজিরুল ইসলাম প্রকাশ লালা মিয়া ও ছিরাদিয়া সমাজ কল্যাণ সমিতির নেতৃস্থানীয় মোঃ পেঁচু মিয়া বেড়িবাঁধের সংষ্কার ও বিভিন্ন দাবী দাওয়ার কথা উল্লেখ করে স্থানীয় ইউএনও’র মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবরে দরখাস্ত দাখিল করেন। আর জেলা প্রশাসনে প্রদত্ত ওই দরখাস্তের সূত্র ধরে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সংসদ সদস্য জাপা নেতা আলহাজ¦ মুহাম্মদ ইলিয়াছ এম.পি’র সু’দৃষ্টি ও পদক্ষেপ চেয়ে জরুরী পত্র প্রেরণ করে জেলা প্রশাসন। পরে, কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সংসদ সদস্য জাপা নেতা হাজি¦ মুহাম্মদ ইলিয়াছ এম.পি’র সুপারিশ জরুরী বরাদ্ধে ছিরাদিয়ার বেড়িবাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশের সংষ্কার কাজ সম্পন্ন করা হয় দ্রুত গতিতে। কিন্তু গত ১মাসের বন্যাকালীন সময়ে প্লাবিত পেকুয়ার পয়ঃনিষ্কাসনের স্বার্থে স্থানীয় প্রশাসন ছিরাদিয়া জেটিঘাট সংগ্লন্ন এলাকার সংষ্কারকৃত বেড়িবাঁধের ওই অংশটি কেটে দিতে বাধ্য হন। যার ফলে, বেড়িবাঁধের সেই কাটা অংশ দিয়ে নিয়মিত জোয়ার ভাটার পানি চলাচল শুরু হয়। আর তারই কারণে বর্তমানে ছিরাদিয়া জেটিঘাট সংগ্লন্ন এলাকায় বসবাসকারী শত শত পরিবারের লোকজনের বসতি ও জিবন জীবিকা হয়ে পড়ে চরম অনিশ্চিত। এদিকে, গত সপ্তাহে বন্যা কবলিত পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিস্তির্ণ বেড়িবাঁধের ভাংগা ও ফাটল-ঝুঁকিপূর্ন অংশের সংষ্কার শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন। এসময় ছিরাদিয়া জেটিঘাট সংগ্লন্ন বেড়িবাঁধের ভাংগা ওই অংশের মেরামত কাজে আগ্রহীদের দরখাস্ত আহব্বান করলেও ছিরাদিয়া জেটিঘাট সংগ্লন্ন বেড়িবাঁধের ভাংগা ওই অংশের সংষ্কার কাজে আগ্রহ দেখায়নি কেউ। যার কারণে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছিরাদিয়া এলাকার মানূষ চরম দূর্যোগ ঝুঁকি ও ফের প্লাবন আতংকে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে ওই মহল্লার শতাধিক পরিবারের লোকজন। গতকাল এ প্রতিবেদক সেখানে সরোজমিন ঘুরতে গেলে বিষয়টি গণমাধ্যমে তুলে ধরার আকুতি জানান। এসময় সমাজকর্মী মোঃ নাজিরুল ইসলাম লালা মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ছিরাদিয়া জেটিঘাট সংগ্লন্ন বেড়িবাঁধের ভাংগা অংশের মেরামতে নূন্যতম ১০-১৫লক্ষ টাকা বরাদ্ধের প্রয়োজন। আর সেখানে যদি মাত্র ২/৪/৫লাখ টাকা দিয়ে সেটির কাজ শেষ করতে চায় তাহলে লস দিয়ে কাজ করবে কে? স্থানীয় মোঃ কালু মিয়ার পুত্র মাটিয়াল মাঝি মোঃ জাকের হোসাইন জানান, ছিরাদিয়ার কেটে দেয়া বেড়িবাঁধের ভাংগা অংশ দিয়ে নিয়মিত জোয়ার ভাটা পানি প্রবেশ অব্যাহত থাকায় সেখানে গভীর হয়ে গেছে প্রায় ৮০/৯০ফুটের মতো। তাছাড়া, সেখানে মাটির প্রয়োজনীয়তা দাড়িয়েছে প্রায় দেড়লাখ ফুটের অধিক। তাও নৌকা সাম্পানের মাধ্যমে দূরবর্তী এলাকা থেকে সংগ্রহ করতে হবে। যাতে ব্যয় হবে কমপক্ষে ১৫-২০লাখ টাকার মতো। সুতারাং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লাখ দুয়েক টাকা জরুরী বরাদ্ধে নামে মাত্র ভাংগন সংষ্কারের কাজ নিয়ে স্থানীয়দের তোপের শিকার হতে চাইবে কে? এমন মন্তব্য করে তিনি ১সপ্তাহের মধ্যে যদি জরুরী ভিত্তিতে বেড়িবাঁধের ওই অংশের ভাংগন কাজ শেষ করা না হয় তবে পরে, তার সংষ্কার কাজ সম্পন্নের ব্যায় সীমা আরো বাড়বে বলে জানান। পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মারুফুর রশিদ খান সরকারী সফরে এলাকার বাইরে অবস্থান করায় মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com