1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

পেকুয়ায় জিম্মি দশা থেকে যুবক ও কিশোরীকে পুলিশের উদ্ধার,ইউপির নারী সদস্য আটক

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৯ জুন, ২০১৫
  • ৬৪ দেখা হয়েছে

1414645818পেকুয়া প্রতিনিধি :
পেকুয়ায় প্রায় ২০ঘন্টা পর জিম্মি দশা থেকে এক যুবক ও কিশোরীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। ৭০হাজার টাকা মুক্তি পন না দেয়ায় এ দু’জনকে ইউপির এক মহিলা সদস্য ও তার স্বামী বাড়িতে আটকিয়ে রাখে। পরে খবর পেয়ে রাজাখালী পুলিশ বিট ও পেকুয়া থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে ওই ইউপি সদস্যের বাড়ি থেকে কিশোর ও কিশোরীকে প্রায় দু’ঘন্টা শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করেছে। এ সময় রাজাখালীর ইউপির সংরক্ষিত ওয়ার্ড়ের মহিলা সদস্য ছাদেকা বেগমকে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক করা হয়েছে। তার স্বামী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল ২৯জুন সোমবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়নের সুন্দরী পাড়া এলাকায়। উদ্ধার কৃত কিশোরী মর্জিনা বেগম(১৪)বকশিয়া ঘোনা এলাকার মৃত আনোয়ার হোসেনের মেয়ে ও কিশোর নুরুল ইসলাম(১৭)বরিশাল সদরের সোলতান আহমদের পুত্র বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় কিশোরীর মা রাশেদা বেগম বাদি হয়ে ওই ইউপি সদস্য ও তার স্বামী নেজাম উদ্দিনকে আসামী করে পেকুয়া থানায় একটি লিখিত এজাহার দিয়েছেন। স্থানীয় ও এজাহারসুত্রে জানা গেছে গত ২৮জুন সন্ধ্যায় রাজাখালী বকশিয়া ঘোনা এলাকা থেকে কিশোর নুরুল ইসলামকে ছাদেকা মেম্বার ও তার স্বামী তার এক নিকট আতœীয়র বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে আসে। পরে একই দিন রাত ১০টার দিকে কিশোরী মর্জিনাকে তার বাড়ি থেকে একই কায়দার নিয়ে এসে বাড়িতে আটকিয়ে রাখে। জানা গেছে ওই কিশোর গত দু’দিন আগে রাজাখালীতে তার এক আতœীয়র বাড়িতে বেড়াতে আসে। পৃথক ভাবে দু’জনকে আটকিয়ে ওই ইউপি সদস্য মানব পাচার ও বিয়ের হুমকিয়ে দিয়ে তাদের অভিভাবকের কাছ থেকে ৭০হাজার টাকা মুক্তিপন দাবি করে। এ সময় মেয়ের মা রাশেদা বেগম রাতে ওই ইউপি সদস্যকে ১০হাজার টাকা প্রদান করে। তবে বাকি ৬০হাজার টাকা না দেয়ায় তাদেরকে আটকিয়ে রেখে নির্যাতন চালায় ওই ইউপি সদস্য। এদিকে স্থানীয়সুত্রে খবর পেয়ে রাজাখালীর পুলিশ বিটের আইসি নজরুল ইসলাম গতকাল বিকেলে ফোর্স নিয়ে সুন্দরী পাড়ায় ইউপি সদস্যের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় ইউপি সদস্য ছাদেকা তার লোকজনকে নিয়ে পুলিশের উপর চড়াও হন। পরে পেকুয়া থানার এস,আই শাহজাহান কামাল ও এস,আই শাহজাহান এর যৌথ অভিযানে তাদেরকে বন্দী দশা থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ ব্যাপারে কিশোরীর মা রাশেদা বেগম জানিয়েছেন ছাদেকা মেম্বার রাতে আমার মেয়েকে তুলে নিয়ে গিয়ে ৭০হাজার টাকা দাবি করে। আমি ১০হাজার টাকা দিয়েছি। ছাদেকা মেম্বার তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন তারা দু’জন প্রেমিক প্রেমিকা। বিয়ে পড়িয়ে দেয়ার জন্য তাদেরকে আমার এখানে আনা হয়েছে। আইসি নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন খবর পেয়ে দু’জনকে মহিলা মেম্বারের বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছি। রাজাখালীর চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম সিকদার বাবুল বলেন স্থানীয়দের কাছ থেকে জানার পর আমি দফাদার ও গ্রাম পুলিশকে পাঠিয়েছি তারা দু’জনকে উদ্ধারের জন্য। পেকুয়া থানার ওসি আবদুর রকিব জানিয়েছেন পুলিশ পাঠিয়ে ভিকটিমদের উদ্ধার করা হয়েছে। জড়িত থাকার দায়ে ইউপি সদস্য ছাদেকা বেগমকে আটক করা হয়েছে। কক্সবাজারের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানিয়েছেন আমি জানার পর ওসিকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছি।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com