1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

পেকুয়ায় বালি দূস্যতা ও পাহাড়কাটা বন্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান-বালি জব্দ-নিলাম ও আটক ৪

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
  • ১১ দেখা হয়েছে

এস.এম.ছগির আহমদ আজগরী,পেকুয়া :
কক্সবাজারের পেকুয়ায় পাহাড়কাটা ও বালিদূস্যতা বন্ধে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়েছে। এসময় সরকারী অনুমতি ছাড়া উত্তোলন করা বালির স্তুপ জব্দ কওে তার নিলাম সম্পন্ন ও অপরাধে সংশ্লিষ্টতার দায়ে ৪জনকে গ্রেপ্তার পূর্বক অর্থ দন্ড প্রদান করা হয়। গতকাল ৭সেপ্টম্বর সোমবার দুপুরে উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের জারুলবুণিয়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। জানা যায়, স্থানীয় বালি দূস্য চক্রের লোকজন পৃথক পৃথক সিন্ডিকেট গঠন করে দীর্ঘদিন যাবত উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের মাঝেরঘোনা এলাকায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে বন বিভাগের সংরক্ষিত রিজার্ভ জায়গায় কবরস্থান মুরা নামের একটি ঠিলায় নির্বিচারে পাহাড় কেটে জমির শ্রেনী পরিবর্তন ও মাটি পাঁচার করে আসছিল। এছাড়া, একই ইউনিয়নের জারুলবুণিয়া গ্রামের ছড়া থেকে সরকারী অনুমতি গ্রহণ ছাড়াই পৃথক পৃথক সিন্ডিকেট গঠন করে নির্বিচারে অবৈধ ভাবে সরকারী খনিজ সম্পদ হিসাবে পরিচিত বালি পাঁচারের ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। এতে একদিকে সরকার যেমন বিপুল পরিমান রাজস্ব বঞ্চিত তেমনি অপরিকল্পিত বালি উত্তোলন ও রাস্তায় স্তুপ করে রাখার কারণে এলাকায় স্বাভাযিক যান ও জন চলাচলে মারাত্মক ব্যাহতের পাশাপাশি সেখানকার রাস্তাঘাট ও গ্রামীন অবকাটামোর বিপর্যয় সৃষ্টি করে বিপর্যস্ত করে আসছিল। এনিয়ে স্থানীয়দের অনুরোধে পত্র পত্রিকায় একাধিকবার সচিত্র সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশ ও প্রচার হওয়ায় চাঞ্চল্যের ঝড় উঠে। কিন্তু তারপরেও স্থানীয় প্রশাসন ছিল রহস্যজনক ভাবে নিরব। শেষ পর্যন্ত অতিষ্ট এলাকাবাসী গতপরশু ৬সেপ্টম্বর রোববার ঘটনার প্রতিকার চেয়ে নেতৃস্থানীয়দের দ্ধারস্থ্য হলে তারা এলাকার মানূষের গণস্বাক্ষর সংগ্রহে নিয়ে পাহাড়কাটা ও বালি দূস্যতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থার দাবী জানিয়ে সংশ্লিষ্ট সকল মহল বরাবরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। উক্ত লিখিত অভিযোগের সূত্র ধরে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ মারুফুর রশিদ খান গতকাল ৭সেপ্টম্বর দুপুরে পেকুয়া থানার ওসি মোঃ আবদুর রকিবের সহায়তায় থানার এস.আই প্রদীপের নেতৃত্বাধীন একদল পুলিশ নিয়ে পাহাড়কাটার ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও অভিযানে যান। এসময় শিলখালী ইউনিয়নের মাঝেরঘোনা এলাকায় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে বন বিভাগের সংরক্ষিত রিজার্ভ জায়গায় কবরস্থান মুরা নামের একটি ঠিলায় নির্বিচারে পাহাড় কেটে জমির শ্রেনী পরিবর্তন ও মাটি পাঁচার বাণিজ্যের দৃশ্য দেখে বিষ্ময় ও ক্ষোভ প্রকাশ করে ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে স্থানীয় সংশ্লিষ্ট বন বিভাগ ও গ্রাম পরিষদকে নির্দ্দেশ দেন। পরে, জারুলবুণিয়া ছড়া থেকে অবৈধ ভাবে বালি উত্তোলনের ঘটনাবলী সরোজমিন পরিদর্শন করে তাঃক্ষনিক সেখানে অভিযান চালিয়ে বালি উত্তোলনরত অবস্থায় ৪জনকে আটক পুলিশের হেফাজতে আটক রেখে উত্তোলনের মাধ্যমে স্তুপকৃত বালি জব্দ করে ঘটনাস্থলেই নিলাম ঘোষনা করলে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসাবে পেকুয়া উপজেলা ড্যাম্পার মালিক সমিতির সমিতির সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গির আলমকে ১লক্ষ ৫হাজার টাকা জব্দ বালি নিলাম দেয়া হয়। এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিলামের বালি সেখান থেকে সরিয়ে নেয়ার আদেশ দেন। এসময় হাতেনাতে ধৃত ৫বালি দূস্যকে অর্থদন্ড করেন ভ্রাম্যমান আদালত। এদিকে, এঘটনার জের ধরে স্থানীয় দু’পক্ষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে চরম উত্তেজনা ও বিক্ষোভ। বিশ^স্ত সূত্র জানায়, ভ্রাম্যমান আদালতের জের ধরে জারুলবুণিয়া এলাকার বালি শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের শ্রমে উত্তোলিত বালির পারিশ্রমিক নির্ধারণ ও পরিশোধ নিশ্চিত না করে তুলে নেয়ায় স্থানীয়রা ক্ষোভ জানিয়ে বালি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোঃ মহিউদ্দিন ও শিলখালী ইউনিয়ন আওয়ামী প্রজন্মলীগ সভাপতি জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে শতাধিক যুবক তাৎক্ষনিক বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল বের করে ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেন।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com