1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
শিরোনাম :
চুনতীর ঐতিহাসিক ১৯ দিন ব্যাপী সীরাতুন্নবী (সা:) মাহফিল শুরু টেকনাফ প্রেসক্লাব ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের বিদায় ঘন্টা বেজে গেছে, পতন আসন্ন- কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা লুৎফুর রহমান কাজল নিশোর প্রথম চলচ্চিত্রের ট্রেইলার প্রকাশ (ভিডিও) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি নিয়ে সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার রোনালদোবিহীন বার্সার মুখোমুখি হবে জুভেন্টাস রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারকে তাগিদ যুক্তরাষ্ট্রের পরীক্ষা নেয়ার অনুমতি পাচ্ছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শক্তিশালী সশস্ত্রবাহিনী গড়তে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী করোনায় একদিনে আরও ২৩ প্রাণহানি, নতুন শনাক্ত ১৪৯৩

পেকুয়া জোয়ারে ডুবছে-ভাটায় ভাসছে!

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০১৫
  • ১১ দেখা হয়েছে

এস.এম.ছগির আহমদ আজগরী, পেকুয়া :
কক্সবাজারের উপকুলীয় মডেল উপজেলা পেকুয়া জোয়ারে ডুবছে-ভাটায় ভাসছে। বাড়ছে ভূমি ধ্বস দেখা দিয়েছে মানবিক বিপর্যয়। এমন কঠিনতম পরিস্থিতিতে ত্রাণ ও পূর্ণবাসন তৎপরতা জোরদারের জোরালো দাবী জানিয়ে সরকার ও দেশি-বিদেশীদের দৃষ্টি আকর্ষন করে পদক্ষেপ কামনা করেছে এলাকাবাসী। জানা যায়, আবহমান বাংলার প্রাকৃতিক দূর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির জের ধরে চলতি বর্ষা মৌসূমের টানা বর্ষন, পাহাড়ি ঢল আর সাগর-নদীর জো’র পানিতে একাকার হয়ে দফায় দফায় বন্যা কবলিত হয়েছে জেলার পেকুয়া মডেল উপজেলা। এসময় পেকুয়া সদর ইউনিয়নের বিস্তির্ণ বেড়িবাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ একাধিক পয়েন্টে ভাংগন ও ধ্বসের ফাটল দিয়ে অবাধে পানি প্রবেশের ফলে দেখা দেয় ভয়াবহ বন্যা। উপজেলার নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পানি বন্দি হয়ে যায় ৭ইউনিয়নের পুরো উপজেলার লোকালয়। তার মধ্যে পেকুয়া সদর, শিলখালী ইউনিয়ন পুরোপুরি, বারবাকিয়া ইউনিয়ন আংশিক ও রাজাখালী, মগনামা আর উজানটিয়া ইউনিয়ন নামের গ্রামগুলোয় দেখা দেয় ভয়াবহ বন্যা। প্রথম পর্যায়ের দু’দফা বন্যার ক্ষয়ক্ষতি নিরূপন ও না কাটাতেই গত কয়দিনের ভারি বর্ষনে ফের বন্যাক্রান্ত হয় দু’লক্ষাধিক মানূষের জনপদ হিসাবে পরিচিত পেকুয়া। বন্যার প্রথমদিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ভাংগন ও ধ্বসের ফাটল কবলিত বেড়িবাঁধের অংশে সংষ্কার সম্পন্নে গড়িমসির জের ধরে চলতি দফার বন্যার ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা ৯১’র প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড়ের ভয়াবহতাকেও গেছে ছাড়িয়ে। বর্তমানে জোয়ারে ডুবছে আর ভাটায় ভাসছে এমনতর কঠিনতম অসহনীয় পরিবেশ পরিস্থিতিতেই চলছে বন্যাক্রান্ত এই উপজেলার লক্ষাধিক মানূষের দিনাতিপাত। এসময় যেদিকে চোখ যায় সেখানেই দেখা যাচ্ছে পানিতে ভাসমান মানূষ পশুর জিবনযাপনের চিত্র। উপজেলার বন্যাক্রান্ত গ্রামগুলোর প্রত্যন্ত পাড়া-মহল্লায় হাজার হাজার মানূষ হয়ে পড়েছে বাড়িঘর বসতিহারা। বন্যাক্রান্ত লোকজন তাদের গৃহপালিত পশু-পাখি আর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিলেও তথায় বসবাসের পরিবেশ অনুপযোগী হয়ে পড়ায় এলাকার লোকজন চরম অমানবিক ও চরম অনিশ্চিত পরিবেশে বসবাস করে চলেছে। নানা ধরনের ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন নিয়ে উপজেলার বিদ্যমান প্রধান প্রধান সড়ক সহ গলি, উপ-গলি আর পাড়া-মহল্লার রাস্তাঘাটগুলো এখনো পর্যন্ত সংষ্কার উন্নয়ন এর উদ্যোগ না নেয়ায় সড়ক যোগাযোগ কার্যত হয়ে আছে অচল। ভাংগন ও ধ্বস-ফাটল কবলিত বেড়িবাঁধের অংশগুলো দ্রুত মেরামত প্রক্রিয়ার অভাবে লোকালয় পরিণত হয়েছে জোয়ার ভাটার জনপদে। এছাড়া, গন্তব্যে যাতায়ত অনিশ্চয়তার পাশাপাশি নিত্যপণ্যের চড়া বাজার ও প্রয়োজনীয় জিনিষপত্রের আকাল আর ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর জন্য অদ্যাবধি যথাযথ ত্রাণ ও পূর্ণবাসন প্রক্রিয়া না নেয়ায় পেকুয়া উপজেলা জুড়ে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের আশংকা। ফলে, সব মিলিয়ে পেকুয়া উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি এখনো রয়েছে অপরিবর্তিত ও ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে। যার ফলে, বিশেষজ্ঞ মহল, সূশীল সমাজ, আর্থ-সামাজিক রাজনৈতিক পেশাজিবী নেতৃস্থানীয়রা পর্যটন নগরী কক্সবাজারের দারোন্মুখ অগ্রজ জনপদ পেকুয়া মডেল উপজেলায় চরম ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের শংকা জানিয়ে পরিস্থিতি মোকাবেলা উত্তরনে সরকার, স্থানীয় প্রশাসন ও দেশি-বিদেশী মহলের সু’দৃষ্টি কামনা করেছেন। পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মারুফুর রশিদ খাঁন বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত মন্তব্য করে জানিয়েছেন, এবারের বন্যায় পেকুয়া উপজেলার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। ভয়াল এ বন্যা থেকে রেহাই পায়নি সরকারী অফিস আদালত ও ত্রাণ পূর্ণবাসন প্রক্রিয়াও। সার্বক্ষনিক মনিটরিংয়ের মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়াধি সরকার ও উর্ধ্বতন মহলকে করা হচ্ছে অবহিত। পুরোপুরি ক্ষয়ক্ষতির পরিমান এখনো নির্ধারন নিরূপন সম্ভব হয়নি জানিয়ে তিনি আরো জানান, ভাংগন ধ্বস ফাটল কবলিত বেড়িবাঁধের অংশ দ্রুত মেরামত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এলাকাকে বন্যার ঝুঁকিমুক্তের পরই ক্ষয়ক্ষতির পরিমান সম্পর্ক্যে নিশ্চিত সম্ভব। তবে, বর্তমানে বেড়িবাঁধ ঝুঁকিমুক্ত, বিপর্যস্ত রাস্তাঘাট মেরামত আর ত্রাণ ও পূর্ণবাসন প্রক্রিয়ায় নূন্যতম ২০-৩০কোটি টাকার মতো প্রয়োজন রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com