1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
শিরোনাম :
একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫ লাখ পার, মৃত ৭ হাজার বিশ্বনবী (সা.)-কে কটাক্ষ করে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনীর প্রতিবাদে কক্সবাজারে বিক্ষোভ মিছিল চুনতীর ঐতিহাসিক ১৯ দিন ব্যাপী সীরাতুন্নবী (সা:) মাহফিল শুরু টেকনাফ প্রেসক্লাব ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের বিদায় ঘন্টা বেজে গেছে, পতন আসন্ন- কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা লুৎফুর রহমান কাজল নিশোর প্রথম চলচ্চিত্রের ট্রেইলার প্রকাশ (ভিডিও) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি নিয়ে সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার রোনালদোবিহীন বার্সার মুখোমুখি হবে জুভেন্টাস রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারকে তাগিদ যুক্তরাষ্ট্রের পরীক্ষা নেয়ার অনুমতি পাচ্ছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়

পেকুয়ায় দফায় দফায় বন্যায় লন্ডভন্ড জনপদ!

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০১৫
  • ১৫ দেখা হয়েছে

অনেক এলাকায় এখনো উঠানামা করছে জোয়ার ভাটার পানি,প্রত্যন্ত পাড়া-মহল্লায় ভেসে উঠছে ক্ষয়ক্ষতির ভয়াবহতা : ত্রাণ ও পূর্ণবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে স্টান্ডবাজ জনপ্রতিনিধিদের দলবাজি, উপেক্ষিত সরকার ও বিরোধীদলের প্রস্তাব পরামর্শ-সমন্বয়-সুপারিশ!
পেকুয়া প্রতিনিধি :
কক্সবাজারে দফায় দফায় বন্যায় লন্ডভন্ড পেকুয়া। এক মাসের মধ্যে কয়েক দফা বন্যা আর দূর্বল ঘূর্ণিঝড় কোমনের প্রভাবে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দূর্যোগের শিকার হয়েছে জনপদটি। বন্যাক্রান্ত এ উপজেলার ৭ইউনিয়নের গ্রামীণ অবকাটামো কার্যতঃ ভেঙ্গে পড়েছে। একই সঙ্গে এবড়োথেবড়ো হয়ে গেছে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক ছাড়াও, প্রত্যন্ত পাড়া-মহল্লা পর্যায়ের রাস্তাঘাট। নানা ধরনের ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে এলাকার স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোড়া সহ বিভিন্ন ধর্মাবলম্ভীর উপসনালয়, সরকারী, বেসরকারী ও স্বায়ত্বশাষিত সংস্থার অফিস, বিভিন্ন অফিস-আদালত, ভুমি অফিস, প্রকল্প বাস্তবায়ন(পিআইও), সমবায় আর সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয়। থানা ভবন পানি বন্দি হয়ে থাকায় বিপাকে ছিল পুলিশের আইন-শৃংখলা রক্ষা, তদন্ত আর অন্যান্য যাবতীয় কার্যক্রম। বন্যা ও দূর্বল ঘূর্ণিঝড় কোমনের প্রভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের অব্যাহত সরোজমিন পরিদর্শণে সরকার ও উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের বরাবরে প্রেরিত পত্রাধি ও পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ পর্যালোচনায় ক্ষয়ক্ষতির নানা বিষধ বিবরনীর তথ্য চিত্রে পাওয়া উপাত্তে জানা যায়, গত ১মাসে দফায় দফায় বন্যায় কক্সবাজারের পেকুয়া উপকুলীয় উপজেলার ৭ইউনিয়নে দেখা দেয় ভয়াবহ প্লাবন। আবহমান প্রাকৃতিক দূর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির জের ধরে চলতি বর্ষা মৌসূমের এ টানা বর্ষন, পাহাড়ি ঢল আর সাগর-নদীর জো’র পানিতে একাকার হয়ে দফায় দফায় বন্যা কবলিত হয়েছে জেলার উপজেলা পেকুয়া। এসময় পেকুয়া সদর ইউনিয়নের বিস্তির্ণ বেড়িবাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ ৩০টির বেশী পয়েন্টে ভাংগন ও ধ্বসের ফাটল দিয়ে লোকালয়ে অবাধে প্রবেশ করছে পানি। এতে উপজেলার নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পানি বন্দি হয়েছে ৭ইউনিয়নের পুরো উপজেলার লোকালয়। তার মধ্যে পেকুয়া সদর, শিলখালী ইউনিয়ন পুরোপুরি, বারবাকিয়া ইউনিয়ন আংশিক। গত বুধবারে বঙ্গোপ সাগরের সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় দূর্বল ‘কোমেন’ এর প্রভাবে রাজাখালী, মগনামা আর উজানটিয়া ইউনিয়ন গুলোতে সমূদ্রের পানি স্বাভাবিক জোয়ারের চাইতে ৩/৪ফুট বৃদ্ধির ফলে বেড়ীবাঁধ বিলীন হয়ে লোকালয়ে অবাধে পানি প্রবেশ করেছে। গত শুক্রবার মধ্যরাতের জোঁয়ারে তিন ইউনিয়নের বিস্তির্ণ বেড়ীবাধের মধ্যে উজানটিয়া ইউনিয়নের দক্ষিন অংশে আনুমানিক ৪০চেইন, মগনামা ইউনিয়নের কাক পাড়া এলকায় ৩চেইন, শরত ঘোনা এলাকার পশ্চিম পাশের্^ ৭চেইন ও রাজাখালী ইউনিয়নের বকশিয়া ঘোনা, টেকঘোনা, মাতবরপাড়া ও মিয়ারপাড়া এলাকায় প্রায় ২০চেইনের অধিক স্পটে বেড়ীবাঁধ বিলীন হয়ে লোকালয়ে জোয়ারের লোনা পানি প্রবেশ করায় কয়েক হাজারেরও বেশী পরিবার পানি বন্ধে হয়ে পড়েছে। এছাড়া, তলিয়ে গেছে হাজারো লবন চাষীদের জমিয়ে রাখা উৎপাদিত লবন, ভাসিয়ে নিয়ে গেছে শত শত প্রান্তিক ঘের চাষীদের বিভিন্ন প্রজাতির মাছের প্রজেক্ট, নষ্ট হয়েছে হাজারো কৃষক কৃষানীর ফসলের বীজতলা, ক্ষেতখামার। ডুবে বিনষ্ট হয়েছে শত শত ব্যবসায়ীর প্রতিষ্টানের লাখ লাখ টাকার মালামাল। পেকুয়ায় প্রথম পর্যায়ের দু’দফা বন্যার ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নিরূপন ও পূর্নবাসন প্রক্রিয়া ও তার রেশ কেটে না উঠতেই গত কয়দিনের ভারি বর্ষনে ফের বন্যাক্রান্ত হয় পুরো পেকুয়া উপজেলা। এতে উপজেলার ৭ইউনিয়নের বিস্তির্ণ বেড়িবাঁধ, নদী তীর সংরক্ষণ, স্লুইচ গেইট, গ্রামীণ অবকাটামো, পরিবহন, যোগাযোগ, বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য, লবন ঘের, মৎস্য প্রজেক্ট, সংরক্ষিত বনাঞ্চলের গাছপালা, বনায়ন, বসতি, প্রান্তিক চাষীদের ফসলী জমি, আবাদী ক্ষেত-খামার সহ বিভিন্ন সহায় সম্পদ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। সরোজমিন ঘুরে দেখা গেছে যে, উপজেলার পেকুয়া সদর ইউনিয়নের পূর্ব মেহেরনামা, বলিরপাড়া, সৈকতপাড়া, খাসপাড়া, চৈরভাংগা, চড়াপাড়া, টেকপাড়া, সাঁকোরপাড় ষ্টেশন, উত্তর মেহেরনামা, আহমদ ডিলার চৌমুহুনী, আঁধাখালী, আবদুল হামিদ সিকদার পাড়া, চরপাড়া, সুতা বেপারীপাড়া, মৌলভীপাড়া, আন্নরআলী মাতবরপাড়া, সাবেকগুলদী, সরকারীঘোনা, হরিনাফাঁড়ি, তৎসংগ্লন্ন খাসপাড়া, নন্দিরপাড়া, বিলহাচুঁড়া, ছিরাদিয়া, জালিয়াখালী, পূর্ব, মধ্যম ও পশ্চিম গোঁয়াখালী, বাইম্মেখালী, মিঠা বেপারীপাড়া, সিকদারপাড়া, মিয়ারপাড়া, রাহাতজানিপাড়া, শেকেরকিল্লাহঘোনা সহ পুরো গ্রাম, শিলখালী ইউনিয়নের হাজি¦রঘোনা, সবুজপাড়া, পেঠান মাতবরপাড়া, দোকানপাড়া, বাজারপাড়া, আলী চাঁন মাতবরপাড়া, হেদায়তাবাদ, মুন্সিমুরা, চেপ্টামুরা, এতিমখানা, আলেকদিয়া, বদু মুন্সিরঘোনা, হাই স্কুল ষ্টেশন, মাঝেরঘোনা, জারুলবুণিয়া, ছৈয়দ নগর, কালুর বাপেরপাড়া, ভারুয়াখালী, সবুজপাড়া নামের পাড়া-মহল্লা সহ তৎসংগ্লন্ন এলাকার লোকালয় তলিয়ে যায় পানিতে। ব্যাপক জলাবদ্ধতার শিকার হয়ে  এসব এলাকার লোকজন গৃহপালিত পশু পাখি ও পরিবারের লোকজন নিয়ে আশ্রয় নেয় উপজেলা পরিষদ ভবন, বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মার্কেট, প্রধান প্রধান উঁচু সড়ক, পাড়া-মহল্লার রাস্তাঘাট ও পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরকারী আত্মীয়-স্বজন পাড়া-প্রতিবেশীর বাড়িতে। প্লাবিত নি¤œাঞ্চলের আশ্রিত লোকজনদের গৃহপালিত পশু পাখি ও পরিবার পরিজন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে থাকা খাওয়ার সূযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে গিয়ে পাহাড়ি এলাকার লোকজনরা পড়ে চাঁপের বিপাকে। উপজেলার পাহাড়ি জনপদ শিলখালী, বারবাকিয়া ও টইটং ইউনিয়নের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বন্যাক্রান্ত নীচু এলাকার আশ্রিত লোকজনের পরিবার-পরিজন আর তাদের গৃহপালিত পশু পাখির চাঁপে এবারের বন্যায় তারা ছিল বিপাকে আর নাকালবস্থায়। যা নিয়ে দেখা দেয় এক ধরনের অসহনীয় পরিবেশ। যার চিহ্ন এখন বয়ে বেড়াচ্ছে বন্যাক্রান্ত পেকুয়ার লোকজন। এসময় বন্যার কারণে পেকুয়ায় বিদ্যূত ও সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ রূপে হয়ে যায় বন্ধ। এলাকার বন্যাক্রান্ত লাখ লাখ মানূষ হয়ে পড়ে পানি বন্দি আর নানা ভোগান্তির শিকার। এসময় স্থানীয় প্রশাসন বন্যার্থদের জন্য সরকারের বরাদ্ধ ত্রাণ ও পূর্ণবাসন প্রক্রিয়ার চেষ্টা চালালেও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থার কারনে তারাও পড়েন বিপাক বেকায়দায়। এদিকে, বিভিন্ন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য সূত্রে জানা যায়, বন্যা দূর্গত পেকুয়া উপজেলার জন্য সরকারের তরফ থেকে ইতিমধ্যে প্রায় অর্ধশতাধিক মে.টন চাল, শত শত বস্তা চিড়া, গুড়, খাওয়ার স্যালাইন, বিশুদ্ধ পানি, মেডিকেল টিম ও ঔষধপত্র সরবরাহ করা হয়। আর স্বঃ স্বঃ ইউনিয়ন পরিষদকে স্থানীয় ক্ষমতাসীন সরকারী ও বিরোধীদলের নেতৃস্থানীয় প্রতিনিধি, সকল রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংষ্কৃতিক ও পেশাজিবী গণ্যমান্যদের সমন্বয় মতামত ও সুপারিশের ভিত্তিতে এসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণে বিশেষ নির্দ্দেশনা উল্লেখ করে ডিসি ও ইউএনও ত্রাণ ও পূর্ণবাসন কার্যক্রম চালাতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের আদেশ দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনার অনুরোধ জানান। কিন্তু ত্রাণ ও পূর্ণবাসন তৎপরতায় সরকার ও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের এ বিশেষ নির্দ্দেশনার প্রতি অধিকাংশ স্টান্ডবাজ জনপ্রতিনিধিরা পাশ কাটিয়ে বা উপেক্ষার দৃষ্টতায় দলবাজির মহড়া চালানোর অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় শাষকদল, বিরোধীদল সহ প্রায় সকল রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংষ্কৃতিক, পেশাজিবী ও গন্যমান্য নেতৃস্থানীয়রা। এ প্রসঙ্গে পেকুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আকম সাহাবুদ্দিন ফরায়েজী, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কাসেম, আওয়ামীলীগ নেতা ওয়াহিদুর রহমান ওয়ারেচী, প্রধান বিরোধীদল জাতীয় পার্টি সভাপতি এস.এম.মাহাবুব ছিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক এম.দিদারুল করিম, সাংষ্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সাইফুর রহমান ওয়ারেচী সহ অনেকেই এ প্রতিবেদকের কাছে ক্ষোভ ও আক্ষেপ করে জানান, পেকুয়ায় সরকারী বরাদ্ধের ত্রাণ বিতরনে স্ট্যান্ডবাজ বিএনপি-জামাত সমর্থীত জনপ্রতিনিধিরা দলবাজি ও তাদের আগাম নির্বাচনী প্রচারনায় লিপ্ত হয়েছেন। এছাড়া, পেকুয়ায় এবারের বন্যাকে স্থানীয় প্রশাসন, বিএনপি-জামাত সমর্থীত এলাকার জনপ্রতিনিধি ও তাদের লোকজনের সৃষ্ট উল্লেখ করে তারা জানিয়েছেন, বেড়িবাঁধের ৩অংশের ভাংগনে বন্যাক্রান্ত হওয়ায় তার মেরামত সংষ্কার প্রক্রিয়ার বদলে পুরো উপজেলার বিএনপি-জামাত সমর্থীত ইউপি জনপ্রতিনিধিদের নেতৃত্বে প্রায় ২৮টিরও অধিক স্পটে বেড়িবাঁধ কেটে দেয়ার ঘটনায় দায়ী মন্তব্য করে এঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত, গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবীও করেন তারা। এদিকে, গত ২জুলাই থেকে ঢালার প্রভাবে নদ নদীতে পানি প্রবাহ কমতে শুরু করায় পেকুয়ার বন্যাক্রান্ত পাড়া-মহল্লা জলাবদ্ধতা মুক্ত হতে দেখা গেছে। ফলে, পরিবার পরিজন ও গৃহপালিত পশু পাখি মালামাল নিয়ে নিচু এলাকার লোকজনদের নিজ নিজ বাড়িঘরে ফিরতে দেখা গেছে। তবে, পেকুয়া বন্যা মুক্ত হতে শুরু করলেও ভেসে উঠছে উপজেলার বন্যাক্রান্ত প্রত্যন্ত পাড়া-মহল্লার ক্ষয়ক্ষতির চিত্র। পানি বন্ধি এলাকার রাস্তাঘাটে পানিতে ভেসে আসা মানূষ আর পশুর মল ও ময়লা আবর্জনার বাগাড়ের পাশাপাশি কাদা ময়লা পানির পুঁতিময় পঁচা দূর্গন্ধে এলাকার আকাশ বাতাস হয়ে পড়েছে ভারী। উপজেলার প্রায় সব রাস্তাঘাটের বেহাল দশায় নানা অসহনীয় ভোগান্তি বেড়েছে এলাকাবাসীর। এছাড়া, আশংকা দেখা দিয়েছে পানি বাহিত রোগের আশংকা। ত্রাণ ও পূর্ণবাসনের জন্য চলছে হাহাকার। নেতৃস্থানীয়রা জানিয়েছেন, সরকারী, বেসরকারী ও ব্যক্তি উদ্যোগে ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত থাকলেও তা অপ্রতুল, লোক দেখানো বা ফটো সেশনের। উপজেলার উজানটিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা সংবাদপত্র হকার মোঃ হুমায়ুন জানিয়েছেন, এলাকায় পত্র পত্রিকা বিক্রি করে সংসার চালালেও বন্যার কারণে গত ১মাস ধরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থার কারণে এলাকায় নিয়মিত পত্রিকা না আসা ও বসতভিটার ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পড়েছেন দোটানায়। পকেটে নেই টাকা। তার উপর বসতঘর নতুন করে মেরামতে যে টাকার প্রয়োজন তার চাহিদা পূরণে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিনাতিপাত করছি। পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মারুফুর রশিদ খাঁন বন্যা পরিস্থিতির বিষয়ে জানিয়েছেন, এবারের বন্যায় পেকুয়া উপজেলার প্রত্যন্ত পাড়া-মহল্লার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভয়াল এ বন্যার গ্রাস থেকে রেহাই পায়নি সরকারী অফিস আদালত ও ত্রাণ পূর্ণবাসন প্রক্রিয়াও। সার্বক্ষনিক মনিটরিংয়ের মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়াধি সরকার ও উর্ধ্বতন মহলকে নিয়মিত অবহিত করা হচ্ছে। পুরোপুরি ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নির্ধারন এখনো সম্ভব না হলেও চলছে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা তৈরীর কাজ। সর্বশেষ চূড়ান্ত একটি ক্ষয়ক্ষতির বিবরনী প্রনয়ন করে সরকার ও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরণ করা হবে শীঘ্রই। এছাড়া, গত ২৬জুলাই থেকে অধ্যাবধি বন্যা দূর্গতদের মাঝে সরকারী ভাবে ৫১ মে.টন.চাল, ১৬০বস্তা চিড়া, ২৮০বস্তা মুড়ি ও ৪০মন গুড় ইতিমদ্যে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে সরবরাহ ও বিতরণ করা হয়েছে। পেকুয়া সদর ও উজানটিয়া ইউনিয়নের পানি বন্দি ক্ষুধার্থ মানূষের মাঝে নিয়মিত রান্না করা খিচুড়ি বিতরণ করা হচ্ছে। সরকারীভাবে ত্রান বিতরণ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি পূর্ণগঠন প্রক্রিয়া নেয়া হচ্ছে। তাছাড়া, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে ঢালা’র প্রভাবে পানি নামতে শুরু করলে উপজেলার বিধ্বস্ত বেড়ীবাঁধের ভাংগন কবলিত অংশগুলোর সংষ্কার ও মেরামত কাজ পুরোদমে শুরু হবে। আর এসব প্রক্রিয়ার দ্রুত সম্পন্নে সরকার ও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পর্যাপ্ত জরুরী বরাদ্ধ মঞ্জুরে সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com