1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
শিরোনাম :
সাংবাদিক নেতা রুহুল আমিন গাজী গ্রেপ্তার লাইফ সাপোর্টে ব্যারিস্টার রফিক-উল হক টেকনাফে চার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা রঙ্গিখালী মিনি টমটম চালক সমিতির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গা মাদক পাচারকারী নিহত,ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার শিগগির জেলা ও মহানগর কমিটি ঘোষণা: কাদের করোনায় আরও ২৪ প্রাণহানি, নতুন শনাক্ত ১৫৪৫ স্বাস্থ্যবিধি মেনে কক্সবাজার জেলায় ২৯৯ মন্ডপে অনুষ্ঠিত হবে শারদীয় দুর্গোৎসব জলবায়ুর ন্যায্যতা ও লৈঙ্গিক ন্যায়বিচারের (Gender Justice) দাবিতে সমুদ্র সৈকতে পদযাত্রা (Walk for Survival) করেছে একশনএইড হচ্ছে না মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষা, অ্যাসাইনমেন্টে মূল্যায়ন

পৌরসভা নির্বাচন বিধিমালা সংস্কার হচ্ছে

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০১৫
  • ১১ দেখা হয়েছে

কক্সবাজার আলো ডেস্ক :
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে যুগোপযোগী করার জন্য পৌরসভা নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালায় সংস্কার আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এতে পুরনো আইন সংস্কারের পাশাপাশি বিধিতে দু-একটি নতুন আইন সংযোজিত হতে পারে।  শনিবার নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে,  স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে সারাদেশের পৌরসভার তালিকাসহ নির্বাচন উপযোগী মেয়াদোত্তীর্ণ পৌরসভার তালিকা পাঠানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের এবং তাদের নিজস্ব মাঠ পর্যায়ের তালিকা সমন্বয় করে ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয় শাখা। গত বুধবার এ তালিকা ইসিতে পৌঁছেছে।
বিধিমালায় সংশোধনীর বিষয়ে জানতে চাইলে কমিশনের আইন শাখার যুগ্মসচিব ড. মো. শাহজাহান বলেন, সময়ের প্রয়োজনে আইন কিংবা বিধিমালায় সংশোধন আনা হয়ে থাকে। পৌরসভার ক্ষেত্রেও তাই হচ্ছে। কমিশনের নির্দেশে পৌরসভার প্রতীক নির্দিষ্ট করা ও ব্যালটে ভোটারদের ভোটচিহ্নতে এবং নির্বাচনে অংশ নিতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের ‘টিআইএন’ মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এগুলো পৌরসভার বিধিমালাতে সংশোধন ও সংযোজন করবেন তারা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পৌরসভা নির্বাচন বিধিমালার ৩৮(৩)-এর উপবিধি (খ) এবং উপদফা ‘ঈ’-এ পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে কমিশন।
আগে এ বিধিতে বলা ছিল, প্রার্থীদের প্রতীক সংবলিত ব্যালটে একই প্রার্থীর পক্ষে অর্থাৎ তার প্রতীকে একের অধিক ভোটচিহ্ন বা সিল পড়লে ভোটটি বাতিল হতো। কমিশন নানা দিক পর্যালোচনার পর ওই বিধিতে পরিবর্তন এনে সেখানে ব্যালটে একজন নয় একাধিক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর প্রতীকে ভোটচিহ্ন বা একাধিক সিল পড়লে ওই ভোটটি বাতিল হবে বলে জানিয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের কিছু সংখ্যক কর্মকর্তা জানান, ব্যালটে ভোটচিহ্ন পড়ার ক্ষেত্রে যে সংশোধনী আনা হচ্ছে তা যুগোপযোগী বলা চলে। কারণ গ্রামের সাধারণ সহজ-সরল মানুষের পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে অর্থাৎ প্রতীকে একবারের বদলে দুবার সিলমারার ঘটনাটি স্বাভাবিক। এ কারণে অতীতে অনেক প্রার্থীর ভোট বাতিল হয়েছে। এখন থেকে পৌরসভাতে একটি প্রতীকের ওপরে একাধিক সিল পড়লেও ভোটটি বৈধ হবে।
অন্যদিকে, নির্বাচনে প্রার্থীদের অতীতে ট্যাক্স আইডেনটিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল না। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)- এ তিন সিটি থেকে এ বিধানটি কার্যকর শুরু হয়েছে। তাই সিটি নির্বাচনের মতো পৌরসভা আইন ও নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালাতে টিআইএন সংক্রান্ত ধারাটি সংযোজন হচ্ছে।
এছাড়া বিগত নির্বাচনগুলোতে স্থানীয় সরকারের জন্য কোন প্রতীক নির্দিষ্ট করা ছিল না। এবার প্রত্যেকটি নির্বাচনের জন্য আলাদা আলাদা প্রতীক নির্বাচন করেছে ইসি। এ অনুযায়ী পৌরসভার জন্য ৩৪টি প্রতীক নির্দিষ্ট হয়েছে। এর মধ্যে মেয়রের জন্য ১২টি, সংরক্ষিত কাউন্সিলর ১০টি ও সাধারণ কাউন্সিলর ১২টিসহ মোট ৩৪টি প্রতীক।

সূত্র জানায়, ইসির মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সহায়তা নিয়ে পৌরসভার একটি তালিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। এ তালিকায় দেখা গেছে, সারাদেশে ৩১৭টি পৌরসভার মধ্যে নির্বাচন উপযোগী অর্থাৎ মেয়াদোত্তীর্ণ তালিকার সংখ্যা ২৮৪টি। বর্তমানে কমিশন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও তাদের মাঠ অফিসের মেয়াদোত্তীর্ণ তালিকা পর্যালোচনা করছে। দুটি তালিকা সমন্বয় করে আগামী ডিসেম্বরে পৌরসভা নির্বাচন করবে নির্বাচন কমিশন।
ইসির তথ্যমতে, ২০১১ সালে নির্বাচন উপযোগী ২৬৯টি পৌরসভার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছিল সাবেক ড. শামসুল হুদা কমিশন। তবে স্থানীয় সরকারের অনুরোধে ওই সময়ে ১১টি পৌরসভার (বোদা, রংপুর, বাগাতিপাড়া, কাঞ্চন, নারায়ণগঞ্জ, সিদ্ধিরগঞ্জ, গাজীপুর, পূর্বধলা, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ ও রামগড়) নির্বাচন স্থগিত রাখা হয় এবং নতুন চারটি পৌরসভা (মেহেরপুর, ফরিদপুর, মিরকাদিম ও শ্রীবরদী) তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
শেষ পর্যন্ত ২০১১ সালের ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারি কয়েক ধাপে ২৬১টি পৌরসভায় নির্বাচন করতে পেরেছিল কমিশন। এসব মেয়াদোত্তীর্ণ পৌরসভার নির্বাচন উপযোগী হচ্ছে চলতি বছরের নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com