জাতীয়লীড

প্রতি বছরই ভাঙনে বিলীন হচ্ছে হাজারো বসতবাড়ি ও জমি, দিশেহারা বাসিন্দারা

25views

কক্সবাজার আলো ডেস্ক

প্রতি বছরই পদ্মা, মেঘনা, যমুনাসহ বিভন্ন নদীতে বিলীন হচ্ছে তীরের শতাধিক জমি, বসতবাড়ি এবং স্থাপনা। এই ভাঙনে দিশেহারা নদীর পাড়ের হাজারো বাসিন্দারা।

রাজবাড়ীপতে পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়েছে শতাধিক ভিটেমাটি, কয়েক’শ বিঘা আাবাদি জমিসহ বিভিন্ন স্থাপনা। কিছু এলাকায় জিয়ো ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধ করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা বলেন, এই ভাঙনের জন্য আমরা জমিহারা, বাড়িহারা হয়ে এখন রাস্তার উপরে বসবাস করছি।

ফরিদপুরের সদরপুর, আলফাডাঙ্গার ৬টি ইউনিয়নে পদ্মা, মধুমতি নদীর ভাঙনের শিকার তিন’শ পরিবার। বিস্তীর্ণ ফসল নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন রোধে নেয়া হচ্ছে স্থায়ী ব্যবস্থা।

ফরিদপুর জেলা প্রশাসক অতুল সরকার বলেন, ভাঙন বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হলো নদী প্রবাহ সঠিক মতো হয় না। ভাঙন রক্ষায় স্থায়ীভাবে বাঁধ নির্মাণের কার্যক্রম চলছে।

গত ৫ বছরে মেঘনার ভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়েছে লক্ষ্মীপুরের ৫০ হাজারের বেশি পরিবার।

লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোডের্র নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মুসা বলেন, আমাদের স্থায়ী প্রতিরক্ষার কাজের প্রায় ৩৭ কিলোমিটারের মধ্যে ৫ কিলোমিটারের কাজ শেষ। ভাঙন রোধে এলাকায় চলছে দ্রুত বাঁধ নির্মাণের কাজ।

এদিকে বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর, গাজীপুর ও ভুয়াপুর এলাকায় শুরু হয়েছে যমুনার ভাঙন।

সর্বশেষ বর্ষায় বিলীন হয়েছে দশ হাজারের বেশি বাড়িঘর এবং কয়েক হাজার হেক্টর জমি। নদী গর্ভে হারিয়েছে জেলার ৯৬ কিলোমিটার বন্যা প্রতিরোধ বেড়িবাঁধের প্রায় ৩৭ কিলোমিটার অংশ।

এছাড়া মধুমতি, তিস্তা,ধরলা, বিষখালীসহ অন্যান্য নদী ভাঙনে প্রতি বছরই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গোপালগঞ্জ, ঝালকাঠি, কুঁড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও বরগুনার নদীর তীরবর্তী এলাকায় হাজারো মানুষ।

Leave a Response