1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

ফিরলেন আরো ১২৫ বাংলাদেশি

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৫
  • ৮ দেখা হয়েছে

কক্সবাজার আলো :
মায়ানমারের জলসীমা থেকে সেদেশের নৌবাহিনীর হাতে উদ্ধারকৃতদের মধ্যে পঞ্চম দফায় ১২৫ বাংলাদেশিকে ফেরত আনা হয়েছে। প্রায় ৩ মাস মায়ানমারে বন্দী থাকার পর মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে তাদের বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম হাইস্কুল মাঠে আনা হয়।
এর আগে বেলা ১২টায় ঘুমধুম সীমান্তের ওপারে মায়ানমারের তুম্বু টাউনের প্রশাসনিক ভবনে সে দেশের ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে পতাকা বৈঠক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ২০ সদস্যের একটি দল।
এদিকে, ফেরত আসাদের কক্সবাজার জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাদের বাসযোগে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে আনা হয়েছে। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে অপ্রাপ্তবয়স্কদের আদালতের মাধ্যমে বাড়ি পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে এবং অন্যদের আইএমওর সহযোগিতায় পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
বিজিবি-১৭ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল রবিউল ইসলামের নেতৃত্বে সকালে কক্সবাজারের ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে মংডুতে যান বিজিবির প্রতিনিধি দল। তাদের স্বাগত জানিয়ে পতাকা বৈঠকের আয়োজন করে মিয়ানমারের ইমিগ্রেশন পুলিশ। মিয়ানমার প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন ইমিগ্রেশন পুলিশের উপ-পরিচালক চ নাইং। বিজিবির পক্ষে কক্সবাজার সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল এম এম আনিসুর রহমান, সেক্টরের অতিরিক্ত পরিচালক মেজর আমিনুল ইসলাম, ১৭ ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর ইমরান উল্লাহ সরকারসহ কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ ও ইমিগ্রেশনের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
মিয়ানমারের পক্ষে মংডু ১ নম্বর বর্ডার গার্ড পুলিশের দ্বিতীয় কমান্ডিং কর্মকর্তা পুলিশ কর্নেল মাইও সুই, পুলিশ লে. কর্নেল কই তুই জ্যাসহ মিয়ানমার ইমিগ্রেশন, বিজিপি ও স্থানীয় জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিগণ পতাকা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
লে. কর্নেল রবিউল ইসলাম বলেন, কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে পৌঁছানোর পর এসব অভিবাসীর ব্যাপারে খোঁজ নেবে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা। এরপর তাদেরকে আইএমও এবং রেডক্রিসেন্টর কাছে হস্তান্তর করা হবে। পূর্বের নিয়মে বাড়ি ফিরবেন দেশে ফেরত আসা অভিবাসন প্রত্যাশীরা।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এর ন্যাশনাল প্রোগাম অফিসার আসিফ মুনীর জানিয়েছেন, দেশে ফেরত আসা বাংলাদেশি হিসেবে শনাক্ত  আরো ১২৫ জন ১৪ জেলার বাসিন্দা। এর মধ্যে কক্সবাজারের ৮৫ জন, বান্দরবানের ৬, ফেনীর ৩, ভোলার ২, চাঁদপুরের ১, মাদারিপুরের ৭, গোপালগঞ্জের ১, রাজবাড়ির ২, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৫, গাজিপুরের ১, টাঙ্গাইলের ৪, ঢাকার ২, কিশোরগঞ্জের ২ ও মেহেরপুরের ৪ জন। তাদের মাঝেও কয়েকজন কিশোর রয়েছে। তাদের কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে ২৭ আগস্ট বিকেল নাগাদ এসব অভিবাসীকে বাড়ির উদ্দেশ্যে পাঠানো হতে পারে বলে জানান এ আইএমও কর্মকর্তা।
প্রসঙ্গত, গত ২১ মে মিয়ানমারের জলসীমা থেকে সাগরে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার হওয়া ২০৮ জন এবং ২৯ মে আরও ৭২৭ জনকে উদ্ধার করে দেশটির নৌবাহিনী। যার মধ্যে ৮ ও ১৯ জুন, ২২ জুলাই এবং ১০ আগস্ট চার দফায় দেশে ফেরত আনা হয় ৫০৬ জনকে। ২৫ আগস্ট ১২৫ জনসহ এ পর্যন্ত ৬৩১ অভিবাসন প্রত্যাশীকে দেশে ফেরত আনা হলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com