1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণ কাজ বন্ধ করা হবে না : মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ২০ দেখা হয়েছে
কক্সবাজার আলোঃ  মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, কোনো অর্বাচীনের কথায় ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নির্মাণ কাজ বন্ধ করা হবে না। সারা দেশে জাতির জনকের অসংখ্য ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়েছে। পথে ঘাটে কে কি বললো তা নিয়ে গুরুত্ব দেয়ার কোনো কারণ নেই। বর্তমান সরকার যে কথা বলে তা বাস্তবায়ন করার সক্ষমতা নিয়েই বলে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় মেঘনা নদীতে নৌ-কমান্ডোরা পাকসেনাদের যুদ্ধজাহাজ এমভি অকরাম ডুবিয়ে দেয়। পরবর্তীতে জাহাজটি সংরক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়।

বুধবার শীতলক্ষ্যা নদীতে নোঙর করা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত যুদ্ধজাহাজ এমভি আকরাম সংরক্ষণের ব্যাপারে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে এ কথা বলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

জাহাজটি পরিদর্শনের সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর সাথে ছিলেন সাবেক নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাউদ্দিন, বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সেলিম রেজা ও নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা বারিকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

মন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে যুদ্ধবিধ্বস্ত জাহাজ এমভি আকরাম সংরক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়। মাদারীপুর বিআইডব্লিউটিএ’র টেনিং সেন্টার কিংবা চাঁদপুর নতুন পোর্টের পাশে জাহাজটি সংরক্ষরণ করার কথা জানানো হয়েছে। সৌন্দর্য বর্ধনে প্রয়োজনে বিদেশী স্থপতি প্রকৌশলীদের পরামর্শ নেয়া হবে।

মোজাম্মেল হক বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌ কমান্ডোরা চাঁদপুর এলাকায় মেঘনা নদীতে পাক সেনাদের অস্ত্র মজুদকৃত এমভি আকরাম জাহাজটি ডুবিয়ে দিয়েছিলো। এটি মহান মুক্তিযুদ্ধের একটি বড় নিদর্শন। এটি সংরক্ষণ করার জন্য ছয়টি মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করে দুটি জায়গার নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। একটি মাদারীপুর বিআইডব্লিউটিএ’র ট্রেনিং সেন্টারের পাশে এবং অপরটি চাঁদপুর নতুন পোর্টের পাশে।

গঠিত কমিটি পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন পেশ করার পর যে স্থানটি জনবহুল ও দর্শণীয় বলে বিবেচিত হবে সেখানে জাহাজটি রেখে সংরক্ষণ করা হবে। এর জন্য যে পরিমাণ অর্থ চাহিদা দেয়া হবে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় সেটি সরকারের কাছে থেকে বরাদ্দ এনে জাহাজটি স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা করবে। জাহাজটির সৌন্দর্য বর্ধনে প্রয়োজনে বিদেশী স্থপতি প্রকৌশলীদের পরামর্শ নেয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী মোজাম্মেল হক।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com