1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

বঙ্গোপসাগরে নির্মিত হচ্ছে ভাসমান তেল টার্মিনাল

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০১৫
  • ১৩ দেখা হয়েছে

কক্সবাজার আলো ডেস্ক :
বঙ্গোপসাগরে দেশের প্রথম ভাসমান তেল টার্মিনাল স্থাপনে চীনের সঙ্গে চুক্তি করতে যাচ্ছে সরকার। আগামী সেপ্টেম্বর মাসেই চুক্তি সই হতে পারে। আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেল ও পরিশোধিত জ্বালানি খালাসের জন্য এই টার্মিনাল স্থাপন করা হবে।
এ বিষয়ে জরুরি অনুমতি পেতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এরই মধ্যে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে একটি চিঠি দিয়েছেন বলে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে।
কক্সবাজারের মহেশখালী দ্বীপের কাছে সিঙ্গেল পয়েন্ট ম্যুরিং (এসপিএম) নামে এই টার্মিনাল স্থাপনে কাজ করবে চায়না সিএএমসি ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড। চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত এ প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে প্রস্তাব পাঠিয়েছে। জি টু জি চুক্তিতে এ কাজ সম্পন্ন হবে।
এই টার্মিনাল স্থাপনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনের কাছে ৫৫০৬ কোটি টাকার ব্যয় প্রস্তাব করেছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।
আগামী সেপ্টেম্বরে চীনের প্রধানমন্ত্রী শি জিনপিংয়ের সফরের সময় বঙ্গোপসাগরে ভাসমান তেল টার্মিনাল স্থাপনের বিষয়ে চুক্তি সম্পন্ন হবে। এ কারণে এরই মধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে জ্বালানি বিভাগের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
এর আগে ২০১০ সালের মে মাসে এসপিএম টার্মিনাল করতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) নিয়ন্ত্রিত ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (আইডিবি) প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে টার্মিনালের নকশা পরিবর্তন করা হয়েছে।
টার্মিনাল থেকে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড পর্যন্ত ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ দুটি সমান্তরাল পাইপলাইন স্থাপন করা হবে। এর মধ্যে একটিতে পরিশোধিত ও অন্যটিতে অপরিশোধিত তেল খালাস করা হবে।
এ ছাড়া ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সমান্তরাল পাইপলাইন মহেশখালী পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে। মহেশখালী দ্বীপে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তেল উত্তোলন মেশিন স্থাপন করা হবে।
জাহাজের উত্তোলন যন্ত্রের যে ক্ষমতা থাকে, তা সিঙ্গেল পয়েন্ট ম্যুরিং টার্মিনাল থেকে ৯৬ কিলোমিটার দূরে তেল পাঠাতে সক্ষম হয় না। এ কারণে মহেশখালীতে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন মেশিন স্থাপন করতে হবে বলে জানান জ্বালানি বিভাগের এক কর্মকর্তা।
তিনি বলেন, প্রস্তাবিত সিঙ্গেল পয়েন্ট ম্যুরিং বছরে ১২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলারের তেল চুরি বা অপচয় থেকে রক্ষা করতে সক্ষম হবে।
বর্তমানে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বিভিন্ন দেশ থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল খালাস করে। গভীর সমুদ্রে বড় জাহাজ দাঁড় করিয়ে তা থেকে ছোট জাহাজে করে তেল খালাস করা হয়। পরে ট্যাংকারে করে ইস্টার্ন রিফাইনারিতে পরিশোধনের জন্য নেওয়া হয়।
জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দাবি, সিঙ্গল পয়েন্ট মুরিং নির্মিত হলে ২০ টনের লাইটারেজ জাহাজ থেকে তেল খালাস করার সময় এখনকার ২১দিন থেকে কমে ৯ দিনের নেমে আসবে।
সূত্র: ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, গালফ টাইমস

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com