1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের সরকারি পদক্ষেপ জরুরী

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০১৫
  • ২১ দেখা হয়েছে

বার্তা পরিবেশক:

সম্প্রতি কক্সবাজারে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিতে পূর্নবাসন ও সূদমুক্ত ঋণ বিতরণে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কক্সবাজার জেলা আমীর মুহাম্মদ শাহজাহান, নায়েবে আমীর মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, সেক্রেটারি ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান জিএম রহিমুল্লাহ। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, কক্সবাজারে বিগত ২৩-২৮ জুন রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টির পানি ও পাহাড়ি ঢলে জেলার ৪টি উপজেলার প্রায় ৯৫ ভাগ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। অব্যাহত বৃষ্টিতে প্রায় ৬৬ কি মি বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্থ হয়। প্রত্যন্ত গ্রামে চলাচলের অধিকাংশ রাস্তা যাতায়াতের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ৩ কি মি নদীরক্ষা বাঁধ বিলীন হয়ে পড়েছে। পাহাড় ধ্বস ও প্লাবনে ২১ জন বৃদ্ধ, নারী ও শিশু নিহত হয়। আহত হয় দুই শতাধিক। প্রায় ৬ লক্ষ মানুষ বন্যায় কোন না কোন ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। স্মরণকালের এ ভয়াবহ বন্যায় জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘরবাড়ি, ক্ষেতখামার, চিংড়ি ঘের, বেড়িবাঁধ ও চলাচলের রাস্তা উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘরবাড়ি বিধ্বস্থ পরিবারগুলো এখনো খোলা আকাশের নিচে কোনমতে দিনাতিপাত করছে। পবিত্র রমজান মাসে চাহিদামত সেহরী ও ইফতার যোগাড়ে হিমশিম খাচ্ছে। রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হওয়ায় অসুস্থ, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী এবং নারী-শিশুর চলাচল অনিরাপদ হয়ে পড়েছে। বন্যায় বিদ্যুত বিপর্যয় ও ঘন ঘন লোডশেডিং এর কারণে সীমাহীন দূর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় ট্রান্সফরমার নষ্ট হওয়ার অজুহাত দিয়ে মেরামতের নামে বিপুল পরিমাণ টাকা দাবির অভিযোগ উঠছে। এযেন বন্যার্তদের জন্য মরার ওপর খাড়ার ঘা। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, কৃষকের গোলাভরা ধান, পুকুরভরা মাছ তলিয়ে যাওয়ায় অনেক স্বাবলম্বী মানুষ হতভম্ব হয়ে পড়েছে। এত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পরেও সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ, পূর্নবাসন, ত্রাণ সহায়তা অথবা সূদমুক্ত ঋণ বিতরণ কর্মসূচী চোখে পড়ার মতো নয়। চলাচলের রাস্তা ও বেড়িবাঁধ মেরামতে কার্যত এখনো কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। এ রকম ভয়াবহ বন্যায় সরকারের কোন মন্ত্রী পরিদর্শনে না আসাটা কক্্সবাজারবাসীর প্রতি অবজ্ঞারই শামিল। আমরা অবিলম্বে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের টিম কক্্সবাজার সফর করে ক্ষয়ক্ষতি সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করে সরকারিভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করার দাবি জানাচ্ছি। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের সূদমুক্ত ঋণ প্রদানের আহবান জানাচ্ছি। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, বন্যা নিয়ে রাজনীতির উর্ধ্বে ওঠে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের কল্যাণই জামায়াতে ইসলামীর লক্ষ্য। আমরা সরেজমিনে মানুষের দূর্ভোগ প্রত্যক্ষ করে জগনণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। পাশাপাশি সকল রাজনৈতিক দল, সেবা সংস্থা ও বিত্তবান নাগরিকদেরকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com