1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :
শিরোনাম :

বরকতী হালিম!

  • আপডেট : রবিবার, ৫ জুলাই, ২০১৫
  • ১৩৭ দেখা হয়েছে

আতিকুর রহমান মানিক, কক্সবাজার : চলমান রমজান মাসে কক্সবাজারের হোটেল-রেস্তোরা সমূহে প্রস্তুতকৃত হালিমে মহা বরকত দেখা দিয়েছে। রোজার প্রথমার্ধে প্রস্তুতকৃত হালিমের অংশবিশেষ এখনো রয়ে গিয়েছে এ বরকতের কল্যাণে। রমজান মাসে সারাদিন রোজা রেখে উপোস থাকার ফলে শরীর কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ে। এ দুর্বলতা পুষিয়ে নিতে ইফতার ও পরবর্তী সময়ে অনেকে হালিম খেয়ে থাকেন। শষ্যদানা, বিভিন্ন প্রকারের গোস্ত, রকমারী মশলা ও অন্যান্য উপকরন সহযোগে প্রস্তুত সুস্বাদু হালিম পুষ্টিকর আইটেম হিসাবে সবার প্রিয়। তাই বিশেষ করে রমজান মাসে হালিমের চাহিদা বেশী থাকে। এ চাহিদাকে পুঁজি করে অভিজাত থেকে মাঝারি ও ফুটপাতের ছালাদিয়া মার্কা হোটেলগুলো পর্যন্ত মহা ধুমধামে হালিম তৈরী বিক্রি করে আসছে। কিন্তু রান্না করা সব হালিম প্রতিদিন বিক্রি হয় না বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বয়-বাবুর্চিরা। বিক্রি শেষে প্রতিদিনের বেচে যাওয়া হালিম থেকে যায় ডেকচিতে। আবার কয়েকদিন পরে নতুন ভাবে রান্না করা হালিমের সাথে আগের বাসি হালিম মিশিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে হরদম। সে হিসাবে প্রথম রোজায় রান্না করা হালিম এখনো ডেকচিতে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করেছেন স্বাস্থ্য সচেতন ভোক্তারা। এসব বাসি হালিম খেয়ে পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হচ্ছে অনেকেই। এভাবেই চলছে গলাকাটা দামে বরকতী হালিমের মহা কারবার। বিভিন্ন হোটেলের সামনে লাল কাপড় জড়ানো বিশাল আকার ডেকচি-হানডিতে রাখা বিফ, মাটন ও চিকেন হালিম আসলে কতদিনের বাসি তা প্রসাশনিক তদারকি ও তদন্ত করলে হালিমের বরকত উধাও হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
Site Customized By NewsTech.Com