1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

বসতবাড়ী ও ফসলী জমি রক্ষায় কুতুবদিয়াবাসীর স্বেচ্ছায় বেড়িবাঁধ নির্মাণ শুরু

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০১৫
  • ২৬ দেখা হয়েছে

জেসমিন আখতার, কুতুবদিয়া :
সাগরের নুনা জোয়ার থেকে বসতবাড়ী ও আউশ-আমন ফসল রক্ষায় কক্সবাজারের দ্বীপ-কুতুবদিয়ার মানুষ বুধবার হতে উত্তর ধূরুংয়ের পূর্বচর ধূরুং এলাকায় বেড়িবাঁধের ভাঙ্গা অংশে স্বেচ্ছায় নির্মাণ কাজ শুরু করেছে। দক্ষিণ ধূরুং ও উত্তর ধূরুংবাসীর গত মঙ্গলবার ধূরুং হাইস্কুল মাঠে অনুষ্টিত এক প্রস্তুতি সভার সিদ্ধান্ত মাইকিং করে জানিয়ে দেয়ার পর এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত হাজার হাজার কৃষক, কৃষানী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ঐক্যবদ্ধভাবে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কাজে অংশগ্রহন করে প্রায় ২০ চেইন বাঁধ নির্মাণ করে বলে জানা গেছে। কাজে সরাসরি অংশগ্রহন করেন দক্ষিণ ধুরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল-আযাদ, উত্তর ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজদৌল্লাহ, কুতুবদিয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক হাছান কুতুবী, সমাজসেবক সরোয়ার আলম চৌধুরী, ধূরুং হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মোরশেদুল আলমসহ-সহকারী শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষক সমিতির সভাপতি মফিজুল আলম, প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক সরোয়ার আলম, নুরুল আবছার, মুহাম্মদ খিজির, ছালেহ আহমদ, সমাজসেবক ভেন্ডার গিয়াস উদ্দিন, রাজনীতিক মোতাহের কোম্পানীসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিক ব্যবসায়ী ও প্রতিটি স্কুল-মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ। কাজ চলাকালে বন্ধ ছিল পুরো এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্টান, ধূরুংবাজার এবং অন্যান্য এলাকার দোকানপাট। তারা পরবর্তী জো’র আগ পর্যন্ত এলাকার পুরো ভাঙ্গা অংশ নির্মাণ করবে বলে জানা গেছে। গত একমাস কালের টানা ভারী বর্ষণ ও তার ওপর ঘূর্ণিঝড় কোমেন এর প্রভাবে প্রায় ২কি.মি.ভাঙ্গা বেড়িবাঁধ হয়ে আসা পূর্ণিমার জোয়ারের পানিতে ওই এলাকার প্রায় ৪০ গ্রাম তলিয়ে যায়। এতে বিধ্বস্ত হয় বহু ঘরবাড়ী, রোড-ঘাট, প্রতিষ্টান। বিনষ্ট হয় আউশ-আমন এবং ভেসে যায় পুকুর-ঘেরের মাছ। পাউবোর বরাদ্দকৃত ৫৫ লাখ টাকার কাজ যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে এ ভয়াবহ ক্ষতির শিকার হতনা বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন। গত বর্ষায়ও একই কারণে ওসব এলাকায় চাষাবাদ হয়নি। এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত হাজার হাজার মানুষ আরো বলেন, বেড়িবাঁধ নিয়ে শুধু সরকারের ওপর ভরসা করে বসে থাকলে ফসল, জানমাল ও সহায়-সম্পদ রক্ষা করা যাবেনা। তাই দ্বীপ বাঁচাতে সামাজিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে বেড়িবাঁধের ভাঙ্গা পয়েন্টের কাজ চালিয়ে যাবেন বলে দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন তারা। এদিকে কয়েক হাজার মানুষ নিয়ে পাশের ইউনিয়ন এলাকায় বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও গত বছর সৃষ্ট দূর্যোগে ব্যক্তিগত ফান্ড থেকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করে সমাজসেবায় চমৎকার প্রশংসা অর্জন করেন তরুণ জনপ্রতিনিধি দক্ষিণ ধুরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল-আযাদ।

এই বিভাগের আরও খবর

  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com