1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

বাদীকে বেঁধে নিজ আদেশ বাস্তবায়ন : চেয়ারম্যানের ১৪৪ ধারা

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৫
  • ৪০ দেখা হয়েছে

মহেশখালী প্রতিনিধি :
সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের আদেশে ক্ষুব্ধ এক ইউপি চেয়ারম্যান আদালতে মামলা করার দায়ে বাদীকে বেধেঁ রেখে নিজের তুগলকি আদেশ বাস্তবায় করেছে। এঘটসনায় সমগ্র এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান নুরুল হক এই কা- ঘটায় বলে জানাগেছে। একই সাথে ক্ষিপ্ত চেয়ারম্যান তার আদেশ জারি রাখতে নিজে ক্ষমতা বহির্ভূত ভাবে ১৪৪ দ্বারা জারি করেছেন। ঘটনার বিবরণে প্রকাশ  শাপলাপুর ইউপিস্থ শাপলাপুর মৌজার সৃজিত বি.এস খতিয়ান নং-৮৫৬,যাহার বি,এস দাগ নং- ৩৮২৯,৩৮৩১,৩৮৩৩,৩৮৩৫ ও ৪১৫৭ দাগের আন্ধরে ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত সত্ত্বীয়  ও খরিদা মূলে প্রাপ্ত  জায়গা  জায়গা বহুদিন ধরিয়া চাষাবাদের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করিয়া আসছে একই ইউনিয়নের ঘোনা পাড়া এলাকার মৃত রজক আলীর পুত্র মনজুর আলম গং।সাতঘর পাড়া এলাকার মৃত সরু মিয়ার পুত্র ওমর ফরুক গংরা বারবার উক্ত জমি  থেকে মনজুর আলম গংকে  উচ্ছেদ করার কূ-মানসে  আসামীরা তাহার দলবলসহ জবর দখলের চেষ্টা করে। এতে মনজুর আলম বাঁধা দিলে ওমর আলী ফারুকী  গংরা বাদীকে আক্রমণ করে মারধর করে। ওই ঘটনায় মনজুর আলম বাদী হয়ে বিগত ২০১৩ সালে  মহেশখালী থানায় একখানা মামলা করে। যাহার মামলা নং- ৬৪। মনজুর আলম গং এর সত্ত্বীয় জায়গা ফের জোর পূর্বক জবর দখল করার কূ-মানসে বর্তমান চেয়ারম্যান নুরুল হক এর ইন্দনে ওমর আলী ফারুখী কে বাদী করে গত ২৯/০৭/২০১৫ ইং তারিখ শাপলাপুর ইউনিয়ান পরিষদ গ্রাম আদালতে একখানা অভিযোগ দায়ের করে মনজুর আলমদের বিরুদ্ধে।  মনজুর আলম গং ইহা অবগত হয়ে  গত ০৯/০৮/২০১৫ ইং তারিখ সহকারী জজ আদালত মহেশখালী, কক্সবাজার এর স্মারক নং- ১৭৪ আপীল করিলে,মাননীয় সহকারী জজ তাহা আমলে নিয়া সাথে সাথে বিবাদীগণকে সহ স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে  আগামী ২৬/০৮/২০১৫ ইং তারিখ নথিসহ স্বশরীরে হাজির হওয়ার জন্য স্থানীয় চেয়ারম্যানকে তলব করে পত্র দেয়। এতে আদালতের আদেশের প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে  শাপলাপুর ইউপি চেয়ারম্যান  নুরুল হক  গত ১২/০৮/২০১৫ ইং তারিখ সকাল ১০টার সময় উপরোক্ত জায়গায় চেয়ারম্যান মৌখিক ১৪৪ধারা জারি ঘোষনা করে  পরিষদ চেয়ারম্যান  চৌকিদার দিয়ে মনজুর আলম ও তার ছেলেকে গ্রাম আদালতে ডেকে নিয়ে অন্যায়ভাবে মারধর করে পরিষদ কার্যালয়ে  সকাল ১০টা হতে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত আটক করে রাখে। বিরোধীয় জমি  চেয়ারম্যানের ওমর আলী ফারুকী, আব্দুসালাম সহ  ৩০/৪০ জনের অধিক সন্ত্রাসী, ভারাটিয়া লাটিয়াল বাহিনী নিয়া সত্ত্বীয়  অনুমান ৪০ শতক জমি জোর পূর্বক ধানের চারা রোপণ করিয়া পেলে মনজুর আলম ও তার ছেলেদেরকে পরিষদ থেকে ছাড়িয়া দেয়। আটক রাখা কালিন সময়  মনজুর আলম এর স্ত্রী ও পুত্রবধূ সনত্রাসীদের দখল কাজে বাধাঁদিতে গেলে তাদেরকে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে তাড়িয়ে দেয় । উপস্থতিত লোকজনরা আতদের দ্রুত মহেশখালী হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। এদিকে ১৩ আগস্ট মনজুর আলম বাদী হয়ে চেয়ারম্যন নুরুল হক , ওমর আলী ফারুকী এবং আব্দুসালাম গং রিুরোদ্ধে
উচিৎ প্রতিকার পেতে মহেশখালী উপজেলার নিবার্হী অফিসার মো আনোয়ারুল নাসের এর কাছে অভিযোগ দায়ের করেন । এব্যাপারে শাপলাপুর ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল হক ঘটনানর সত্যতা শিকার করে বলেন উক্ত বিরোধীয় জমি পরিষদের নিয়ন্ত্রনে এসে লাগিয়ত করা হয়েছে। মনজুর আলম ও তার ছেলেদেরকে আটক রাখা হয়েছিল পরে জমিতে ধান রোপন করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।  ১৪৪ ধারা নিরাপত্তার জন্য  জরিকরা হয়েছিল বলে জানান।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com