1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

বিজয় দিবসের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৫
  • ৭০ দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
দেশের পর্যটন রাজধানী খ্যাত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত নতুন প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে পেয়েছে। বিজয় দিবসে চার দিনের টানা ছুটি বানিয়ে পর্যটক বোঝাই  হয়ে আছে হোটেল-মোটেল, গেস্ট হাউসগুলো।পর্যটকদের উপলক্ষ করে অনেকদিন পর চালু হয়েছে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ পর্যটন রিসোর্ট সেন্ট মার্টিনের চলাচলকারী জাহাজগুলোও।সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,বিশ্বের বৃহত্তম এই সৈকতটিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। যদিও এই ভিড়ে শীতকালীন পর্যটকদের স্বাভাবিক জোয়ারের একটা প্রভাব আছে।বৃহস্পতিবার দিনটি ছুটি নিয়ে অনেকেই টানা চার দিনের অবকাশে আছেন।এর প্রভাব চোখে পড়ল কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতেও।জানা গেছে,প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসে বিজয় দিবসের ছুটির মাধ্যমে নতুন বছরের প্রথম দশদিন পর্যটকের ভিড়ে ডুবে যায় কক্সবাজার।এবছরও এর ব্যতিক্রম হয়নি। বিপুল সংখ্যক পর্যটক ছুটে এসেছে পৃথিবীর দীর্ঘতম এই বিচে।কলাতলীর সী-গার্ল এর ব্যবস্থাপক রুমী জানান, গত বছর বিজয় দিবসের ছুটিতে কয়েকদিন ব্যবসা হলেও পরবর্তীতে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সহিংসতার কারণে পর্যটক আগমন কম ছিল। কিন্তু এবছর দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসায় শুরুতেই পর্যটন ব্যবসা ভালো হয়েছে।অনুসন্ধানে জানা গেছে,সেন্টমার্টিন দ্বীপ,মহেশখালী,হিমছড়ি, ইনানী, দরিয়ানগর,সোনাদিয়া,বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কসহ বিভিন্ন পর্যটন এলাকা গুলো বিপুল পর্যটক সমাগমে নতুন প্রাণ ফিরে পায়।কক্সবাজার শহরের বার্মিজ মার্কেট, রাখাইন পল্লী,বৌদ্ধ মন্দির ও রামুর বৌদ্ধ মন্দিরেও পর্যটক আনাগোনা প্রচুর।কক্সবাজার কলাতলীর হোটেল জিয়া গেস্ট ইন`র মালিক ব্যবসায়ী আলহাজ্ব শফিকুর রহমান জানান,বিজয় দিবসের টানা ছুটিতে দুই শতাধিক হোটেল, গেস্ট হাউজ ও কটেজ পর্যটকে ভরে গেছে।আশাকরি এ অবস্থা কয়েকমাস বহাল থাকবে।এদিকে সেন্টমার্টিনগামী পাঁচটি পর্যটন জাহাজের আগামী চার দিনের টিকিট অনেক আগেই বিক্রি হয়ে গেছে। পর্যটন জাহাজ এলসিটি কুতুবদিয়ার স্থানীয় ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ নাসির বলেন, ‘আগামী ৩১ ডিসেম্বর (থার্টিফাস্ট নাইট) পর্যন্ত আমাদের জাহাজে টিকিটের সংকট রয়েছে। এত দিন ভ্রমণপিপাসু লোকজন বের হতে পারেননি নানা কারণে। কিন্তু চলতি মাসে বেশ কয়েকটি ছুটি থাকায় কেউই বেড়ানো সুযোগ হাতছাড়া করছেন না।মিরপুর ১০নং এলাকার কাজীপাড়া থেকে স্বস্ত্রীক বেড়াতে আসা সৌম্য বলেন, ‘গত দুই বছর আসা হয়নি। তাই এবার বিজয় দিবসের ছুটিটা কাজে লাগিয়ে দিলাম।’বিজয় দিবসের টানা ছুটিতে ভিড়ের মাঝে পর্যটকরা কক্সবাজারে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার শিকার না হন সেজন্য সাদা পোশাকধারী পুলিশ ও বীচে ট্যুরিস্ট পুলিশ বেশ সক্রিয় রয়েছে বলে জানান কক্সবাজার পুলিশ সুপার ম্যামল কুমার নাথ। এ বিষয়ে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও কক্সবাজার বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আলী হোসেন জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।এছাড়া ছিনতাই,বখাটেদের উৎপাত ও ইভটিজিং প্রতিরোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত সক্রিয় আছে। তাছাড়া সমুদ্র সৈকতের সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য ২৫টি উচ্চ ক্ষমতার নতুন বাতি বসানো হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com