1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

বিশাল আর্থিক সঙ্কটের পথে আগামী পৃথিবী?

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০১৫
  • ২৬ দেখা হয়েছে
image_127391
বিশ্ববাজারে বুধবার ফের পড়ল সোনার দাম। এই নিয়ে উপর্যুপরি ১০ দিন ধরে নেমে চলেছে সোনার দর। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, আগামী কয়েক দিনে সোনার দাম আরও পড়তে পারে।
গত ৯ জুলাই থেকে ক্রমাগত পড়তির দিকে সোনার দাম। দেড় মাসে মোট ৬.১ শতাংশ নেমেছে সোনার দর। সোমবার গত ৫ বছরের হিসেবে সবচেয়ে নীচে ঠেকেছে এই ধাতুর দাম। তবে সোনার দামের এই ক্রমাবনতির একটি ভালো দিকও রয়েছে। আসলে একটি মহাসঙ্কটের উদয়ের সঙ্গে সোনার দাম চড়ার সম্পর্ক রয়েছে। দাম কমতে থাকার মানে সেই সঙ্কটের ভয়াবহতা ধীরে ধীরে কমছে।
সোনার দাম বড়ই স্পর্শকাতর। তার ওঠা-পড়া আসলে এক অস্থির শতাব্দীর পরিচায়ক। প্রায় এক দশক আগে আমেরিকা এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশে রিয়েল এস্টেটের বাড়-বাড়ন্তের সময় সোনায় লগ্নি করা লাভজনক বলে মনে করতে শুরু করেন বিনিয়োগকারীরা। পরবর্তীকালে রিয়েল এস্টেটের পতনের সঙ্গে সঙ্গে মারাত্মক পঙ্গু হয়ে পড়ে অর্থনীতি, মুখ থুবড়ে পড়ে ব্যাঙ্কিং ব্যবসা।
পরিস্থিতি সামাল দিতে ইউএস ফেডেরাল রিজার্ভ সহ আমেরিকার মুখ্য ব্যাঙ্কগুলি কোটি কোটি ডলার ছাপাতে শুরু করে। কিন্তু এর ফলে ডলারের ভিত্তি নড়ে যায় এবং জিনিসপত্রের দাম চড়তে শুরু করে। তবে এতে লাভবান হয় সোনা। দ্রুত চড়তে থাকে তার দাম। সরকারি কাগুজে অর্থের উপর আস্থা নষ্ট হওয়ায় সোনায় লগ্নি করতে চান সকলে। ২০০৫ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে ৬ গুণ ওঠে সোনার দাম।
শেষমেশ সেই স্বর্ণালি বুদবুদও ফাটল। সোনার দাম কমা অনেকের কাছেই সুসংবাদ। কারণ এর পিছনে রয়েছে মার্কিন অর্থসঙ্কট দূর হওয়ার বার্তা। অতিরিক্ত পরিমাণে ডলার ছাপানো বন্ধ করেছে ফেডেরাল রিজার্ভ। আমেরিকার অআর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার দ্রুত বাড়ছে এবং বেকারত্ব হ্রাস পাচ্ছে।
সোনার থেকে কোনও সুদ মেলে না। ডলার, পাউন্ড ও ইউরোর দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লগ্নিকারীদের কাছে কমছে সোনার আকর্ষণ। তবে অলঙ্কার, ডেন্টিস্ট্রি ও শিল্পের কোনও কোনও ক্ষেত্রে তার ব্যবহার চালু থাকবে, এই যা।
কিন্তু সোনা-ই একমাত্র ক্ষেত্র নয় যার মূল্যহ্রাস ঘটেছে বা আরও ঘটতে চলেছে। ডলারের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তেল ও পণ্য সামগ্রীর দামও পড়বে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিষয়টি গোটা বিশ্বের রফতানিকারীদের কাথে নিঃসন্দেহে দুঃসংবাদ। এতে বিরাট লোকসানের মুখোমুখি হচ্ছেন তেল রফতানিকারীরা।
একদা বিরাট আশা জাগিয়ে আপাতত যথেষ্ট স্তিমিত বিশ্বের পাঁচ উদীয়মান অর্থনৈতিক পরাশক্তির (ব্রাজিল, রাশিয়া, চীন, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা) সমন্বয়ে গঠিত নতুন অর্থনৈতিক জোট BRICS। বর্তমানে মন্দার ভ্রুকুটির মুখে ব্রাজিল ও রাশিয়া। রফতানি ব্যবসায় ভারতের সাফল্য আজ অতীত। চীনের উন্নয়নের হার শ্লথ। সব মিলিয়ে কি এক বিশাল আর্থিক সঙ্কটের মধ্যেই পড়তে চলেছে আগামী পৃথিবী?

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com