1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

বৃষ্টিপাত ও বন্যার পানিতে খালের পার্শ্ববর্তী লোকজন পানিবন্দী: ঈদগাঁওতে ভরাখাল খনন কার্যক্রম বন্ধ: জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৯ জুন, ২০১৫
  • ৩৪ দেখা হয়েছে

imagesএম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও : দীর্ঘকাল যাবত বিএডিসি কর্তৃপক্ষ ঈদগাঁওর মাইজপাড়ার ভরাখাল খনন কার্যক্রম বন্ধ করে চলে যাওয়ার ফলে বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ী ঢলে বন্যার পানিতে খালের পার্শ্ববর্তী লোকজন পানি বন্দী হয়ে পড়েছে। এতে করে এলাকাবাসীর মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়, কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁও ইউনিয়নের বৃহত্তর মাইজপাড়ার ভরাখাল খনন কার্যক্রম বর্তমানে বন্ধ হয়ে রয়েছে। কিন্তু অর্ধেক খাল খননের পরবর্তী দু-পাড়ের মাটি ভরাটের প্রায় দীর্ঘ দিন ধরে কাজকর্ম বন্ধ হওয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে নানান প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। মাইজপাড়ার ঐতিহ্যবাহী ভরাটখালটি সংস্কারের লক্ষ্যে দীর্ঘকাল ধরে স্থানীয় মেম্বার ও ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি ছুরুত আলমসহ আরো কয়েকজন নানা মহলে জোর লবিং শুরু করেছিলেন বহু পূর্বে। তারই ধারাবাহিকতার ফল ফসল হিসাবে দীর্ঘ বছর পর বিএডিসির দু’কর্মকতা ২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি ঈদগাঁও’র উত্তর মাইজ পাড়া মাও: মোহাম্মদ হোসনের বাড়ী হতে মধ্যম- দক্ষিন মাইজ হয়ে জালালাবাদের পালাকাটা ঘুমগাছ তলা পর্যন্ত ভরাটখালটি পরিদর্শন করেন- বিএডিসি কক্সবাজার উর্ধতন উপসহকারী প্রকৌশলী ডালিম কুমার মজুমদার ও বিএডিসির কনসালটেড কে এম ফজলুল হক। দুঃখ জনক হলেও সত্য যে, এই মাইজ পাড়ার ঐতিহ্যবাহী খালের মাঝপর্বে খনন করার পর ঐ খালের দু-পাড়ের মাটি ভরাটের কাজ একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে। এই নিয়ে বিশাল এলাকার লোকজন চলতি ভারী বৃষ্টিপাত আর বন্যার পানি খাল দিয়ে সুষ্ঠুভাবে যাতায়াত করতে না পারায় খালের পার্শ্ববর্তী বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। বর্তমানে এলাকার লোকজন দুর্বিসহ অবস্থায় জীবন যাপন করছে। এছাড়াও এলাকার একাধিক লোকজনের মতে, অর্ধ খনন কৃত ভরাখাল যদি পূর্ণ খনন করা না হয় তাহলে এলাকাবাসী চলতি বর্ষা মৌসুমে ফের মরন দশায় ভুগবে। অন্যদিকে স্থানীয় তরুণ ব্যবসায়ী নাছির উদ্দীন এ প্রতিনিধিকে মুঠোফোনে জানান, ঐতিহ্যবাহী আমাদের এ ভরাখালটি খননের মাঝপথে কর্তৃপক্ষ চলে যাওয়ায় এ বর্ষা মৌসুমে বন্যার পানির মাঝে হাবুডুবু খেতে হচ্ছে এলাকার লোকজনকে। এ ব্যাপারে স্থানীয় মেম্বার ছুরত আলমের সাথে কথা হলে তিনি বিএডিসি কর্তৃপক্ষ ভরাখাল অর্ধ খনন করে চলে যাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেন। উল্লেখ্য প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে এলাকার লোকজনদেরকে মহাকষ্টে দিন কাটাতে হয়। দীর্ঘকাল ধরে অযন্তে অবহেলায় পড়ে থাকা ঐতিহ্যবাহী ভরাটখালটি যদি পুনঃখনন করে পানি চলাচলের সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে এলাকার জনগোষ্টীর দুঃখ দূর্দশা লাঘব হবে। অন্যদিকে বর্তমানে ভরা খালটি নানা ভাবে দখল হতে দেখা যাচ্ছে। তাই দ্রুততম সময়ে এলাকার এই ভরাখালটি খনন করে খালের পাশ্ববর্র্তী বাড়ীঘরের লোকজনদেরকে বন্যার পানি কিংবা নানা সমস্যা থেকে মুক্তি দেওয়ার আহবান এলাকাবাসীর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com