1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
শিরোনাম :
ঈদগাঁওতে অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডারের গুদামে ভয়াবহ বিস্ফোরণ : দগ্ধ ২ করোনার অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় প্রস্তুত ১০ জেলা লালদিঘী পাড় মসজিদের শুভ উদ্বোধন ও ২৬ জন মুচিকে স্থায়ী দোকান দিলো কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ইসলামাবাদে হাতির পালের বসতবাড়ী ভাংচুর: চরম আতংকে এলাকাবাসী হিমছড়ি পাহাড়ের সিঁড়ি থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু প্রথম ধাপে ভাসানচরে পৌঁছেছে ১৬৪২ রোহিঙ্গা একদিনে আরও ২৪ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২২৫২ কর্ণফুলী নদী হতে রোহিঙ্গা ভর্তি ৭টি জাহাজ ভাসানচরের পথে করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে আসাদুজ্জামান নূর করোনা ভ্যাকসিনকে ‌‘বিশ্ব জনপণ্য’ বিবেচনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

মহাজনী ব্যবসার আড়ালে চড়া সুদের গ্যড়াকলে গরীবরা

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
  • ১৭ দেখা হয়েছে

নুরুল আমিন হেলালী ,কক্সবাজার :
কক্সবাজারের প্রতিটি উপজেলার বাণিজ্যিক এলাকা থেকে শুরু করে গ্রামে-গঞ্জে অসহায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে পূঁজি করে কয়েকটি অসাধুচক্র মহাজনী ব্যবসার আড়ালে চালিয়ে যাচ্ছে রমরমা সুদের ব্যবসা । ঘনবসতিপূর্ণ পুরো এলাকা তৃণমূল পর্যায়ে দারিদ্র বিমোচনের নামে কয়েকটি এনজিও চড়া সুদে অর্থ লগ্নির ফলে অসহায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিকভাবে নিষ্পেষিত করে আসছে। জানা গেছে, নাম সর্বস্ব কয়েকটি এনজিও গ্রামের অশিক্ষিত অসহায় লোকজনকে অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছলতার স্বপ্ন দেখালেও মাঠ পর্যায়ে পরিলক্ষিত হচ্ছে ভিন্ন চিত্র। পূঁজিবাদি এনজিওগুলো মাইক্রো ক্রেডিট প্রোগ্রামের নামে মূলতঃ প্রাচীন মহাজনী প্রথাকে আধুনিকায়ন করছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, বৃহত্তম ঈদগাঁওয়ের বেশ কিছু এনজিও সংস্থা মাইক্রো ক্রেডিট প্রোগ্রামের নামে ৬টি ইউনিয়নের পাড়ায়-মহল্লায় গিয়ে নিরবে সুদের রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। দারিদ্র বিমোচনের নামে অনেক এনজিও চড়া সুদে ঋণ বিতরণ করায় এ দরিদ্র পরিবারগুলো স্বাবলম্বী হওয়ার পরিবর্তে হচ্ছে আর্থিকভাবে ঋণগ্রস্থ। পাশাপাশি স্থানীয় কিছু অসাধুজন প্রদানকৃত টাকার দ্বিগুণ পরিশোধের শর্তে এলাকার অসহায় নারী-পুরুষদের মাঝে রমরমা সুদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। জনবহুল এই এলাকায় প্রায় ডজন খানেক নাম সর্বস্ব এনজিও সংস্থা রয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশ সংস্থা দারিদ্রতা বিমোচনের নামে সাপ্তাহিক ১৬% থেকে ৩০% সুদের হারে মাইক্রো ক্রেডিট কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এ মহাজনী ব্যবসার নামে পাড়া-মহল্লায় সহায় সম্বলহীন মহিলাদের নিয়ে সমিতি করে দিয়েছে। এসব এনজিও থেকে ঋণ গ্রহীতাদের কয়েকজন জানান, তাদের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে এনজিও কর্মীরা সঠিক বিধি-বিধান না মেনে ঋণ প্রদান করছে। পরবর্তীতে সাপ্তাহিক কিস্তির জন্য টাকা না থাকলে পরনের কাপড় থেকে শুরু করে ব্যবহারের হাড়ি-পাতিল, গরু-ছাগল, গৃহপালিত হাঁস-মুরগী পর্যন্ত অনেক সময় নিয়ে যায়। এতে করে অনেকের দাম্পত্য জীবনেও কলহের সৃষ্টি হচ্ছে। অনেকের সাজানো সংসারও ভেঙ্গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এচিত্র সদরের ঈদগাহ ছাড়াও কক্সবাজারের প্রতি উপজেলায় দৃশ্যমান। অন্যদিকে  ভূঁইপোড় সংস্থা শিশু শিক্ষার নামে চালিয়ে যাচ্ছে অভিনব প্রতারণা। এছাড়া সাইনবোর্ড সর্বস্ব কিছু ইন্সুরেন্স কোম্পানীর লোকজন গ্রামের স্কুল-কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থীদের চাকরি দেয়ার নামে ব্যবহার করে সহজ সরল মানুষের কাছ থেকে জীবন বীমার অজুহাত দেখিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। ভূক্তভোগীদের অভিযোগ ঠিক মত কিস্তির টাকা পরিশোধ করার পর ও বিপদে পড়ে হিসাব ক্লোজ করতে চাইলে বড়কর্তা পরিচয়ি স্বল্পশিক্ষীত অফিসার গুলো বিভিন্ন অজুহাতে অর্ধেকের চেয়েও কম টাকা ধরিয়ে দিয়ে দায়মুক্ত হন। আবার অনেক স্থানীয় ইন্সুরেন্স কর্মী গ্রাহকের কিস্তির লক্ষ লক্ষ টাকা মেরে বিদেশ পাড়ি জমিয়েছেন বলে অসংখ্য অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এ ব্যাপারে সচেতন জনগণ প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন। এ ধরণের অনৈতিক নামসর্বস্থ এনজিওর আড়ালে প্রচলিত মহাজনী সুদের ব্যবসা বন্ধ না হলে এলাকার দারিদ্রতা বিমোচনের স্বপ্ন অধরায় থেকে যাবে। সুদের যাতাঁকলে পিষ্ঠ হয়ে সর্বশান্ত হবে এলাকার দরিদ্র জনগোষ্ঠি।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com