1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

মহেশখালীতে কৌশলে মানবপাচার করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে মুখোশধারী দালালচক্র

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
  • ৬ দেখা হয়েছে

এ.এম হোবাইব সজীব, কক্সবাজার আলো :
আইনশৃংঙ্খলা বাহিনীর কড়া নজরদারীর ফলে মালয়েশিয়া মানবপাচারকারী চক্র সাগরপথে পাচার বাদ দিয়ে ভিন্নকৌশল হিসাবে আকাশ পথে ফাঁদ পেতে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে সহজ সরল পরিবারকে নিঃস্ব করে পথে বসিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ভোক্তভোগীদের দেওয়া তথ্যমতে, পুলিশ প্রশাসনের চোখে ধুলা বালি দিয়ে বিশেষ করে মহেশখালী উপকূলীয় দ্বীপের শাপলাপুর ইউনিয়নে একটি মুখোশধারী কোন সময় (রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষক, সমাজসেবক ও পরোপকারী) ছন্মবেশে দালালের সিন্ডিকেট মালয়েশিয়া অবস্থানকারী বড় বড় দালালদের সাথে গোপন আতাঁত করে পাচার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
শাপলাপুরের একটি চিহ্নিত মানবপাচারকারী সিন্ডিকেট মুখবেকীর মৃত আমির হামজার পুত্র মো. শহিদুল্লাহ, মো. আলীর পুত্র মিজান, পুইঁছড়ি পাড়ার নুরুল হক প্রঃ জনুর পুত্র আবুল বশর, আবুবক্কর, আবু তালেব ও নুরুল হক গংদের নেতৃত্বে দীর্ঘ কয়েক বছরধরে মানবপাচারী কার্যক্রমের অংশ বিশেষ সর্বশেষ প্রায় অর্ধকোটি টাকা আলাদা আলাদা ভাবে নিয়ে শাপলাপুর ইউনিয়নে সাতঘর পাড়া এলাকার নুরুল হকের পুত্র রিয়াজ উদ্দিন (২২), আবুল হোছেনের পুত্র নুরুল কবির, মুখবেকী এলাকার কালা মনুর পুত্র মোঃ সেলিম সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন সংগ্রহ করে আকাশপথে মালয়েশিয়া পাচার করেছে। পাচারকৃতদের মাঝে নুরুল কবির ও মো. সেলিম মালয়েশিয়া কারাভোগের পর নিজ গ্রামে ফিরে আসলে রিয়াজ উদ্দিনের এখনো খুঁজ মেলেনি।
শেষ পর্যন্ত নিখোঁজ রিয়াজ উদ্দিনের মাতা বাদী হয়ে অভিযুক্ত দালাল শহিদুল্লাহ, আবুল বশর, মিজান, আবু বক্কর, আবু তালেব ও নুরুল হককে আসামী করে প্রথমে মহেশখালী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। পরে অভিযুক্ত দালাল ও আন্ডারগ্রাউন্ডে তাদের সহযোগীতা কারীদের বিরোদ্ধে সন্তান ফিরিয়ে দেওয়ার দাবীতে মামলা প্রক্রিয়া চলছে। এবং মানবপাচারকারী দালালদের রক্ষা করতে একটি ছন্মবেশী চক্র মরিয়া। পুলিশ প্রশাসন দালালদের গ্রেপ্তার করতে পারলে তাদের সহযোগীদের সন্ধান পেয়ে যাবে।
নিখোঁজের মাতা রাশেদা বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, আমার অবুঝ ছেলে রিয়াজকে  দালালচক্র বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়া পাচারের পর আমাকে জিম্মি করে চক্রের গড়ফাদার শহিদুল্লাহ ও আবুল বশর ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা নিয়েছে। এখন আমার ছেলের সন্ধান ও দেওয়া টাকা পরিশোধের কথা বললে উল্টো দালালেরা আমাদের স্ব-পরিবারে প্রাণের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।
মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ সাইকুল আহম্মেদ ভুইঁয়া আমাদের কক্সবাজারকে জানান,  অভিযুক্ত দালালদের গ্রেপ্তার পুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com