1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

মহেশখালীতে পাহাড়ের ঢালে ঝুঁঁকিতে ৩০ হাজার পরিবার

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০১৫
  • ২৬ দেখা হয়েছে

বা8এ.এম হোবাইব সজীব :
দেশের পাহাড় বেষ্টিত একমাত্র দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীর বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে রয়েছে প্রায় ৩০ হাজার পরিবার। পাহাড়ের ঢালা যুগ-যুগ ধরে বসবাস করছে এসব পরিবার।
প্রতিবছর ভারিবর্ষণে পাহাড়ধসের মহেশখালীর বিভিন্ন এলাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটলেও পাহাড় ছেড়ে নিরাপদে যাচ্ছে না পরিবারগুলো। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে অন্য সরে যাওয়ার জন্য প্রচারনা চালালে ও এতে কোউ কান দিচ্ছেনা। তবে চলতি বর্ষা মৌসুমে পাহাড় ধসের আশংকায় পরিবারগুলোর মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। ফলে পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে বসবাসকারী মানুষগুলোকে নিয়ে উদ্বেগ-উৎকন্ঠায় রয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও বনবিভাগ।
মহেশখালী উপজেলার পরিসংখ্যান অফিসের হিসাব মতে. উপজেলার ৮ ইউনিয়ন এবং ১টি পৌরসভার মধ্যে ৫ ইউনিয়নের পাহাড়ে ঢালে মানুষ বসবাস করতেছে। জানা গেছে, গত দুই দশকে মহেশখালী পাহাড়ি এলাকায় পাহাড় ও   ভূমিধসের ঘটনায় ডজনখানিক মানুষ নিহত কয়েকশ’ পঙ্গু এবং আহত হয়েছে। প্রতিবছর এসব এলাকায় পাহাড় ধসে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটলেও এখান থেকে লোকজনকে পুনর্বাসনের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বিভিন্ন সময় একশ্রেণীর লোক রাজনৈতিক আশ্রয়ে পাহাড়ি এলাকা নিজেদের দখলে নিয়ে নেয়। তাতে সার্বিক সহযোগিতা করার অভিযোগ রয়েছে বন বিভাগের কর্মকতাদের। অনুসন্ধানে জানা গেছে, বর্তমানে এখানে মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে শত শত পরিবার।
এভাবে উপজেলার কালারমারছড়া, হোয়ানক শাপলাপুর,ছোঠ মহেশখালী ও বড় মহেশখালী ইউনিয়নে বিস্তৃত পাহাড়ি এলাকায় বর্তমানে পাহাড়ের ঢালে-পাদদেশে ও চুড়ায় ৩০হাজার মানুষ মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে। ছোঠ মহেশখালীর চেয়ারম্যান মোস্তফা এবং শাপলাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল হক জানিয়েছেন, যারা পাহাড়ে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করে তাদেরকে বনবিভাগ ও প্রশাসনের মাধ্যমে অন্তত বর্ষাকালে অন্যত্র সরে নিয়ে গেল হয়তো অনেক মানুষ ভূমিধস থেকে প্রাণে রক্ষা পাবে। এদিকে স্থানীয় প্রভাবশালী ও বন বিভাগের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজসে মহেশখালীতে নির্বিচারে পাহাড় কাটার ঘটনা ও ভূমিধসের একটি অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন পরিবেশবাদিরা। জানা গেছে, প্রভাবশালীদের মালিকনাধীন বাড়ি মার্কেটের জন্য পাহাড় কেটে মাটি আনতে গিয়ে ও গত কয়েক বছরে ধরে অনেক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। কয়েক দশক ধরে মহেশখালীতে ব্যাপকহারে অস্বাভাবিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে চললে ও প্রশাসন নির্বিকার। সরেজমিনে জানা গেছে, মৃত্যুঝুঁকি সত্ত্বে ও সাগর ও নদী ভাঙা আশ্রয়হীন ও ভূমিহীন মানুষগুলো উপায়ন্তর না দেখে এসব পাহাড়ী এলাকায় বসবাস করে আসছে। আবার অনেক স্থানে প্রভাবশালীরা পাহাড় গুলো নিজেদের দখলে রাখতে নিরীহ লোকজনদের ব্যবহার করে তাদের জীবন নিয়ে খেলায় মেতে উঠেছে। এসব এলাকার লোকজন জানান, পাহাড় এবং ভূমিদসে প্রাণ হারানোর ভয় তাদের তাড়া ,করলেও অন্য কোনো উপায়,অবলম্বন ও আশ্রয় না থাকায় তারা এক প্রকার বাধ্য হয়ে ঝুঁকির মধ্যে পাহাড়ের ঢালে বসবাস করে আসছে। শুধু নিজেদের প্রাণহানিই নয় এসব এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনায় বহু গবাদি পশু ও ধন-সম্পদেরও হানি হচ্ছে প্রতিবছর।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com