1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

মহেশখালীতে পোস্ট অফিসের জমি দখল করে পৌর মেয়র মকছুদ মিয়ার হোটেল নির্মান

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০১৫
  • ১৭ দেখা হয়েছে

মহেশখালী প্রতিনিধি :
মহেশখালী উপজেলার প্রধান (ডাকঘর) গোরকঘাটা পোস্ট অফিসের সরকারী জমি দখল করে মিষ্টি মূখ হোটেল এর মহিলা কেন্টিন ও রান্নাঘর নির্মাণ করেছে মহেশখালী পৌর মেয়র আলহাজ্ব মকছুদ মিয়া।
পবিত্র রমজান মাসে দিনের বেলায় হোটেল ব্যবসা বন্ধ থাকার সুবাদে মহেশখালীর গোরকঘাটা বাজারের হোটেল মিষ্টিমূখ কর্তৃপক্ষ সরকারী জমি দখলের মহোৎসব দেখে হতবাক হয়ে পড়েছে আগত বাজারের লোকজন।
অনেকে মনে করছেন পৌর মেয়র সরকারদলীয় হওয়ায়  দেশের কোন আইন শৃংখলা বাহিনী ও সরকারের প্রশাসন কিংবা মিডিয়া এমন দখলে কাজে চোখ রাখেনা । এ কারনে দিবালোকে সরকারী জমি দখল করলেও কোন জবাব দিহির আওতায় আসছেনা তিনি।
সুত্রে জানাযায়,মহেশখালী উপজেলার পোস্ট অফিসটি গোরকঘাটা মৌজার ১০নং খতিয়ানের ৮৬৬ দাগে ১৪ শতক জমির উপর প্রতিষ্টিত হয়। ১৪ শতক জমির চারদিকে পোস্ট অফিস কর্তৃপক্ষের সীমানা পিলার ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপন করে একটি ভবনে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।২০১৩ সাল থেকে পোস্ট অফিস এর পশ্চিম পার্শ্ব থেকে হোটেল ইসলামিয়ার দেওয়াল পর্যন্ত দিন দিন স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি হোটেল মিষ্টি মূখ কর্তৃপক্ষ টিনের ঘেরা বেড়া দিয়ে দখলে নিতে থাকে । এ বিষয়ে তখন সময়ে  মহেশখালী উপজেলা প্রশাসন সহ বিভিন্ন দপ্তরে জেলা পোস্ট অফিস কর্তৃপক্ষ লিখিত ভাবে অবহিত করে।
সম্প্রতি রমজান মাসে  সীমানা পিলার উচ্ছেদ ও একটি বড় মেহগুনী গাছ কেটে পূর্নরায়  টিনের বেড়া দিয়ে মহিলা কেন্টিন ও পাক ঘর নিমার্ণ করে। বিষয়টি ডেপুটি পোস্ট মাষ্টার জেনারেল বান্দরবনের নিকট মহেশখালী উপজেলা পোস্ট মাস্টার কাসেম উদ্দিন চলতি বছরের ১৬ জুন ও ১৭জুলাই ২বার অবিহিত করলেও কোন ধরনের সুরাহা হয়নি। ১৪শতকের প্রায় ৪ শতক সরকারী জমি দখলের বিষয়ে অবহিত করণ পত্রে অভিযোগ করেন হোটেল মিষ্টি মূখ কর্তৃপক্ষ তাদের নথি নং বি-১ ভূমি  ১৫/১৬ তে বলা হয় ভ’মি জবর দখল করে নেয়। যার কারণে পোষ্ট অফিসের নিরাপত্বা বজায় রাখার স্বার্থে এব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে অফিসের পেছনের আরো খালি জায়গা দখলে নিতে পারে। ফলে র্কমচারীগণ নিরাপত্বা হীনতায় রয়েছে।
এবিষয়ে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বেশ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। তারা বলেন এই দখলের পরে একটা বিষয় প্রমানিত হয়েছে যাদের আছে তাদের আরো দাও। যেমন ধনী বলে ধন দাও পেটুকে বলে খাবার দাও তার একটি সত্যি বর্হি প্রকাশ।  যেখানে সাধারণ লোকজন হকার বসিয়ে সাধারণ জিনিসপত্র বিক্রি করলে পৌরসভা থেকে বাধা দেওয়া হয় সেখানে এভাবে জায়গা দখল কতটুকু যৌক্তিক। মূলত মেয়র আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করে এসব করছে বলে তাদের দাবী।
সূত্র আরো জানিয়েছে, পোস্ট অফিসের পাশে রাস্তা বানানোর ফলে নানা অশুভ আড্ডার কারণে বিভিন্ন অনৈতিকতার সৃষ্টি হচ্ছে। এসব তথ্য উপস্থাপন করে অফিটির পোষ্ট মাষ্টার কাসেম উদ্দিন জানান, কর্তৃপক্ষকে জানানোর পরেও কোন ব্যবস্থা হয়নি। ফলে নিজ থেকে এই দখলের বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলে নিরাপত্বা হীনতায় রয়েছি।
এব্যাপারে  মহেশখালী উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি নোমান হোসেন এর নিকট জানতে তিনি জানান  আমাদের নিকট এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
এব্যপারে মহেশখালী পৌর মেয়র মকছুদ মিয়ার সাথে একাধিক মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলেও ফোন রিসিভ করেনি একারনে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com