1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

মহেশখালীতে বৃত্তি পরীক্ষার নামে লাখ টাকার বানিজ্যর অভিযোগ

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৫
  • ১৮ দেখা হয়েছে

এ.এম হোবাইব সজীব :
দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীতে মাউস সংস্থা কতৃক শিশুদের মেধা বৃত্তি পরীক্ষার নামে লাখ টাকার বানিজ্যর অভিযোগ উঠেছে। অনিয়ম অব্যবস্থাপনা ও নানা বিশৃংখলার মধ্যে দিয়ে একদিন ব্যাপী পরীক্ষা শেষ হয়েছে। গতকাল মহেশখালী উপজেলার খবরের প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল মাউসের আয়োজিত অর্থ বানিজ্যর মেধা বৃত্তি পরীক্ষা। ২৪ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় শতশত অভিভাবক ছেলে মেয়েদের নিয়ে মহেশখালী কলেজ কেন্দ্র উপস্থিত হয় মাউস মেধা বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করার জন্য।
মহেশখালী ডিগ্রী কলেজে কেন্দ্র উপস্থিত হয়ে দেখতে পায় মাউস এর নানা অব্যবস্থাপনা, বিশৃংখল পরিবেশ, ছাত্র-ছাত্রীদের আসন সংকট ও হই হুল্লডু অবস্থা।  সকাল ১০টার পরীক্ষা শুরু হয়  সকাল ১১টায়। পরীক্ষা শুরুর অন্তত এক ঘন্টা পরে ও ছাত্র-ছাত্রীরা পরীক্ষার হলে এসে আসন খুুঁজতে থাকে । এমন সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম  পেইজ বুক সহ বিভিন্ন অনলাইনে  প্রচার হলে মহেশখালী কলেজ কেন্দ্র ছুটে চলে একদল সংবাদ কর্মী। এ সময় অনেক পরীক্ষার্থী নানা অভিযোগ তুলে পরীক্ষার হল ত্যাগ করে চলে গেছে । এসময় মহেশখালী কছেুুজের অধ্যক্ষ জসিম উদ্দিন এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন , তিন মাস পূর্ব মাউস নামক একটি সংস্থার পক্ষ থেকে মেধা বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্রর জন্য আবেদন করলে শিক্ষার স্বার্থে আমি বন্ধ কালিন সময়ে পরীক্ষার জন্য মহেশখালী কলেজের হল ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করি। অন্য সব ব্যবস্থাপনার জন্য মাউস কতৃপক্ষ দায়ী। আমার কলেজ ও শিক্ষক কিংবা কর্মচারী কেহ পরীক্ষার জন্য দায়ী নয়।
মহেশখালী কলেজ কেন্দ্রে অবস্থানরত মাউস এর নির্বাহী পরিচালক পরিচয় দানকারী  গোলামুর রহমান  জানান, তারা ৭ জনের মালিকানাধনি চট্টগ্রাম ভিত্তিক একটি এনজিও সংস্থা মানব উন্নয়ন সংস্থা- মাউস । চট্টগ্রামের তারা একটি পথ শিশুদের স্কুল, একটি নাইট স্কুল ও শিশু শ্রমিকদের স্বুল পরিচালনা করে থাকে । অন্যদিকে চট্টগ্রাম শহরের বাহিরে বিভিন্ন উপজেলায় মেধা বৃত্তি পরিচালনা করে আসছে । এরই অংশ হিসাবে মহেশখালীতে এ মেধা বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন ।
সময়ের সাথে প্রতিভার খুজে এই শ্লোগান সামনে রেখে মহেশখালীর প্রতিটি সরকারী বেসরকারী  প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাদ্রাসা, মাধ্যমিক সকল শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষায় অংশ গ্রহনের জন্য প্রতি ছাত্রের নিকট থেকে ১৫০ টাকা করে পরীক্ষা ফিঃ আদায় করে। ঐ ফিঃ থেকে অংশ গ্রহনকারী ছাত্রদের প্রতিষ্টান প্রধানরা ৩০ টাকা হারে জন প্রতি কমিশন প্রাপ্ত হবেন।
একারনে মাউসের মেধা বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণকারীর সংখ্যা তুলনা মূলক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পরীক্ষা শেষে চুড়ান্ত ভাবে কতজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে তার হিসাব দিতে পারে নি আয়োজক কতৃপক্ষ। কারও হিসাবে ১২’শ আবার কারো হিসাবে ১৩৫০জন হতে পারে। পরীক্ষাটি নিয়ে নিয়মিত হ-য-ব-র-ল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
ফটোষ্ট্যট করা প্রশ্ন পত্র নিয়ে অনেক অভিভাবক অভিযোগ তুলেন। এটা সাধারণ মানুষের কাছে ব্যবসা ছাড়া আর কিছুই নয়। আমার শিক্ষা বিস্তারের নামে ডাকাতি খানায় শিশুদের নিয়ে আসছি। শিশু শ্রেণীর শিক্ষাথীদের সাথে নবম দশ শ্রেণীর ছাত্রদের একই টেবিলে পরীক্ষা দেওয়ার সময় শিশুরা বড়দের বলছে আপু, আংটি এটি কি? বড়রা যেমন পরীক্ষা দিতে বার বার বিরক্ত বোধ করছে তেমনি অনেক শিশুর অভিভবকরা রোমে ডুকে লিখা শিখিয়ে দিয়েছে।
এ ব্যাপারে মাউসের নির্বাহী পরিচালক, গোলামুর রহমান নিজেই পরীক্ষায় অসচ্ছতার কথা শিকার করেন। এদিকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীর অভিভাবক নুরুল আলম, রেনুয়ারা বেগম, আলমগীর হোসেন সহ একাধিক জনরা  বলেন, জীবনে এত বৃত্তি পরীক্ষা দেখেছি ,এক টেবিলে ৬/৭জন  বসে পরীক্ষা দেয়ার চিত্র কখনো দেখি নাই।
এব্যাপারে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভার-প্রাপ্ত) নোমান হোসেন বলেন বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। কমিটি তদন্ত করে বিষয়টি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই বিভাগের আরও খবর

  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com