1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. joaopinto@carloscostasilva.com : randaldymock :
  3. makaylabeaurepaire@1secmail.com : scotty7124 :
  4. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  5. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  6. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :
শিরোনাম :

মহেশখালী নৌ-চ্যানেল দিয়ে চকরিয়াতে আসছে মরণ নেশা ইয়াবা, অধরাই রাঘব বোয়াল

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৫
  • ২০ দেখা হয়েছে

এ.এম হোবাইব সজীব :
বাংলাদেশ-মিয়ানমার দুই দেশের সীমানা চিহ্নিত খাল নাফ নদীর ২৫ কিলোমিটারজুড়ে জিরো পয়েন্ট অরক্ষিত হয়ে পড়ায় প্রতিনিয়ত ইয়াবার চালান নিয়ে আসছে চোরাচালানিরা। উভয় দেশের চোরাচালানিরা ইয়াবার চালান দেশে প্রবেশ করাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। অপরদিকে প্রশাসনের সু-দৃষ্টি না থাকায় টেকনাফ, উখিয়া ও কক্সবাজার সদর থেকে মহেশখালীর নৌ-চ্যানেল দিয়ে কিছু অংশ অরক্ষিত থাকায় বাঁধের পানির মত উপকূলীয় ইউনিয়ন মহেশখালী চ্যানেলের নদী ঘেষেঁ অবস্থিত বদরখালী ইউনিয়নে আসছে মরন নেশার ইয়াবার বড় বড় চালান।
জানা গেছে, চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নের ফেরীঘাট, বাজারপাড়া, কলেজ গেইট সহ আশপাশ এলাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে অবৈধ মাদক ব্যবসা থেকে পদোন্নতিপ্রাপ্ত শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী জিয়াবুল করিম। সে বদরখালী বাজার পাড়া এলাকার মাহবুবুল আলমের ছেলে বলে জানাগেছে। অভিযোগ উঠেছে, জিয়াবুল করিম মহেশখালী নৌ-চ্যানেল দিয়ে সাগর ও সড়ক পথে বদরখালীতে বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধ মাদক এনে দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে মাদক ব্যবসা করে আসছিলো। গত ১বছর ধরে মাদক ব্যবসা থেকে পদোন্নতি পেয়ে মরণ নেশা ইয়াবা ব্যবসা শুরু করেছে। ফলে পূর্বের আয়ের চেয়ে শতগুন লভ্যাংশ বেড়েছে ইয়াবা ব্যবসায়। মাদক বিক্রি করতো ১শ, ২শ টাকা করে, আর ফেন্সিডিল বিক্রি করতো প্রতি বোতল ১হাজার টাকা করে। লভ্যাংশ থাকতো প্রতি বোতলে ৩শ থেকে ৪শ। বিক্রি হতো দৈনিক ২০/৩০টি। বর্তমানে ১শ, দেড়শত টাকা করে ইয়াবা ক্রয় করে বিক্রি করে ৩শ, ৪শত টাকায়। প্রতিদিন অন্তত দু’শতাধিক ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রি করে ভিআইপি নেশাখোরদের কাছে।
এমনকি ইয়াবা ব্যবসায়ী জিয়াবুল সাগর পথে কন্ট্রাক্টের মাধ্যমে বড় বড় ইয়াবার চালান পাচার করে আসছে। সরকার ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন মাদক ও মানবপাচার প্রতিরোধে এ্যাকশনে গেলেও বদরখালীর ইয়াবা ব্যবসায়ী জিয়াবুলকে গ্রেফতারে কোনরূপ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছেনা। তাই স্থানীয় সচেতন মহল জানিয়েছেন, বদরখালী বাজার সংলগ্ন ইয়াবা ব্যবসায়ী জিয়াবুলকে গ্রেফতার করলে ওই এলাকায় অনেকটা ইয়াবা ব্যবসা নির্মোল হবে। বদরখালী নৌ-পুলিশের নবাগত এ.এস আই আবুল কালাম আজাদ মাদকের আখড়া বন্ধ করার জন্য তৎপর থাকায় মাদক ব্যবসায়ীরা গ্রেফতার আতংকে রয়েছে বলে এমন কথারও উদয় হচ্ছে সচেতন মহলের কাছে। মাদকের ব্যাপারে ছাড় দেওয়া হবে না বলে ঘোষনা দেওয়ায় আবুল কালাম আজাদের ভূঁয়শী প্রশংসা করেছেন স্থানিয় লোকজন। বদরখালী বৃহত্তর বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহাজাহান সাংবাদিকদের বলেন, সামাজিক ভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলে মাদক ব্যবসা চিরতরে বন্ধ করা প্রয়োজন। না হলে যুবসমাজ ধবংস হয়ে যাবে। স্থানিয় লোকজন জানান, জিয়াবুল ছাড়া বদরখালী বাজার পাড়ার বাসিন্দ্রা জেল ফেরৎ কালু এবং বদাইয়া বিভিন্ন ধরনের মাদক এনে এলাকায় আখড়া গড়ে তুলেছেন। তাদের মাদকের আখড়ায় প্রায় প্রতিদিন মাদকসেবী লোকজনের আনা-গোনা বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সচেতন লোকজন। গত ২/৩ বছর ধরে বদরখালী বাজারের আশ-পাশের এলাকায় মাদকের অবাধ বাণিজ্য ছড়িয়ে পড়েছে। উঠতি বয়সের যুবকরা মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ায় এলাকার সচেতন মহল এ নিয়ে আতংকে রয়েছে। চকরিয়া থানার ওসি প্রভাষ চন্দ্র ধর আমাদের কক্সবাজারকে জানান, ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত থাকলে জিয়াবুলকে অবশ্যই গ্রেফতার করা হবে। এজন্য বদরখালী নৌ-পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে মুঠোফোনে মহেশখালী জোনের কোষ্টগার্ডের কমান্ডিং অফিসার মাহমুদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, মহেশখালী নৌ-চ্যানেলের ১ কিলোমিটার জুড়ে আমাদের যাওয়ার সরকারীভাবে অনুমতি রয়েছে, তবে অবৈধ কোন মালামাল আসার খবর পেলে তিন কিলোমিটার পর্যন্ত আমাদের যাওয়ার অনুমতি আছে। মহেশখালী চ্যানেলের সাগরে কিছু অংশ জিরো পয়েন্ট অরক্ষিত থাকায় ইয়াবার চালান গোপনে আসলে আসতে পারে। এ ব্যাপারে আমরা সজাগ রয়েছি।

এই বিভাগের আরও খবর

  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com