1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. joaopinto@carloscostasilva.com : randaldymock :
  3. makaylabeaurepaire@1secmail.com : scotty7124 :
  4. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  5. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  6. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

মাতারবাড়ীতে ভাঙ্গছে বেড়িবাধঁ, অথৈ জলের পানিতে ভাসছে মানুষ

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
  • ১৯ দেখা হয়েছে

এ.এম হোবাইব সজীব, কক্সবাজার আলো :
ভাঙ্গছে বেড়িবাধঁ কাঁদছে মানুষ। এ যেন দ্বীপ উপজেলার মহেশখালীর মাতারবাড়ী  উপ দ্বীপের নিত্য দিনের চিত্র। মাতারবাড়ী মানুষের সাথে বেড়িবাধঁ ভাঙ্গার শব্দটি লেগেই আছে। পূর্ণিমার জোয়ারে লোনা পানিতে ইউনিয়নটির প্রায় ৮০ হাজার মানুষ এখন দিন কাটাচ্ছে চরম বেকায়দায়। সীমাহীন কষ্টে দিন কাটাচ্ছে এ এলাকার মানুষ। নেই আর আগের মত দ্বীপবাসির মাঝে প্রানঞ্চলতা। হারাতে বসেছে তাদের সৌখিন উন্মুক্ত চলাফেরা। সম্প্রতি সাগরের জোয়ার-ভাটার কবলে পড়ে লোনাপানি ঢুকে সয়লাভ হয়ে গেছে ঘরবাড়ি-গ্রামের সারিসারি মেটে পথ গুলো। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, জোয়ারের পানি ঢুকে মাতারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ, দক্ষিন রাজ ঘাট, উত্তর রাজঘাট, রাজঘাট টেকপাড়া , রাজঘাট বিল পাড়া, পুলজান মোরা, উলু ঘোনা, মজিদিয়া সুন্নীয়া সিনিয়র মাদ্রাসা, দক্ষিণ মগড়েইল প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন এলাকার কাঁচা ঘরবাড়িতে গত এক সপ্তাহে সাগরের জোয়ারে পানি প্রবেশ করে মাটির দেওয়াল পড়ে গিয়ে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে দ্বীপবাসির। জানা গেছে, জোয়ারে লোনা পানিতে মাতারবাড়ী ইউনিয়নের প্রায় কয়েক’শ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, ঘের মালিকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এতে জনসাধারণের বাড়ি-ঘর, গাছ-পালা, রাস্তা-ঘাট, গবাদী পশু, দোকান, বীজতলা, পুকুরের মাছ, লোনা পানি ও মিঠা পানির বিভিন্ন মৎস্য প্রকল্পের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে তলিয়ে গিয়েছে। বর্তমানেও পুরো ইউনিয়ন ৮০ ভাগ মানুষ পানিতে এখনো অথৈ জলে ভাসছে শত শত পরিবার।  চিংড়িঘের মালিকরা রয়েছে চরম বেকায়দায়। সমস্ত মাতারবাড়ী জোয়ারের পানিতে ভেসে উঠেছে। কেটে খাওয়া মানুষ আতœনার্থ করে বলেন,এভাবে বেঁচে থাকা যায় না। আমাদের মাতারবাড়ীতে অবিভাবক না থাকলেও , সরকার/প্রশাসন আছে- তারা কি দেখেও দেখছে না ? ক্ষতিগ্রস্থরা জানান আমরা অজপাড়া গাঁয়ের মানুষ । জোয়ার-ভাটায় আমাদের ক্ষতি হচ্ছে অন্যদের শিয়রে উটা উচিত ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ক্ষতিগ্রস্ত লোকজন জানান, ইউনিয়নের রাঙ্গাখালী চিংড়ি ঘের’টি মাতারবাড়ী দক্ষিণ রাজঘাট এলাকার ফরিদুল আলমের ছেলে আবুল কাশেম এবং একই এলাকার আবুল কাশেমের ছেলে ফোরকান জমির মালিকদের কাছ থেকে বর্গা নিয়ে ঘেরটি নিজেরা করে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন দীন ধরে, রাঙ্গাখালী চিংড়ি ঘের সংল্গন এলাকার ওয়াদার বেড়িবাধঁ কেটে তারা লোনা পানি তাদের মৎস্য ঘেরে সুবিধা করার জন্য ঢুকালে  উক্ত বেড়িবাধঁ সুষ্টভাবে রক্ষানা বেক্ষন না করায় সে খানে ভাঙ্গান দেখা দেয়, এবং ভাঙ্গাটি দিনের পর দিন বড় আকার ধারণ করে প্রতিদিন লোনা-পানি লোকালয় ঢুকছে  এবং বাহির হচ্ছে। ফলে অনেকে দায়ী করেছেন আবুল কাশেম এবং ফোরকানকে। ইউনিয়নের মাতারবাড়ীতে বেশিরভাগ বসতবাড়ি তলিয়ে গেছে বুক সমান পানিতে। ভেঙ্গে পড়েছে আভ্যন্তরিণ এলাকার সড়ক যোগাযোগ। বর্তমানে  ইউনিয়নে প্রায়  লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় অথৈ জলে ভাসছে। এসব ইউনিয়নে টিউবওয়েল জোয়ারের পানিতে ডুবে থাকায় বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এসব গ্রামের শুকনো জায়গার অভাব দেখা দিয়েছে । ফলে রান্নার কাজ করতে পারছেনা হাজার হাজার পরিবার। কারো বাড়ির আশপাশ, কারো বাড়ির ভেতরে পানি আর পানি। এক কথায় কারো পৌষ মাস, কারো সর্বনাশে পরিণত হয়েছে। বিগত ৬/৭ দিন ধরে এসব এলাকায় অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে বহু পরিবার। গ্রামীণ সড়ক গুলো এখনো যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। মাতারবাড়ী ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক এস.এম আবু হায়দার জানান,  মাতারবাড়ীর বহু পরিবার এখনো পানি বন্দী  রয়ে অথৈ জলে ভাসছে। থাকা-খাওয়া নিয়ে নিদারুন কষ্ট ভোগ করছে কয়েকদিন ধরে। তবে তিনি এখন পানি কমতির দিকে বলে জানান।
মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আনোয়ারুল নাছের বলেন, কোউ যদি ওয়াদার বেড়িবাধঁ কেটে পানি নিস্কাকশনের সঠিক ভাবে রক্ষানা বেক্ষন না করে অভিযোগ পাওয়া গেলে তাদের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই বিভাগের আরও খবর

  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com