1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

মৃত্যুকূপ থেকে বেঁচে যাওয়া ছেলেকে পেয়ে মায়ের আনন্দাশ্রু

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৫
  • ১০৪ দেখা হয়েছে

আব্দুল মালেক, সেন্টমার্টিন :
নিশ্চিত মৃত্যুপথ থেকে বেঁচে যাওয়া ছেলেকে ফিরে পেয়ে কান্নায় বুক ভাসিয়ে দিলেন মা ও পুরো-পরিবার।কক্সবাজার জেলার সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পশ্চিম পাড়ার ১ নং ওয়ার্ডের আব্দুল করিমের ছেলে আবছার উদ্দিন (১৮)।দীর্ঘদিন থাইল্যান্ডের কারাগারে আটক থাকার পর বাংলাদেশ সরকারের প্রচেষ্টায় গত ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৫ইং সে ফিরে আসতে সক্ষম হয়।
আবছার উদ্দিনের সাথে কথা বলে জানা যায় অজানা সব তথ্য। “সেই ২০১৩ সালের অক্টোবর মাসের শেষের দিকে আমি, আমার বন্ধু পশ্চিম পাড়ার শাহরুখ খান (১৯)এবং শাহজাহান(১৮) রাত ৮টার দিকে সেন্টমার্টিন পশ্চিম বীচে হা-ডু-ডু খেলার জন্য বের হয়।পথিমধ্যে আজিম উল্লাহর(মায়েনমারের বাসিন্দা) সাথে দেখা হয়।সে আমাদেরকে অনেকদিন ধরে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করে আসছিল নানা প্রলোভনের মাধ্যমে।সেখানে গেলে রাতারাতি বড় লোক হওয়া যায়,ওখানকার সুন্দরী মেয়েরা আমাদের বিয়ে করে গাড়ি দেবে, বাড়ি দেবে আরোও কতকিছু। আজিম উল্লাহর সেই প্রলোভন ছাড়তে না পেরে সেই রাতেই সাব্বির মাঝির গামবোর্ট দিয়ে আমি এবং শাহরুখ খানকে গভীর সাগরের মাঝে অপেক্ষামান মালেশিয়াগামী জাহাজে উঠিয়ে দিয়ে আসে।অবশ্য আমাদের জাহাজে উঠিয়ে দেওয়ার জন্য সাব্বির মাঝিকে জনপ্রতি ২০,০০০ টাকা করে দেওয়া হয়েছিল আজিম উল্লাহর মাধ্যমে।এরপরের যাত্রা এক অন্ধকার রাতের গল্প।অনাহারে-অর্ধাহারে জাহাজে ১৫দিন যাওয়ার পর থাইল্যান্ডের জঙ্গলে নামিয়ে দেওয়া হয়।সেখানে দালালদের নির্যাতনে মৃত্যুকে বারবার মনে পড়েছিল।মুক্তিপন পেতে যত দেরি হয় নির্যাতনের মাত্রা ততবেশি বেড়ে যায়।দালালদের নির্যাতন সইতে না পেরে পালাতে গিয়ে ধরা পড়ি থাইল্যান্ড পুলিশের কাছে।এরপরের কাহিনী…….!বন্ধুদের প্রতি অনুরোধ আমার মত যেন কেউ দুঃসপ্ন না দেখ”।
আবছার উদ্দিন টানা দুই বছর হাডুডু খেলার পরেও জয় নিয়ে খেলা শেষ করতে পারেনি পৌছাতে পারেনি স্বপ্নের ঠিকানায়।আর কেউ যেন আবছার উদ্দিনের মত দালালদের কুৎসিত প্রলোভনে পড়ে বিরামহীন হাডুডু খেলতে দুঃসাহস না করে এই অনুরোধ জানান সমাজবিদরা।
আবছার উদ্দিনের বাবা আব্দুল করিম বলেন,মুক্তিপণ দিয়েছি ৭০,০০০হাজার টাকা এতে আমার তেমন দুঃখ নেই কষ্ট পাই তখনই যখন দালালদের উপযুক্ত বিচার না হয়।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com