1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :
শিরোনাম :
টেকনাফে সর্ববৃহৎ ক্রিস্টাল মেথ আইসের চালান জব্দ  সেন্টমার্টিনে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও বিদেশী অস্ত্র উদ্ধার সাবেক এমপি বদির বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ বুধবার থেকে ফের ভার্চুয়ালি চলবে উচ্চ আদালত সেবা নিতে এসে মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন: প্রধানমন্ত্রী ৫০ বছর বয়সীরা পাবেন বুস্টার ডোজ বিশ্বের চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন ও সমিতিগুলির ভার্চুয়াল সভায় বিশ্ব চট্টগ্রাম উৎসব করতে “আন্তর্জাতিক চট্টগ্রাম সমন্বয় কমিটি” গঠিত রামুতে হেডম্যানকে কূপিয়ে হত্যা  ঈদগাঁওতে মাস্ক ব্যবহার ও সামাজিক দুরত্বসহ স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছেনা নারায়ণগঞ্জ সিটিতে আইভীর হ্যাটট্রিক জয়

লাখো মুসল্লির উপস্থিতিতে জুমার নামাজে “আল্লাহ আকবার” ধ্বনিতে মুখরিত কক্সবাজার ইজতেমা ময়দান

  • আপডেট : শুক্রবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৫
  • ৭৮ দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারে তিন দিনব্যাপী ইজতেমার ২য় দিনে জুমার নামাজে লাখো মুসল্লীর সমাগম হয়েছে। এতে ইজতেমার পুরো ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। মুসল্লীদের আনাগোনায় পুরো ইজতেমাস্থল প্রাণচাঞ্চল্য ভরে উঠেছে। এতে জুমার নামাজের ইমামতি করেন চট্টগ্রাম তাবলিক জামাতের শুরা সদস্য মুফতি মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।
এদিকে জুমাবার দুপুরে হঠাৎ বৃষ্টিতে ইজতেমাস্থল ভিজে ও ধমকা হাওয়ায় প্যান্ডেলের বিভিন্ন অংশ ছিড়ে গিয়ে মুসল্লিদের দূর্ভোগে পড়তে হয়েছে। তাছাড়া বৃষ্টির কারণে জুমার নামাজ পড়ার জন্য অধিক আগ্রহী স্থানীয় ও জেলার বিভিন্ন এলাকাতে আগত মুসল্লীরা নামাজে অংশগ্রহণ করতেও পারেনি। অন্যদিকে তীব্র ঠান্ডা হওয়ায় কক্সবাজারের চৌফলন্ডী এলাকার মৃত আব্দুল করিমের ছেলে মো: ইসমাইল (৬২) নামের এক মুসল্লি মারা গেছে ইজতেমাস্থলে।
ইজতেমা বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মুফতি মুর্শেদুল আলম জানান, শুক্রবার গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি ও তীব্র ঠান্ডা হাওয়ায় অনেক মুসল্লির ইজতেমাস্থল ত্যাগ করেছেন। আবার অনেকে বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে ইজতেমায় অবস্থান করেছেন। তাছাড়া তাদের যে একভাই শাহাদাত বরণ করেছেন তিনি শহিদের কাতারে পার হয়েছেন বলে মন্তব্য করেন। আজ দুপুরে আখেরি মোনাজাতের মধ্যে শেষ ইজতেমার সমাপ্তি হবে বলে তিনি জানান।
এবারের ইজতেমায় মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে বয়ান দিচ্ছেন রাজধানী কাকরাইলের তাবলিগ জামাতের মুফতিরা। তিন দিনের ইজতেমায় কক্সবাজার জেলার আট উপজেলা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে তাবলিগে থাকা বিভিন্ন দেশের মানুষ উপস্থিত আছেন। কালেমা, নামাজ, ইমান-আমল, জান্নাত-জাহান্নাম ও তাবলিগের উদ্দেশ্য, মেহনত সম্পর্কে এ ইজতেমায় মুরব্বিরা দাওয়াতের মাধ্যমে ছয় উসুলের মৌলিক বিষয়াদির ওপর বিস্তারিত বয়ান করছেন।
মুফতি মুর্শিদ জানান, ইজতেমা ময়দানে অস্থায়ীভাবে স্থাপন করা হয়েছে ২০০ টয়লেট, ৪০০ প্রসাবের স্থান, ১২টি পানির পাম্প, ৩০টি নলকূপ। আর অনুমতিক্রমে একটি পুকুর ব্যবহার করা হচ্ছে। তাছাড়া ইজতেমায় মুসল্লীদের খেদমত করার জন্য ৫০০ জনকে ৯টি জামাতে ভাগ করা হয়েছে। প্রত্যেক জামাতে প্রায় ৫০ জন করে কাজ করবেন।
এদিকে শান্তিপূর্ণভাবে মিনি ইজতেমা সম্পন্ন করতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ইজতেমাকে ঘিরে পর্যটন শহরকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারিও।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার (ওসি) মো. আসলাম হোসেন জানান, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মুসল্লিরা ইজতেমায় যাতে ইবাদত বন্দেগী করতে পারে সে জন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, ইজতেমায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে ১শ জন অফিসার ও ২শ কনস্টেবল কক্সবাজার রয়েছেন। ঢাকা থেকে আগত পুলিশ ছাড়াও সদর থানা ও পুলিশ লাইনের পুলিশ নিরাপত্তা রক্ষার কাজে মাঠে থাকবেন। পোশাকধারী ছাড়াও সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করবেন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
Site Customized By NewsTech.Com