1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

শহরে অতিষ্ঠ কুকুরের তাণ্ডব : দু-দিনে আহত ১৫

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৫
  • ৪৩ দেখা হয়েছে

ছৈয়দ আলম, কক্সবাজার :
পর্যটন রাজধানী কক্সবাজার শহরে বেওয়ারিশ কুকুরের উৎপাত আশংকাজনকহারে বেড়ে গেছে। পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্র পর্যটন নগরী খ্যাত হোটেল-মোটেল জোনসহ পৌর এলাকার বিভিন্ন অলি-গলিতে কুকুরের উৎপাতে লোকজন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। এতে করে সাধারণ পথচারী ছাড়াও স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীরাও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। আবার অনেক স্থানে পাগলা কুকুরের কামড়ে লোকজন আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে বলে জানা গেছে। গত দু-দিনে শহরের খুরুস্কুল, ছনখোলা এলাকা, রুমালিয়ারছড়া ও পেশকারপাড়া এলাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় অন্তত ১৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
কুকুরের কামড়ে আক্রান্তদের কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের পক্ষ থেকে ভ্যাকসিন দেয়া হলেও কুকুরের উপদ্রব বন্ধে ব্যবস্থা ইতোমধ্যে নেয়া হয়নি পৌরসভার। ফলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে শহরবাসী। সুত্রে জানা গেছে, কক্সবাজার পৌরসভায় কুকুর নিধন অভিযান পরিচালনার নিয়ম ও অর্থ বরাদ্দ ইতিমধ্যে দেযা হয়েছে তবে কবে নাগাদ কুকুর নিধন অভিযান পরিচালিত হবে কেউ বলতে পারছেনা। এছাড়া বছরের ভাদ্র মাস শুরু হওয়ায় পাগলা কুকুরের সংখ্যা অনেক গুনে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিমত একাধিক ব্যক্তিদের।
শহরের ছনখোলা এলাকার হাশেম নামের এক ব্যক্তি জানান, পিএমখালী ছনখোলা এলাকা, খুরুস্কুলসহ কক্সবাজার পৌরসভার রাস্তা-ঘাট ও অলিগলি ছাড়াও যত্রতত্র কুকুরের উপদ্রব আশংকাজনকভাবে বেড়ে গেছে। বাসা বাড়ি ও দোকানপাটসহ ব্যবসা কেন্দ্র সমূহে বেওয়ারিশ কুকুর হানা দিচ্ছে। এতে করে লোকজনের দুর্ভোগ সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি অনেক সময় কুকুরের দল শিশু ও মহিলাদের কাছ থেকে খাদ্যদ্রব্য কেড়ে নিচ্ছে বলে জানান তিনি।
অপরদিকে স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসায় যাতায়াতের পথে কুকুরের দল দেখলে ভয় পাচ্ছে শিশুসহ শিক্ষার্থীরা। অনেক সময় শিশু কিশোর, নারী পুরুষসহ লোকজনের উপর চড়াও হচ্ছে কুকুরের দল। যত্রতত্র কুকুরের উৎপাত বৃদ্ধি পাওয়ায় এক অসহনীয় পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
শহরের বৈদ্যঘোনা এলাকার আরফাত নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা জানান কুকুরের উপদ্রব পথ-ঘাটে সীমাবদ্ধ নয়, বাসা-বাড়ির টিনের চালের উপরে এদের দৌড়াদৌড়ির কারনে রাতে আর ঠিকভাবে ঘুমানো যাচ্ছে না। তাছাড়া কুকুরগুলো কে তাড়াতে গেলে এরা গায়ের দিকে তেড়ে আসে। এরা এখন আর মানুষকে ভয় পায় না, ফলে আমাদের কে কুকুর দেখলে ভয়ে ভয়ে পথ চলতে হয়।
শহরবাসীর অভিমত, অতি শীঘ্রই জেলা প্রশাসন বা পৌরসভা কুকুর নিধন ও ভ্যাকসিন মারার উদ্যোগ না নিলে তাদের অত্যাচার আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে এমনটাই আশংকা করেছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ও ২৫ আগস্ট খুরুস্কুল ও ছনখোলা এলাকায় পাগলা কুকুরের বেপরোয়া কামড়ে আহত হয় জয়নাল, সেলিম, ইমাম হোসাইন, বাসেতের স্ত্রী নুর নাহারসহ ১৫ জন নারী পুরুষ ও শিশু। আক্রান্তরা জানায়, বেওয়ারিশ কুকুরগুলো বেপরোয়া কামড় দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। যেসব কুকুর লোকজনকে আক্রমণ করেছে এসব কুকুরের কোন মালিক পাওয়া যায় না। এ ব্যাপারের জেলা সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক রিপন জানান, গত দু-দিনে আক্রান্ত প্রায় ১৫ জনকে ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে কক্সবাজার পৌর মেয়র সরওয়ার কামালের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, অতীতে কুকুর নিধন মৌসুমে পৌরসভার পক্ষ থেকে কুকুর নিধন অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। কিন্তু এখন সরকারের পক্ষ থেকে কুকুর মারা নিষিদ্ধ করায় পৌর কর্তৃপক্ষ আর আগের মতো কুকুর নিধন করতে পারছে না

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com