1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

শাহপরীর দ্বীপে নাফ নদীর বেড়িবাঁধ সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
  • ১৬ দেখা হয়েছে
?????????????

জাকারিয়া আলফাজ,টেকনাফ :
সাগর-নদী বেষ্টিত বিচ্ছিন্ন জনপদ শাহপরীর দ্বীপে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় জালিয়া পাড়া সংলগ্ন ক্রস ড্যাম নামক নাফ নদীর বেড়িবাঁধের সংস্কারে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে ।ফলে বঙ্গোপসাগরের বেড়িবাঁধের ভাঙ্গন এবং প্রতিনিয়ত জোয়ার-ভাটার বৃ্ত্তে বন্দী শাহপরীর দ্বীপের ৪০ হাজার মানুষের ভাগ্যে নতুন করে অনিশ্চিয়তার দেখা দিয়েছে ।গত জুলাই মাসের শেষ দিকে নোয়াপাড়া বিজিবি ক্যাম্প থেকে শাহপরীর দ্বীপ জালিয়াপাড়া পর্যন্ত নাফ নদীর বেড়িবাঁধের কিছু অংশে ভাঙ্গন দেখা দিলে পানি উন্নয়ন বোর্ড জরুরী ভিত্তিতে বাঁধ সংস্কারে দুইটি প্রকল্প বরাদ্ধ দেয়।এর একটি মাটি দিয়ে অন্যটি বালির বস্তা দিয়ে বাঁধ সংস্কার । এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন ঠিকাদার রমজান আলীর তত্ত্বাবধানে বালির বস্তা দিয়ে বেড়িবাঁধ সংস্কার কাজে অনিয়মের শেষ নেই । সরেজমিনে দেখা যায়, বাঁধের মূল ভাঙন অংশটি এখনো ভাঙ্গা রয়ে গেছে অথচ ঠিকাদার দাবি করছে কাজ সমাপ্তির।এমতাবস্থায় ভাঙা অংশটি এভাবে রয়ে গেলে বঙ্গোপসাগর এবং নাফ নদীর জোয়ারে ভাঙন আরো বিশালাকার ধারণ করবে এবং তাতে এ জনপদের বাসিন্দাদের ভোগান্তি আরো বাড়বে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম জানান, পশ্চিমের বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে রাস্তা-ঘাট বিলীন হয়ে যাওয়ায় বর্ষা ছাড়া অন্যান্য সময়ে শাহপরীর দ্বীপের মানুষের যাতায়তের একমাত্র পথ বেড়িবাঁধ।বেড়িবাঁধের ভাঙ্গন রোধে সরকার টাকা দিচ্ছে কিন্তু ঠিকাদারের গাফলতিতে সংস্কারে অসম্পূর্ণতা রয়ে গেছে। যার ফলশ্রুতিতে ভাঙন আরো মারাত্মক আকার ধারণ করলে জনসাধরণের ভোগান্তি বাড়বে।”
এবিষয়ে ঠিকাদার রমজানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি কাজ সমাপ্তির দাবি করেন।বাঁধের ভাঙ্গা অংশ অপরিবর্তিত রেখে কিভাবে কাজ শেষ করলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন,“ আমি সেখানে কাজ করেছিলাম, কিন্তু জোয়ারের পানিতে সেগুলো আবারও ভেঙ্গে যায়। এখন আমার করার কিছু নেই।
এ বিষয়ে জানতে জেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ সহকারী গিয়াস উদ্দীন জানান, শাহপরীর দ্বীপ নাফ নদীর বেড়িবাঁধের সংস্কারে অনিয়মের ব্যাপারে শুনেছি।দাপ্তরিক কাজে ঢাকায় আসছি। কক্সবাজারে ফিরে দু‘একদিনের মধ্যে শাহপরীর দ্বীপে বাঁধ সংস্কার কাজ সরেজমিনে দেখে কোন ধরনের অনিয়ম বা অসম্পূর্ণতা থাকলে এ ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”
২০১২ সাল থেকে বঙ্গোপসাগরের পশ্চিম অংশের বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে লোকালয়ে পানি ঢুকে  প্রধান সড়কটি বিলীন হয়ে গেলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে শাহপরীর দ্বীপের মানুষ। এর পর থেকে এ এলাকার মানুষের যোগাযোগ হয়ে ওঠে নৌযানে জোয়ার-ভাটা নির্ভর । বর্ষা মৌসুম ছাড়া বাকী শুষ্ক মৌসুমে জনসাধারণ যাতায়তে পূর্ব দিকের বেড়িবাঁধ দিয়ে টেকনাফ আসা-যাওয়া করে থাকে ।কিন্তু বর্তমানে বর্ষা মৌসুম প্রায় শেষ হলেও ঠিকাদারের গাফলতি ও অনিয়মের কারণে ভুতুড়ে সংস্কারে এ পথ দিয়ে যাতায়তে অনিশ্চিয়তা দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসী তাদের যাতায়তের সুবিধার্তে আসন্ন ইদুল আযহার পূর্বে নাফ নদীর বেড়িবাঁধটি চলাচলের উপযোগী করে দেয়ার দাবি জানান।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com