এক্সক্লুসিভকক্সবাজারলীড

শেষ মূহুর্তে জমে উঠেছে ঈদ বাজার

7views

ওয়াহেদ আমির :
ঈদ মানে আনন্দ। ঈদ মানে চাই নতুন জামা কাপড় জুতো। বছরজুড়ে এটা সেটা কিনলেও রমজান এলেই ঈদকে সামনে রেখে শুরু হয় কেনা কাটার উৎসব। ঈদের সময় কেনাকাটার মজাই আলাদা। সেই জন্মের পর থেকেই ঈদে কেনাকাটা চলছে। এ সময় সিয়াম সাধনার পাশাপাশি অন্যরকম আবহাওয়া বিরাজ করে। সারা বছরে বিচ্ছিন্নভাবে হলেও ঈদে ছেলে মেয়ে জামাই নাতী-নাতনী বাবা মা ভাইবোনদের জন্য চলে কেনাকাটা। নিজের জন্য তেমনি কিছু না হলেও অন্যদের নতুন জামা কাপড় দেবার আনন্দ কম নয়। এসময় যেমন বিত্তবানরা তাদের বিলাসী কেনাকাটা করে। আবার মধ্যবিত্ত নিম্নবিত্তরা তাদের চিরচেনা টান পোড়নের সাধ আর সাধ্যের মধ্যে সমন্বয় ঘটিয়ে স্বজনদের মুখে হাসি ফোটাতে প্রানান্তর চেষ্টা চালায়। এবারো ঈদকে সামনে রেখে নিত্য নতুন ডিজাইনের পোশাক নিয়ে নিজেদের সাজিয়ে নিয়েছে কক্সবাজারের মার্কেটের ছোট বড় দোকানগুলো। নিম্ন বিত্তদের ভরসাস্থল হকার্সের ব্যবসায়ীরাও পিছিয়ে নেই জামা কাপড় জুতো স্যান্ডেল নিয়ে।
অন্যদিকে এখন চলছে গ্রীষ্মকাল। স্বাভাবিকভাবেই প্রকৃতিতে তীব্র তাপদাহ কিন্তু এই তাপদাহ বাঁধা হয়নি মার্কেটমূখী মানুষের। গরমের কারণে অসুবিধা হলেও প্রিয়জনের জন্য কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছে কক্সবাজারবাসী। জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা মানুষের উপস্থিতিতে মার্কেট গুলো এখন জমজমাট। ঈদের সময় ঘনিয়ে আসার কারণে মার্কেটগুলোতে বাড়ছে মানুষের ভীড়। তবে রাস্তার জ্যাম ভোগান্তিতে ফেলছে, এমনটা অভিযোগ ঈদের বাজার করতে আসা সাধারণ মানুষের।গরম আর জ্যামে অতিষ্ঠ ঈদের বাজার করতে আসা সাধারণ মানুষ; শহরের মার্কেট গুলো ঘুরে এমন চিত্রই দেখা মিলে।
ঈদের বাজার করতে আসা নতুন বাহারছড়ার বাসিন্দা তুহিন বলেন” আমি গতকাল আম্মু-আব্বু জন্য কিনেছিলাম। আজ আমার নিজের জন্য ভাগ্না-ভাগ্নির জন্য কিনবো তবে মনে হচ্ছে না আজও শেষ হবে।”
সমবায় সুপার মার্কেটসহ অন্যান্য মার্কেট গুলো ঘুরে দেখা যায়, মেয়েদের পোশাকের দোকানে তুলনামূলক ভিড় বেশি। তাদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলেই বলে দিচ্ছেন, ব্যস্ততার কারণে কথা বলার মতো সময় নেই।
নক্ষত্র ফ্যাশনের পরিচালক আবদুর রহিম জানান” গত বছরের চেয়ে এই বছর ব্যবসা মোটামুটি ভালো। গতবছর এই সময় বৃষ্টি হলেও এইবারে তার উল্টো। গরমের মাত্রা বেশী হওয়াতে ক্রেতাদের চোখে ক্লান্তির ছাপ লক্ষ্য করা যায়। তবে কাপড়ের দাম বেশী না হওয়াতে সন্তুষ্ট ক্রেতারা।” বিক্রিও হচ্ছে বেশ ভালো।
ভাল আর মন্দ সব মিলিয়ে বেশ জমজমাট এবারের ঈদ বাজার। জামাকাপড় ছাড়াও পরিবারের প্রধানরা কিনছেন লাচ্ছা সেমাই, চিনি, কিসমিস, বাদাম, দুধ, নুডলস, হরেক রকমের চাল ও মসলা সামগ্রী।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন বলেন-এ পর্যন্ত ঈদ বাজারে কোন ধরনের ঘটনা ঘটেনি। পর্যাপ্ত পুলিশ প্রশাসন রয়েছে মাঠে। যেকোন ঘটনা এড়াতে প্রস্তুত রয়েছে পুলিশ।

Leave a Response