1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

সম্ভাব্য যুদ্ধের মুখোমুখি পাক-ভারত, উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক মোদির

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
  • ১১ দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক;

নয়া দিল্লি: ভারত-শাসিত কাশ্মীরের উরির একটি সেনা-ঘাটিতে একদল বন্দুকধারীর হামলায় ১৮ জন সৈন্য নিহত হবার পর পাকিস্তানে ভারতের সামরিক অভিযানের চাপ বাড়ছে।

ভারত কিভাবে এর জবাব দেবে তা ঠিক করার জন্য দিল্লিতে সিনিয়র মন্ত্রীদের সাথে এক বৈঠক করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ভারত তার প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় বলেছে, পাকিস্তান-ভিত্তিক জয়েশ-এ-মুহম্মদ নামে একটি জঙ্গি গ্রুপ এই হামলা চালিয়েছে।

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং তার প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তানকেও একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র বলে আখ্যায়িত করেন – যদিও পাকিস্তান এ ঘটনায় জড়িত থাকার কথা জোরালোভাবে অস্বীকার করেছে।

ভারত এখন ধরেই নিচ্ছে উরিতে রবিবারের হামলার পেছনে পাকিস্তানের পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিলো।

পাকিস্তানকে একটা সমুচিত শিক্ষা দেওয়ার জন্য ভারতের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও ভারত সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে।

কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সবচেয়ে কড়া মন্তব্যটি ছিলো এরকম – ভারতীয়দের আমি আশ্বস্ত করছি, এই ঘৃণ্য হামলার জন্য দায়ীদের শাস্তি পেতে হবে।

রবিবারের হামলার সম্ভাব্য জবাব কি হতে পারে-তা নিয়ে মোদি আজ তার মন্ত্রীসভার গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, সেনাপ্রধান এবং তার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সাথে বৈঠক করেছেন।

 

রাহুল বেদি লিখছেন, ভারতের নিরাপত্তা নীতির সাথে জড়িতদের একটি অংশ বিশ্বাস করেন, পাকিস্তানকে একটি শিক্ষা দেওয়া, বার্তা দেওয়া জরুরী হয়ে পড়েছে।

এই হামলার পর ভারতে পাকিস্তানবিরোধী তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়েছে, তারা মনে করেন, পাকিস্তানের হাতে পারমাণবিক বোমা থাকলেও স্বল্প মাত্রার ঝটিকা একটি সামরিক অভিযান সম্বব। ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা লে জে বিজয় কাপুর বলেছেন, পাকিস্তানকে এখনই দেখাতে হবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ক্ষমতা কতটা।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালও এই মতবাদের পক্ষে। কিন্তু রাহুল বেদি বলছেন, সেরকম অভিযানের পেছনে ঝুঁকি যে কতো মারাত্মক হতে পারে, তা নিয়ে হয়তো এই তত্ত্বের সমর্থকরা অতোটা ভাবেন না।

 

তাছাড়া, রবিবারের হামলার পর ২৪ ঘণ্টারও বেশি পার হয়ে গেছে। ফলে সে ধরনের ঝটিকা সামরিক অভিযানের সম্ভাবনাও ক্ষীণ হয়ে গেছে।

আমেরিকা এবং অন্যান্য বিশ্ব শক্তি ইতিমধ্যেই এবিষয়ে কথা বলতে শুরু করে দিয়েছে। বিশ্লেষক রাহুল বেদি বলছেন, ভারতীয় সেনাবাহিনীর বর্তমান কম্যান্ডের একাংশ মনে করেন, সরাসরি যুদ্ধে না গিয়ে পাকিস্তানের ভেতরে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর আস্তানায় স্পেশাল ফোর্স দিয়ে হামলা করা সম্ভব।

 

সম্প্রতি মিয়ানমারের ভেতরে নাগা বিদ্রোহীদের দুটো আস্তানায় সেরকম অভিযান চালানো হয়েছে। পাকিস্তানকে রবিবারের হামলার জন্য দোষারোপ করে তাদের শিক্ষা দেওয়ার উপায় নিয়ে যখন ভারতীয়রা যখন ব্যতিব্যস্ত, পাকিস্তান তখন ক্রমাগত হামলার সাথে তাদের কোনো সম্পর্কই নেই দাবি করছে।

 

পাকিস্তানের একজন সরকারি মুখপাত্র বলেছেন, কিছু হলেই প্রথা মাফিক দোষারোপ না করে ভারতের উচিৎ হামলার তদন্ত করা। এছাড়া পাকিস্তান বলছে, এ নিয়ে ভারত কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করলে তারা সমুচিত জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে।

বিবিসি ও হিন্দুস্তান টাইমস অবলম্বনে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com