1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

সাবেক মন্ত্রী মৌলবী ফরিদ আহমদের ৪৬ তম শাহাদত বাষির্কী উদযাপন

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৫
  • ৫০ দেখা হয়েছে

প্রখ্যাত পার্লামেন্টারিয়ান, সাবেক মন্ত্রী ও ইসলামী ব্যক্তিত্ব শহীদ মরহুম মৌলবী ফরিদ আহমদের আজ ৪৬তম শাহাতদ বার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে তাঁর নিজ গ্রাম রামুর রশিদ নগর মাছুয়াখালী আশরাফুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিম খানায় খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে মরহুমের আত্মীয় স্বজন ও গ্রণগ্রাহীরা অংশ গ্রহণ করেন।  মৌলবী ফরিদ আহমদের জীবনে অনেক সফলতা আছে-
মৌলবী ফরিদ আহমদ আরকান মটর ওয়ার্কাস ইউনিয়নের জেনারেল সেক্রেটারি, কক্সবাজার বার এসোসিয়েশনের সেক্রেটারি, কক্সবাজার জুমা মসজিদের সেক্রেটারি, কক্সবাজার ক্রীড়া সমিতির সেক্রেটারি ও অনেক সেবামূলক প্রতিষ্টানের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
ফরিদ আহমদ কক্সবাজার পৌরসভার নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবেও সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ঢাকা বার কাউন্সিলের সহ-সভাপতিও ছিলেন।
মৌলভী ফরিদ আহমদ নামের ক্রীড়ামোদি এই মানুষটি রেডিওর ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্টিত করেছিলেন। আজকের রেডিও ও টিভি ধারাভাষ্যকারদের উত্তরসূরিদের তিনি ছিলেন একজন। তৎকালিন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ খেলার রেডিও ধারাভাষ্য দিতেন কক্সবাজারের আদরের এই ছেলেটি!
ছাত্র রাজনীতি ছেড়ে কলেজের অধ্যাপনা, পরে আইন পেশায় নিয়োজিত হলেও জাতীয় রাজনীতিতেও নিজেকে সক্রিয় রাখেন সমান তালে। ১৯৫২ সালে তিনি তদানিন্তন নেজামে ইসলাম পার্টিতে যোগদান করেন এবং দ্রুত দলটির কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল পদে অধিষ্ঠিত হন।
ভোটের রাজনীতিতেও পিছিয়ে ছিলেন না মৌলভী ফরিদ। তিনি ১৯৫৪ সালে এ.এল.এ, ১৯৫৫ সালে এম.সি.এ এবং তৎকালিন যুক্তফ্রন্টের পার্লামেন্টারি পার্টির চীফ হুইপ নির্বাচিত হন।
তিনি রাজনীতির মাঠে সেই সময়কালের অনেক বাঘা বাঘা রাজনীতিককে পেছনে ফেলে নিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারকে একে একে উন্নতির শিখরে নিয়ে যান। রাজনৈতিক কর্মকান্ডের ধারাবাহিকতায় ১৯৫৭ সালে আই আই চুন্ড্রিগড় মন্ত্রীসভার শ্রম মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান। ১৯৬৪ সালে পূর্ব পাকিস্তানের সম্মিলিত বিরোধী দলের চেয়ারম্যান, পিডিবির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান এবং ১৯৬৯ সালে ৮ দল নিয়ে গঠিত ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কমিটি (উঅঈ) কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এবং পূর্ব পাকিস্তান শাখার আহবায়ক নির্বাচিত হন।
মৌলভী ফরিদ আহমদ আইন পরিষদের সদস্য হিসেবে ইরান সফর করেন। একই সময়ে তিনি লন্ডন ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন কংগ্রেস, নয়াদীল্লিতে অনুষ্টিত আইএলও আঞ্চলিক সম্মেলন, ১৯৬০ সালে রোমে অনুষ্টিত বিশ্ব অলিম্পিক, ১৯৬৩ সালে বেলগ্রেড ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন কংগ্রেস এবং ১৯৬৪ সালে আলজিয়ার্সে আফ্রো-এশিয়ান সলিডারিটি কংগ্রেসে যোগ দেন।
প্রতিটি প্রনিনিধি দলে তিনি ছিলেন নেতার দায়িত্বে। তিনি বেশির ভাগ সময় বিরোধী দলে থেকেও সরকারের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
১৯৭১ সালে ২৩শে ডিসেম্বর তিনি শহী হয়েছিলেন।‘দুস্কৃতিকারী’রা তাঁকে নির্মম ও পৈচাশিক কায়দায় নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করেছিল।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com