1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

সামান্য চোর, মদখোর, গাজাটী থেকে কোটিপতি হ্নীলার বাবুল মেম্বার

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
  • ৭ দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, টেকনাফ।
টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড মেম্বার শামশুল আলম বাবুল ওরফে বাবুল মেম্বার চোর, মদখোর গাজাটি থেকে কোটিপতি বনে বর্তমানে আলিশান গাড়ী বাড়ী ও জমি-জমার মালিক। তার টাকার এত জোর যে, বর্তমানে বিজিবি সহ বিভিন্ন প্রশাসন তার কথায় উঠবস করে। যে ৩ বছর আগেও একজন প্রসিদ্ধ চোর, মদখোর হ্নীলা পুরাতন বাজারস্থ মগ পাড়া ও চৌধুরী পাড়া রাখাইন পল্লীতে বাংলা মদ খেয়ে মাতলামী করতে করতে রাস্তায় ঢলে পড়ত; পথচারীরা কোন রকম রিক্সায় উঠিয়ে দিয়ে বাড়ি পৌছে দিত সে সময় বাবুল মেম্বার ফুলের ডেইল নাটমুরা পাড়া ঘাট দিয়ে আদম পাচার করত। আর এ আদম পাচারের সব টাকা খরচ করত মদ পানে। সে বাবুল বর্তমানে মেম্বার। জনপদের একজন আতংকিত ব্যক্তি। তার কথায় স্বয়ং প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা পর্যন্ত উঠবস করে। তা না হলে কি করে একজন নিরীহ ব্যক্তিকে বিনা ওয়ারেন্টে ধরে বিজিবির মাধ্যমে থানায় সোর্পদ করে! এবং থানার মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করে। তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়Ñ নিজের অপকর্ম ঢাকাতে বাবুল মেম্বার বর্তমানে প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের সাথে হাত করে ২২ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৯টায় হ্নীলা নাটমুরা পাড়া এলাকায় বড় পুকুর পাড়ে বসাবস্থা থেকে বিজিবির মাধ্যমে শওকত আলীর পুত্র এমদাদ উল্লাহ (১৮) ও কামাল হোছনের পুত্র হামিদ হোছন (১৭) কে তুলে নিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। পরে বিজিবি কোন মামলা না দিলেও পুলিশ বাবুল মেম্বারের সাথে যোগাসাজশে মোটা অংকের টাকায় এমদাদ উল্লাহ একজন রিক্সা চালকে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের গত ২০ আগষ্ট তারিখের একটি ফরওয়ার্ডিং মামলায় ঢুকিয়ে দিয়ে হয়রানীমূলকভাবে আদালতে সোপর্দ করে। অপরজন কামাল হোছনের পুত্র হামিদ হোছনের কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয় বলে অভিযোগ উঠে। এভাবে এক সময়ে যার ‘নুন আনতে পান্তা পুরাই’ বর্তমানে ইয়াবার টাকায় স¤্রাজ্যের মালিক। কার কত টাকা হলে প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা উঠবস করে। আর এত টাকার পাহাড় কিভাবে হঠাৎ করে বাবুল মেম্বার করল তার কি ‘আলাদীনের চেরাগ’ আছে? এই প্রশ্ন এখন সবার মুখে মুখে। সম্প্রতি যে বাবুল মেম্বার গত এক বছর আগে গাঁজা সহ পুলিশের হাতে আটক হয়। সে বাবুল মেম্বারের ইয়াবার টাকার গরমে নিরীহ লোকজন হয়রানীর শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তার এত খুঁটির জোর কোথায়? সেটা এলাকাবাসী দেখতে চাই। এ দিকে একজন নিরীহ লোককে বিজিবির মাধ্যমে পুলিশে দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপন কামনা করেছেন এলাকাবাসী। #####

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com