1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

সিরাজের ফাঁসি, আকরামের আমৃত্যু কারাদণ্ড

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০১৫
  • ১৩ দেখা হয়েছে

কক্সবাজার আলো ডেস্ক :
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বাগেরহাটের রাজাকার কমান্ডার শেখ সিরাজুল ইসলাম ওরফে সিরাজ মাস্টারকে ফাঁসি ও খান আকরাম হোসেনকে আমৃত্যু কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। হত্যা-গণহত্যা, আটক, অপহরণ, নির্যাতন এবং শতাধিক বাড়ি-ঘরে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের সাতটি অভিযোগের মধ্যে ৬টিই প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরকে এ দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।  মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) এ রায় ঘোষণা করেন চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও বিচারপতি আনোয়ারুল হকের সমন্বয়ে ৩ সদস্যের ট্রাইব্যুনাল।  গত ২৩ জুন মামলার কার্যক্রম শেষে তা রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। এ ছাড়া একই সঙ্গে অপর আসামি আবদুল লতিফ তালুকদার গত ২৭ জুলাই মারা যাওয়ায় তাঁর মামলার কার্যক্রমও সমাপ্ত ঘোষণা করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
এর আগে রাষ্ট্রপক্ষে তদন্ত কর্মকর্তাসহ ৩২ জন এবং আসামিপক্ষে পাঁচজন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।  গত বছরের ৫ নভেম্বর তাঁদের বিরুদ্ধে গণহত্যা, হত্যা, ধর্মান্তরিতকরণসহ মোট সাতটি অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। এর মধ্যে একটি গ্রামেই ৫০০ থেকে ৬০০ জনকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে।
এঁদের মধ্যে সিরাজ মাস্টার বাগেরহাটের রাজাকারের ডেপুটি কমান্ডার ছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।  এ মামলার আরেক আসামি আবদুল লতিফ তালুকদার গত ২৭ জুলাই মারা যাওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে রায় না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
এঁদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাগেরহাটে হত্যা, গণহত্যা, লুণ্ঠনসহ মোট সাতটি অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন।
২০০৯ সালে নিমাই চন্দ্র দাস নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি বাদী হয়ে এই তিনজনসহ ২০ থেকে ৩০ জনের বিরুদ্ধে বাগেরহাটের আদালতে একটি মামলা করেন।  বাগেরহাটের আদালত এই মামলা ট্রাইব্যুনালে পাঠিয়ে দেন। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ট্রাইব্যুনালের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করে তদন্ত সংস্থা।  ২০১৪ সালের ১০ জুন তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে কচুয়া থানা পুলিশ গত ১১ জুন লতিফ তালুকদারকে (পরে তাঁর মৃত্যু হয়) গ্রেপ্তার করে। এর পর ১৯ জুন খান আকরাম হোসেনকে রাজশাহী থেকে গ্রেপ্তার করা হন।  আর ২০ জুলাই সিরাজ মাস্টারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।  ২০১৪ সালের ৫ নভেম্বর অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই তিন আসামির যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হয়।  ২০১৪ সালের ২ ডিসেম্বর থেকে ২০১৫ সালের ২৯ মার্চ পর্যন্ত তিন আসামির বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিনসহ ৩২ জন রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষ্য দেন। এর পর আসামিপক্ষে পাঁচজন সাফাই সাক্ষ্য দেন।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com