1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

সীমান্তের অরক্ষিত ৭০০ কিলোমিটারে বিওপি হবে

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০১৫
  • ১২ দেখা হয়েছে

কক্সবাজার আলো ডেস্ক :
সীমান্তে রিং রোড শিগগিরই না হলেও সীমান্তের অরক্ষিত ৭০০ কিলোমিটারে বর্ডার আউট পোস্ট (বিওপি) করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক সম্মেলনের প্রথম দিন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্য-অধিবেশন শেষে এ কথা জানান তিনি। চোরাচালান ও সীমান্তের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে ভারতের সীমান্তে রিং রোর্ডের মতো বাংলাদেশ সীমান্তে রিং রোর্ড করার প্রস্তাব করেন বেশ কয়েকজন জেলা প্রশাসক। তাদের এ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, সীমান্তে রিং রোড এই মুহূর্তে না হলেও সীমান্তে ৭০০ কিলোমিটারে যেখানে বিওপি নেই সেখানে বিওপি করা হবে। বিওপি করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এরইমধ্যে আমরা বিওপি স্থাপনের কাজ শুরু করে দিয়েছি।
ডিসিদের প্রস্তাবের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের কারাগারগুলো এখনও নাজুক ও জরাজীর্ণ। আর নির্মাণ কাজেও ধীরগতি। আমরা এগুলোর বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি।
ক্ষমতা বাড়ছে কোস্টগার্ডের, আসছে বড় জাহাজ
কোস্টগার্ডের সক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা এরইমধ্যে কোস্টগার্ডের ক্ষমতা বাড়াতে ব্যবস্থা নিয়েছি। ইতালী থেকে চারটি বড় জাহাজ আসছে। দুই টা ছয় মাসের মধ্যে এবং আর দুইটা এক বছরের মধ্যে আসবে।
উপকুলীয় অঞ্চলে কোস্টগার্ড নৌ-দস্যুতা রোধে ব্যবস্থা নিতে তারা প্রস্তাব দেয়। আমরা এটা করছি। আমরা এ লক্ষ্যে নৌ পুলিশ ব্যবস্থা করেছি।
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভাল রাখায় পুলিশ ভ্যান, প্রিজনার ভ্যান  চেয়েছেন। আমার ব্যবস্থা নিচ্ছি। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ তা ডিসিরা বলেননি।
মোবাইল কোর্ট আইন সংশোধন এবং আরো পরিমার্জন করে জাতীয় সংসদে উত্থাপনের ব্যবস্থা করছি। গত ২৩ জুন মোবাইল কোর্টে আইন সংশোধন খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা।
আইনটির কলেবর বৃদ্ধি ও আরও পরিমার্জনের কথাও জানান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী। মন্ত্রী আরো জানান, মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরে জনবল বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনা
প্রতি জেলায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি এবং সন্ত্রাস বিরোধী শান্তি কমিটি রয়েছে। এই দুই কমিটি নিয়মিত মিটিং করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং রাজনের মতো হত্যাকাণ্ড নিরুৎসাহিত করার নির্দেশনা দিয়েছি। মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে পারলে রাজনের মতো হত্যাকাণ্ড ঘটবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com