1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

সুন্দরবনে রাডার বসাচ্ছে ভারত

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
  • ১১ দেখা হয়েছে

সমুদ্রপথ দিয়ে ভারতে সন্ত্রাসবাদীরা ঢুকে নাশকতা চালাতে পারে বলে আশংকা করছে ভারতের নিরাপত্তা বাহিনীগুলো। তাদের আশংকা, সুন্দরবন হয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করতে পারে জঙ্গিরা। তেমনটা যাতে না ঘটে সেজন্য সুন্দরবনে রাডার বসানোর পরিকল্পনা করছে নয়াদিল্লি। সোমবার আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়েই হোক বা সাগর পাড়ি দিয়ে, স্থলপথে-জলপথে ভারতে জঙ্গি অনুপ্রবেশ নতুন নয়। বিশেষত ২৬/১১-র অভিজ্ঞতা মনে রেখে নানা সময়েই নানা রাজ্যকে সতর্ক করা হয়েছে। সেই সূত্রেই তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠছে আরবসাগর-বঙ্গোপসাগরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বিচ্ছিন্ন ভারতীয় দ্বীপগুলোর নিরাপত্তার প্রশ্ন। তার মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ ও ভারতজুড়ে বিস্তৃত সুন্দরবন। আনন্দবাজার জানায়, সম্প্রতি সুন্দরবনসহ ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে আলাদা মোট ১৩৮২টি দ্বীপের সুরক্ষা সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ। এগুলোর অধিকাংশে মানুষের বসবাস নেই। নিরাপত্তা সে রকম পোক্ত নয়। গোয়েন্দাদের আশংকা ভারতের মাটিতে নাশকতার লক্ষ্য নিয়ে পূর্ব, পশ্চিম ও দক্ষিণ উপকূলের এই দ্বীপ-রুট ধরে জঙ্গিরা সহজেই ঢুকে পড়তে পারে।

এরকম আশংকার কথা মাথায় রেখে নয়াদিল্লি বিচ্ছিন্ন দ্বীপের সুরক্ষা মজবুত করতে নৌ-বাহিনী, উপকূলরক্ষী বাহিনী (কোস্ট গার্ড) ও সংশ্লিষ্ট রাজ্যসরকার মিলে একগুচ্ছ পরিকল্পনা নিয়েছে, যা বাস্তবায়নের ভিত্তি হবে মূলত প্রযুক্তি। যেমন- বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাডার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিরন্তর নজরদারিই এখানে একমাত্র পথ। আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে কোস্ট গার্ড যেভাবে নজরদারি চালায়, এ ক্ষেত্রে তাকে ‘মডেল’ করার প্রাথমিক একটা ভাবনাও মজুদ।

জানা যাচ্ছে, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংক্রান্ত আলোচনার জন্য মাস তিনেক আগে সব রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব ও পুলিশ প্রধানদের ডেকেছিলেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। উপকূলের বিপদ বোঝাতে গিয়ে কার্যত অরক্ষিত ওই ১৩৮২টি দ্বীপের প্রসঙ্গ সেখানেই ওঠে। রাজ্যের প্রতিনিধিদের হুশিয়ার করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যেকোনোভাবে অরক্ষিত দ্বীপে সুরক্ষা-জাল (স্ট্র্যাটেজিক অ্যাসেট) বসাতে হবে।’ সূত্র জানায়, পূর্ব উপকূলে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ সবচেয়ে বেশি সুন্দরবনে। অধিকাংশে জনবসতি নেই। এ ব্যাপারে রাজ্যসরকারও চিন্তিত। রাজনাথের বৈঠকের সূত্র ধরে পশ্চিমবঙ্গের উপকূল-সুরক্ষা খতিয়ে দেখতে গত সপ্তাহে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন মুখ্যসচিব বাসুদেব বন্দ্যোপাধ্যায়। নৌবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় সদর ‘আইএনএস নেতাজি সুভাষ’-এ অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে নৌবাহিনী, উপকূলরক্ষী বাহিনী, রাজ্য পুলিশ ও বিভিন্ন ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির কর্তারা ছিলেন। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের উপকূল ও বসতিহীন দ্বীপের পরিস্থিতি তারা খুঁটিয়ে পর্যালোচনা করেছেন। পর্যালোচনার সময়ে নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের তরফে বিবিধ আশংকা প্রকাশ করা হয়েছে। গভীর সমুদ্রগামী মাছ ধরা ট্রলার নিয়েই উদ্বেগটা বেশি।

উৎসঃ   যুগান্তর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com