1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :

সেন্টমার্টিনে টর্নেডোয় বিধস্ত এলাকায় ত্রানের জন্য হাহাকার

  • আপডেটের সময় : রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০১৫
  • ১০ দেখা হয়েছে

আবদুল মালেক, সেন্টমার্টিন :
প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে টর্নডোর আঘাতে আবারো বাড়িঘর বিধস্ত ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। গাচ-পালা ভেঙ্গে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিহয়েছে। জানা যায়, ২৫ শে জুলাই শনিবার হঠাৎ সন্ধা ৭টায় ২০ মিনিট টর্নডোর প্রবল বাতাস ও ভারী বর্ষনে সেন্টমাটিন দক্ষিণ পাড়ার ৯নং ওয়ার্ডের ১২টি বাড়িঘর ভেঙ্গে বিলীন হয়ে গেছে।
দক্ষিণ পাড়ার অলবনিয়া নামক এলাকায় কেয়াবন ও বিভিন্ন প্রকার গাছ ভেঙ্গে চলাচলের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে।
টর্নেডোর আঘাতে, মোঃ রফিক (৩৫) পিংমৃত এজাহার মিয়া,কবির আহমদ(৬৩) মৃত মোজাহের মিয়া,মোঃরফিক(৩৬) পিতা রশিদ আহমদ,আঃ হামিদ(৪২) পিতা মৃত আব্দু রশিদ,আব্দুল গনি(৩৯)  পিতা মৃত ফজল আহমদেরর বাড়ি ঘর ভেঙ্গে নিস্বঃ হয়ে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন।
এছাড়া, রুকুমুন্নিচা (১০০) স্বামী মৃত আঃ রশিদ, মোঃ নুর বশর (৩৯)  পিতা হাজি  শুক্কুর, রুহুল আমিন(৬০)  মৃত লোকমান হাকিম,নুরুল ইসলাম(৩২) পিতা কবির আহমদ,আব্দু শাকুর (৩০) পিতা রুহুল আমিন,নুর আন্কাচ(৫০)স্বামীআবু বক্কর ছিদ্দিক, মোহাং তৈয়ুব (২৮) পিতা কালা মিয়াসহ পরিবার গুলো আংশিক বিধ্বস্ত হয়ে কোন রকম দিন পার রছে।
ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, টর্নডোতে আমাদের সব শেষ। খোলা আকাশের নিচে আমাদেরকে থাকতে হচ্ছে। সরকারসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।
বর্ষায় বার বার টর্নেডোর আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কষ্টের শেষ নেই। এমনকি টাকার অভাবে ঘর মেরামত করবেতো দুরের কথা অনাহারে প্রহর গুনছে অনেকে।  গত ২৬শে জুন ও ২৫ শে জুলাইয়ের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত দ্বীপবাসী। এখনো পর্ষন্ত তাদের জন্য সাহায্য বা ত্রান মিলেনি।
সেন্টমাটিন দ্বীপের বাসিন্দা তাহের বাংলার চোখকে জানান, গত ২৬ শে জুনের টর্নোডেতে আমার ঘরটি ভেঙে মাটির সাথে মিশে গেছে। এতে আমার লক্ষ্য লক্ষ্য টাকার ক্ষতি হয়েছে। সেখান থেকে এখনও সেরে উঠতে পারেনি। এরকমের অনেকেই টর্নেডোর আঘাতে ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে।
বার বার টর্নেডো ও বঙ্গোপসাগরের ঢেউয়ের আঘাতে চরম ঝুঁকিতে সেন্টমাটিন ও দ্বীপবাসী। তাই সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
৯ নং ওয়ার্ড মেম্বার আঃ রব জানান, হঠাৎ টর্নেডোরের আঘাতে বিধস্ত পরিবার গুলোকে উদ্বার করে নিরাপদে আশ্রয় দিয়েছি। সেন্টমার্টিনের প্যানেল চেয়ারম্যন-১ আব্দুর রহমান জানান, টর্নেডোর আঘাতে আবারো ১২টি বিধস্ত পরিবারের মধ্য ৫টি পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে। এবং অসংখ্য ফলাদি গাছ নষ্ট হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। গত ২৬শে জুনের টর্নেডোর আঘাতের চিহ্ন না যেতে আবারো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পথে দ্বীপ বাসী। টর্নেডোর ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য এখনো সাহায্য মিলেনি। ইসলামি ব্যাংক টেকনাফ শাখার অধীনে কিছু এান দিলেও যা দ্বীপের জন্য অপ্রতুল।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দক্ষিণ পাড়ার অলবনিয়া ও মোতাবনিয়া নামক এলাকায় অসংখ্য গাছ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।
উল্লেখ্য, সেন্টমাটিনে গত ২৬ জুনের টর্নেডোর আঘাতে নির্মম ভাবে গাছের চাপা পড়ে মা ছেলে নিহত এবং ৪ শতাধিক পরিবারে আহাজারির আওয়াজ শেষ না হওয়ার পুর্বে ২য় বারের মত টর্নডোর আঘাতে দ্বীপবাসী বিধস্ত। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে কেউ এগিয়ে না আসায় এখনো খোলা আকাশের দিন কাটাচ্ছে অনেক পরিবার।
এক দিকে বঙ্গোপসাগরের জোয়ারের আঘাত ও অন্যদিকে টর্নেডোর আঘাতে বার বার চুর্নবিচুর্ন অরক্ষিত দ্বীপ। পানির নিচে তলিয়ে গেছে শতাধিক পরিবার। আবহাওয়া প্রতিকুলতার কারনে টেকনাফ থেকে মালামালের বোট না আসায় খাদ্য সংকটেও দ্বীপ বাসী।২য় বার টর্নেডোরের আঘাত দ্বীপ বাসির জন্য মরার উপর খাড়ার ঘা। তাই দ্বীপ বাসির সহায়তায় সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন সচেতন মহল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com