1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের চাহিদা মেটাতে টেকনাফ থেকে আসছে ডাব

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৫
  • ৯০ দেখা হয়েছে

আব্দুল মালেক, সেন্টমার্টিন :
নারিকেল জাজিরা থেকে জিনজিরা। জাজিরা আরবি শব্দ থেকে উৎপত্তি। ১৯১০-১১ সাল নাগাত ভ্রমণে আসা “বৃটিশ বিজ্ঞানী হীরাম সেন্ট” তার নাম অনুসারে নাম করণ করেন নারিকেল জিনজিরা থেকে সেন্টমার্টিন আইল্যান্ড। দেশের প্রখ্যাত লেখক, সাহিত্যিক ড.হুমায়ন আহমেদ ২০০৪ সালে সেন্টমার্টিন দ্বীপকে দারুচিনির দ্বীপ হিসেবে আরেক নতুন নাম করণ করেন। সবমিলিয়ে মানুষের তথা দেশের প্রিয় সেই পুরোনো নাম নারিকেল জিনজিনা। কারণ এই দ্বীপের ঐতিহ্য একটি ডাবে প্রায় পাঁচ গ্লাস পানি হয় এবং পানি খুবি সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর। আদি কাল থেকে মানুষ সেন্টমার্টিন দ্বীপকে নারিকেল জিনজিরা নামে চিনে আসছে। চারিদিকে নারিকেল গাছে ভরা এই দ্বীপ। একসময় মানুষ এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়িতে বেড়াতে গেলে ডাব দিয়ে আপ্যায়ন করা হতো যা আজকাল কম দেখা যাচ্ছে। আবার অনেকেই বলতো সেন্টমার্টিন দ্বীপটি ডাব উৎপাদনের খনি।
সেন্টমার্টিনে প্রতি বছর প্রায় পাঁচ লক্ষাদিক ভ্রমণ পিপাসু পর্যটক ভ্রমণে আসেন। অক্টোবরের শুরুতে মার্চের শেষ পর্যন্ত এই ছয় মাসে দেশি বিদেশী পর্যটকের আগমন হয়। প্রতি বছরের মতই যেমনটি দেখা যায়, ডিসেম্বর মাসের শুরুতে সেন্টমার্টিন দ্বীপের সব ডাব গাছ ডাব বিহীন হয়ে পড়েছে। ফলে পর্যটকদের চাহিদা মেটাতে টেকনাফ, শাহ্পরীর দ্বীপ থেকে সেন্টমার্টিনে ডাব আনছে।
সেন্টমার্টিন উত্তর সী বীচ পাড়ে হোটেল সী-প্রবালের সামনে ডাব বিক্রেতা হুসেন আলী বলেন, আমরা আগে একটি ডাব ৮ থেকে ১০ টাকা বিক্রি করতাম কিন্তু এখন ৫০থেকে ৬০ টাকা বিক্রি করছি। কারণ টেকনাফ ও শাহ্পরীর দ্বীপ থেকে ডাব এনে বিক্রি করতে হচ্ছে।
সেন্টমার্টিন জনকল্যান মূলক সংগঠন সেন্টমার্টিন আদর্শ সংসদের সভাপতি সাংবাদিক হেলাল উদ্দিন বলেন, আমাদের দ্বীপের ঐতিহ্য ডাব, এবং সেই ডাবের চাহিদা আগেও ছিল দিনদিন আরো বাড়ছে। পর্যটকদের যে পরিমাণ চাহিদা আমরা তা পুর্ণ করতে সক্ষম হচ্ছিনা কারণ আগের সেই পনিমাণ নারিকেল গাছ দ্বীপে নেই। আমরা গত মাসেও সেন্টমার্টিন দ্বীপে “গাছ লাগান দ্বীপ বাঁচান ” শিরোনামে একটি রেলি করছিলাম এবং গ্রামে গ্রামে নারিকেল গাছ রোপন করেছি। সকল দ্বীপবাসী যদি সচেতন হয় তবে দ্বীপের এতিহ্য রক্ষা হবে।
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, দীর্ঘ ২০ বছর আগে এই ১২ বর্গকিলোমিটার ছোট্র দ্বীপে নারিকেল গাছের সংখ্যা ছিল ৪০ হাজারের উপরে। আর বর্তমানে ১০ হাজারের কম এমনটায় যানা যায় তথ্যক্রমে। যে পরিমাণ নারিকেল গাছ ছিল সেন্টমার্টিন দ্বীপে, তা ক্রমে কমে যাচ্ছে। অনেকেই বাড়ি নির্মাণে, ব্যাবসায়িক দোকান তৈরিতে এবং ইত্যাদি কাজে নারিকেল গাছ কেটে ব্যাবহার করছে। আবার মাঝে মাঝে প্রাকৃতিক ঘূর্নিঝড়, তীব্র বাতাসের আঘাতে ভেঙ্গে যায় নাজারো নারিকেল গাছ। গত ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর ঘূর্নিঝড় কোমেনের আঘাতে সেন্টমার্টিনে প্রায় পাঁচ’শ উপরে গাছ ভেঙ্গে যায়।
দ্বীপের গ্রামে গ্রামে ঘুরে দেখা যায়, যে পরিমান নারিকেল গাছ নিধন করা হয় এবং ভেঙ্গে পড়ে সেই তুলনাই ২% ও নারিকেল গাছ রোপণ করা  হচ্ছেনা।

এই বিভাগের আরও খবর

  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com