1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের বিচারিক কার্যক্রম নিয়ে অসন্তুষ্ট জনতা

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০১৫
  • ৪০ দেখা হয়েছে

আব্দুল মালেক, সেন্টমার্টিন :
বাংলাদেশের সর্ব-দক্ষিণে টেকনাফ থানার অন্তর্গত বঙ্গোপসাগরের মাঝখানে ভ্রমণ পিপাসুদের অন্যতম নিদর্শন প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন।স্বাধীনতার পরে টেকনাফ সাবরাং ইউনিয়নের সাথে যুক্ত ছিল এই অঞ্চল।দ্বীপের মানুষের নানা অসুবিধার কারণে ১৯৮২সাল নাগাদ বাংলাদেশ সরকার সেন্টমার্টিন দ্বীপকে পূর্ণ ইউনিয়ন পরিষদের মর্যাদা দেন।যেসব সুবিধা পাওয়ার আশায় জিনজিরা নামক দ্বীপকে ইউনিয়ন ঘোষণা করা হয় সেসব সুবিধা থেকে বঞ্চিত দ্বীপের সাধারণ জনতা।
অভিযোগ রয়েছে প্রতিনিধিদের কোন বিশেষ কাজ ছাড়া ইউনিয়ন পরিষদ খোলা থাকেনা।
ইউনিয়ন পরিষদে তথ্য-সেবা কেন্দ্র ও গ্রাম আদালত নামে একটি করে শাখা রয়েছে।বাস্তবে এইসব শাখার কোন কার্যক্রম দেখা যায়না।
জানা যায়,দ্বীপের প্রতিনিধিদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাপ্তাহিক একদিন প্রতি বৃহস্পতিবার ইউনিয়ন পরিষদ খোলা থাকার কথা থাকলেও মাসের পর মাস অপেক্ষা করে সেই কাক্ষিত বারটি কেউ দেখতে পাইনা।
রেসম/বিজিএফ কার্ড বিতরনেও প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে তুমুল স্বজনপ্রীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
দ্বীপের প্রবীণ মুরব্বী দক্ষিণ পাড়ার আলি বলেন “আগামী নির্বাচনে আমি তিনজনকে ভোট দেব, প্রথম-জন পুলিশ ফাঁড়ির এস আই,দ্বিতীয়-জন কোস্টগার্ডের কন্টিনজেন্ট, তৃতীয়-জন নৌবাহিনীর কন্টিনজেন্টক”।
কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন যেকোন বিচার নিয়ে যখন কোস্টগার্ড -পুলিশের ধারে যেতে হয় তাহলে চেয়ারম্যান -মেম্বারকে ভোট দিয়ে লাভ কি!
“টাকা দিয়ে ভোট নিয়েছি কাউকে পরোয়া করা প্রয়োজন মনে করিনা”
এরকম অযৌক্তিক বাক্যাংশ ব্যবহার করে বলে প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সংবাদদাতা হেলাল উদ্দিন বলেন- নির্বাচনের সময় এই ছোট্ট ইউনিয়নে একজন প্রতিনিধি অনেক অর্থ ব্যয় করে।এক শ্রেনির ভোটার রয়েছে যারা নির্বাচন আসলে টাকার জন্য বসে থাকে।যার কারণে এলাকার সাধারণ মানুষ বিচার বঞ্চিত।আগামীতে এধরনের নেক্কারজনক কাজ যাতে না-হয় সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মৌলানা আবুল হোসাইনের মতে, অসহায় দ্বীপবাসীর ন্যায্য অধিকার আদায়ে সৎ, যোগ্য ও সুশিক্ষিত নেতৃত্বের কোন বিকল্প নেই।
ইউনিয়ন প্যানেল চেয়ারম্যান-১ মো: আব্দুর রাহমানকে এব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন,কিছুদিন চেয়ারম্যান দ্বীপের বাইরে থাকায় এবং আমিও ত্রাণের কাজে বাহিরে থাকায় ইউনিয়ন পরিষদের বিচার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়েছিল আশা করি ভবিষ্যতে সব ঠিক হয়ে যাবে।
এছাড়া তিনি বাকি অভিযোগগুলা অস্বীকার করেন।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com