1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

হোটেল ব্যবসায়ীদের কঠিন সময় যাচ্ছে

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১১ আগস্ট, ২০২১
  • ২০৬ দেখা হয়েছে

ছৈয়দ আলম, কক্সবাজার আলো :
দীর্ঘদিন লকডাউন থাকায় পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের পর্যটনশিল্পের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছেন পর্যটন এলাকার হোটেল ব্যবসায়ীদের। গত চার মাসে তাদের অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার হোটেল-মোটেল ওনার্স এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক আবুল কাসেম সিকদার।
প্রতিবছর ঈদ-পরবর্তী সময়ে যেখানে পর্যটকদের ভিড় থাকলেও গত দুই ঈদে করোনা রোধে লকডাউনের কারণে বন্ধ ছিল সব ধরনের পর্যটনকেন্দ্র। ফলে পর্যটন-সংশ্লিষ্টরা প্রতিনিয়ত গুনছেন লোকসান।
কক্সবাজারের কলাতলি, হিমছড়ি, ইনানী, ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু সাফারীপার্ক, মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির, রামু ও টেকনাফের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো পর্যটকে ঠাসা থাকলেও বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কারণে পর্যটনকেন্দ্র গুলোয় এখন সুনসান নীবরতা বিরাজ করছে।
কলাতলি গ্র্যান্ড স্যান্ডি হোটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুর রহমান বলেন, করোনার কারণে গত বছর পাঁচ মাস বন্ধ ছিল রিসোর্ট। এ বছরও চার মাস বন্ধ। গত বছরের ক্ষতি পুষিয়ে ওঠার সুযোগ না পেতেই আবার চলতি লকডাউনে আমাদের ক্ষতি পাহাড় সমান। ক্ষতি পোষাতে না পেরে কর্মচারীদের ছাঁটাই করে দিয়েছি। কীভাবে এসব ক্ষতি পোষাবো, ভেবে আমরা শঙ্কিত।
এ জেলার পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে অন্তত ৩০ হাজার শ্রমিক জড়িত। আবার এখানে পরিবহনের সঙ্গে জড়িত হাজার হাজার শ্রমিক। করোনা পরিস্থিতিতে কাজ বন্ধ থাকায় অনেকেই পেশা বদল করলেও তেমন আয় করতে পারছেন না তারা। অনেকে কোনো কাজ না পেয়ে বেকার সময় পার করছেন, আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কষ্টে আছেন তারা। এদিকে বিনিয়োগ করা পুঁজি হারিয়ে অনেকে প্রায় নি:স্ব। নতুন কোনো খাতে বিনিয়োগ করার মতো সামর্থ্যও তাদের নেই।
গত বছরও করোনার কারণে পর্যটন ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এবছর টানা লকডাউনের কারণে ক্ষতির পরিমাণ আরো বেড়েছে। হোটেল-রিসোর্ট বন্ধ থাকলেও সম্পদ ও সরঞ্জাম নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করতে হচ্ছে। এতে স্টাফদের নিয়মিত বেতন-ভাতা দিতে হচ্ছে।
কক্সবাজার হোটেল মোটেল অফিসার্স এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক কলিম উল্লাহ কলিম জানান, হোটেল ব্যবসা নির্ভর কক্সবাজারে আজ ২৫ হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছে। এভাবে তো চলতে পারে না। তিনি হোটেল মোটেল ও সমুদ্র সৈকত স্বাস্থবিধি মেনে খুলে দেয়ার দাবী জানান।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো: মামুনুর রশিদ জানান, করোনায় একের পর এক লকডাউনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পর্যটন শিল্প। এই শিল্পের সাথে জড়িত হোটেল-মোটেল গেষ্ট হাউসের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা কর্ম হারিয়ে কষ্টে দিনাতিপাত করছে। তাই দুর্দিনে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। কক্সবাজারের সন্তান স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় তাদের জন্য ৪০ লক্ষ টাকা প্রধানমন্ত্রী বিশেষ অনুদান দিয়েছেন। কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে এই বিশেষ অনুদান বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এই বিভাগের আরও খবর
  • ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ‌্য মন্ত্রণালয়ে আবেদিত ।
Site Customized By NewsTech.Com