1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
শিরোনাম :
“প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতায় বিশ্বমানের পর্যটন নগরী হবে কক্সবাজার”: সচিব হেলালুদ্দীন ধর্ষণের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, আইনের খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন শহরের পূজা মন্ডপগুলোতে দর্শনার্থী ও পূজারিদের ভিড় অশুভ শক্তির বিনাশই দুর্গোৎসবের বৈশিষ্ট্য-জেলা প্রশাসক প্রেসিডেন্টস কাপে চ্যাম্পিয়ন মাহমুদউল্লাহ একাদশ ঈদগাঁওতে এবার সীমিত পরিসরে শারদীয় দূর্গাৎসব উদযাপিত সরাসরি ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে চবি’তে শিক্ষার্থী ভর্তির সিদ্ধান্ত সেন্টমার্টিনে আটকেপড়া চার শতাধিক পর্যটক ফিরলেন রোহিঙ্গাদের ফেরাতে গ্রিসের সহযোগিতা চাইলেন রাষ্ট্রদূত আন্দাজে ব্যাট ঘোরায় না গেইল : টেন্ডুলকার

হ্যাটট্রিকের পথে সৈয়দ আশরাফ

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
  • ৭ দেখা হয়েছে

আগামী জাতীয় সম্মেলনের মধ্য দিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেতে চলেছেন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। দল এবং দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি একনিষ্ঠ আনুগত্য-কিন ইমেজ এবং সততার কারণে এবারও স্বপদে আশরাফকেই চাচ্ছেন দলের বেশিরভাগ নেতাকর্মী। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এমনটি চান বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

আগামী ২২ ও ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের ২০তম ত্রিবার্ষিক জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সম্মেলনকে সামনে রেখে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে দলের মধ্যে নানা হিসাব-নিকাশ চলছে। আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদে নতুন কারা আসছেন, কমিটিতে যারা রয়েছেন তারা পদোন্নতি পাচ্ছেন না দল থেকে ছাঁটাই হচ্ছেনÑ এসব নিয়েই এখন চলছে নানা আলোচনা ও গুঞ্জন। উৎসুক পদপ্রত্যাশীদের ভিড় বেড়েছে ধানম-ির আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে। তবে সম্মেলনকে ঘিরে এমন উৎসাহ-উদ্দীপনা থাকলেও আগের মতোই থাকছে শীর্ষ দুই পদ। দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে কোনো পরিবর্তন যে আসছে না তা অনেকটাই নিশ্চিত।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার ৬ বছর পর ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। সেই থেকে গত ৩৫ বছর ধরে একটানা ৭ বার দলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এবারের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে টানা ৮ বারের মতো দলের হাল ধরতে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বড় কোনো কিছু না ঘটলে আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় প্রধান পদে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের থাকার সম্ভাবনা প্রায় শতভাগ। যদিও ভেতরে ভেতের এই পদের জন্য চেষ্টা-তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন বর্তমান কমিটির সভাপতিম-লীর সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ, ওবায়দুল কাদেরসহ কয়েকজন। তবে সম্প্রতি রাজধানীর একটি অনুষ্ঠানে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি আওয়ামী লীগের কোনো পদে প্রার্থী নয়। এ ধরনের সংবাদে আমি বিব্রত হই। তবে সেতুমন্ত্রীর এ বক্তব্যকেও এক ধরনের ‘ভ-ামি’ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের বেশ কয়েক নেতাকর্মী।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক পদে বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামই দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার পছন্দের ব্যক্তি। বঙ্গবন্ধুর অপর কন্যা শেখ রেহানার আস্থাভাজন হিসেবেও সৈয়দ আশরাফের পরিচিতি রয়েছে দলে। সর্বশেষ ১/১১ এর সরকারের সময়ে আওয়ামী লীগের অনেক জ্যেষ্ঠ নেতা যখন কারাবন্দি শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করার চেষ্টা চালিয়েছিলেন, দলের সেই দুঃসময়ে শেখ হাসিনার পাশে একনিষ্ঠভাবে ছিলেন সৈয়দ আশরাফ। এরপর ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের তা-বের দিন সন্ধ্যায় সৈয়দ আশরাফের বক্তব্যকে এখনো বিভিন্ন সময় উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন আওয়ামী লীগের নেতারা। শুধু তাই নয়, সর্বশেষ দশম সংসদ নির্বাচনের আগে জাতিসংঘের বিশেষ দূত অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকো আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিরিজ বৈঠক করেন। ‘নির্বাচনের ফর্মুলা’ নিয়ে আয়োজিত ওই বৈঠকগুলোয় আশরাফের কূটনৈতিক দক্ষতার প্রশংসাও করেন অনেকে। আওয়ামী লীগের অনেকেই এমনটি দাবি করে থাকেন, সৈয়দ আশরাফের কথাবার্তার তোড়ে বিএনপির প্রতিনিধিরা ওই বৈঠকগুলোয় তাদের দাবিদাওয়া ঠিকমতো তুলতেই পারেননি। এসব নানাবিধ কারণে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও তৃণমূলের নেতাকর্মীরাও তাকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পছন্দ করেন।

গত জুলাই মাসে আওয়ামী লীগের সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ হওয়ার পর বিভিন্ন মাধ্যমে সৈয়দ আশরাফ তার ঘনিষ্ঠদের জানিয়েছিলেন, তিনি আর সাধারণ সম্পাদক পদে থাকতে চান না। তিনি চান, নতুন কেউ এই পদে আসুক। এরপর থেকে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতারাই সাধারণ সম্পাদক হওয়ার জন্য ভেতরে ভেতরে তৎপর হয়ে ওঠেন। তবে সর্বশেষ খবর নিয়ে জানা গেছে, দলের সভাপতির আগ্রহ ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের পছন্দের কথা বিবেচনায় রেখে সাধারণ সম্পাদক পদে আরেক মেয়াদে থাকার ব্যাপারে সম্মতি দিয়েছেন সৈয়দ আশরাফ।

আওয়ামী লীগের নেতারা আরও জানান, সৈয়দ আশরাফের বিরোধী পক্ষের নেতারা দলের নেতাকর্মীদের কাছে বিভিন্ন কুৎসা রটিয়েছে বিভিন্ন সময়। সেগুলো হলো : ‘আশরাফ সারা রাত আড্ডা মারে, সারা দিন ঘুমায় ’, ‘দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে দেখা করে নাÑ ফোন ধরে না’। কিন্তু আশরাফের ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, প্রতিদিনই সকালে নিয়মিত ঘুম থেকে উঠে তিনি কম্পিউটার রুমে বসেন। বাংলাদেশসহ বিশ্বের কোথায় কী ঘটছে জানার চেষ্টা করেনÑ ইন্টারনেটে পত্রপত্রিকা পড়েন, বিশ্ব রাজনীতির সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানেন। ওই নেতাদের কথার প্রতিফলন দেখা যায়, আশরাফের বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তব্যে। আশরাফ ঘনিষ্ঠরা আরও জানান, দলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অন্যায় আবদার করেছেন সৈয়দ আশরাফের কাছে। মূলত তদবিরের আবদার এড়ানোর জন্যই তিনি নেতাকর্মীদের তেমন একটা পাত্তা দেন না।

আওয়ামী লীগের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা আমাদের সময়কে বলেন, টানা দুবারের সাধারণ সম্পাদক হলেও সবসময়ই পর্দার আড়ালেই থেকেছেন সৈয়দ আশরাফ। নিজেকে কখনো ‘ফোকাস’-এ আনতে চাননি। সব সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছেন। এমনকি তিনি তার তিনজন ডেপুটি, দলের তিন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদককেও রাজনীতি করারÑ নেতৃত্ব দেওয়ার যথেষ্ট সুযোগ করে দিয়েছেন। উদাহরণ হিসেবে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় এক নেতা বলেন, সৈয়দ আশরাফের আগে প্রয়াত আব্দুল জলিল যখন দলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, সভাপতি শেখ হাসিনার পর তিনিই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতেন। কাউকেই কোনো ‘স্পেইস’ (রাজনীতি করার সুযোগ) দিতেন না। যে কারণে বর্তমান কমিটির সম্পাদকম-লীর অধিকাংশ সদস্যই আশরাফকে আবারও সাধারণ সম্পাদক পদে চান।

উৎসঃ   আমাদের সময়

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com