1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

১২নং ওয়ার্ডে অবিরাম ছুটে চলছেন ভোটারের দ্বারে দ্বারে কাজী মোস্তাক আহামদ শামীম

  • আপডেট : সোমবার, ২২ নভেম্বর, ২০২১
  • ৯১ দেখা হয়েছে

আমিনুল কবির, কক্সবাজার আলো :
কক্সবাজার পৌরসভার ১২নং ওয়ার্ডের উপ-নির্বাচন একেবারে দোরগোড়ায়। আর মাত্র ৫দিন পরই অনুষ্ঠিত হবে এ নির্বাচনের ব্যালট যুদ্ধ। এর মধ্যে প্রচারণার সুযোগ থাকছে ৪ দিন। প্রচারণার সময় একেবারে শেষ প্রান্তে বলাচলে। তাই প্রার্থীরা শেষ সময়ে অবিরাম ছুটে চলছেন ভোটারের দ্বারে দ্বারে।
১২নং ওয়ার্ডের প্রত্যেক মহল্লা ও ঘরে ঘরে ছুটে চলছেন প্রয়াত কাউন্সিলর কাজী মোরশেদ আহম্মদ বাবুর বড় ভাই কাউন্সিলর প্রার্থী কাজী মোস্তাক আহামদ শামীম।
ভোটাররা বলছেন, ১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের উপ-নির্বাচনে জনগনের জরিপে এগিয়ে রয়েছেন ‘পাঞ্জাবী’ মার্কা নিয়ে প্রয়াত কাউন্সিলর কাজী মোরশেদ আহমেদ বাবুর বড় ভাই ও জেলা আওয়ামীলীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক কাজী মোস্তাক আহামদ শামীম।
তিনি ন্যায়বিচার, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন, দুর্নীতি প্রতিরোধকারী স্লোগানে নিরলস পরিশ্রম করে গণসংযোগ ও জনগণের সাথে দেখা এবং নানা কর্মসূচির মাধ্যমে মাঠ চষে ভোটারদের মন জয় করে নিয়েছেন। তিনি দিন-রাত বিরামহীন ভাবে ওয়ার্ডের হাট-বাজার ও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন।
কাউন্সিলর প্রার্থী কাজী মোস্তাক আহামদ শামীমের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, এই ওয়ার্ডের অবহেলিত মানুষের সুখ-দুঃখের সাথে মিশে এলাকার উন্নয়নমূলক সকল কর্মকান্ড ও মানুষের পাশে থেকে সেবামূলক কাজ করতে চাই।
তিনি আরো জানান, আমার ছোট ভাই প্রয়াত কাউন্সিলর কাজী মোরশেদ আহম্মদ বাবুর অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করার জন্য আগামী ২৮ নভেম্বর মুরব্বি, মা-বোন ও যুবকদের কাছ থেকে আমার ‘পাঞ্জাবী’ মার্কা একটি ভোট চাই।
সরেজমিনে দেখা যায়-কাজী মোস্তাক আহমেদ শামীমের পোস্টার ও ব্যানারে ঢেকে গেছে ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা। সেই সাথে প্রতিনিয়ত ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় গনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন তার কর্মী ও সমর্থকরা।
প্রচারণাকালে ভোটারদের আশ্বস্থ করে শামীম বলেন, আমি নেতা বা ঘুমিয়ে থাকার কাউন্সিলর হতে আপনাদের সামনে আসিনি। আসছি আমার মরহুম ছোট ভাইয়ের অসামাপ্ত কাজ শেষ করতে। আমি আপনাদের সেবক হতে চাই।
তিনি আরো বলেন, কাউন্সিলর বড় নয়, সেবক হিসেবে কাজ করে অপরিকল্পিত ১২নং ওয়ার্ডকে একটি ‘পরিকল্পিত পর্যটন ওয়ার্ড’ রূপান্তরের চ্যালেঞ্জ নিতেই লড়াইয়ে নেমেছি।
তিনি বলেন, আপনারা দেখেছেন, আমার ভাই কাউন্সিলর হওয়ার পর অনেক দৃশ্যমান উন্নয়ন করেছে। করোনাকালীন প্রায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ভাইয়ের মৃত্যুর পর আমিও সবসময় জনগণের পাশে রয়েছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
Site Customized By NewsTech.Com