1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০১৫
  • ৭০ দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ সরকার মানব পাচার নির্মূলের জন্য ন্যূনতম মানদণ্ড পূর্ণাঙ্গভাবে মেনে চলে না। তবে এ লক্ষ্যে দেশটি উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ২০১২ মানব পাচার প্রতিহতকরণ ও দমন আইন (প্রিভেনশন অ্যান্ড সাপ্রেশন অব হিউম্যান ট্র্যাফিকিং অ্যাক্ট-পিএসএইচটিএ)-এর নিয়মকানুন বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ সরকার প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু তা চূড়ান্ত করেনি। মানব পাচারবিষয়ক মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। ‘ট্র্যাফিকিং ইন পারসনস রিপোর্ট, জুলাই ২০১৫’ শীর্ষক রিপোর্টটিতে বাংলাদেশ সহ বিশ্বের ১৮৮ দেশের মানবপাচার সংক্রান্ত পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে দেশগুলোকে চারটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো টায়ার-১, টায়ার-২, টায়ার- ২ ওয়াচলিস্ট এবং টায়ার-৩। এতে বাংলাদেশের অবস্থান টায়ার-২ বা ২য় স্তরে। যেসব দেশ ট্র্যাফিকিং ভিকটিমস প্রোটেকশন অ্যাক্ট (টিভিপিএ)-এর ন্যূনতম মানদণ্ড পুরোপুরি মেনে চলে তাদেরকে রাখা হয়েছে প্রথম স্তরে। এ তালিকায় রয়েছে ৩১টি দেশ। ২য় স্তরে রয়েছে যেসব দেশ তারা পুরোপুরি টিভিপিএ’র ন্যূনতম মানদণ্ড মেনে চলে না কিন্তু সে লক্ষ্যে উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ স্তরে বাংলাদেশ সহ মোট ৮৯ দেশ রয়েছে। ২য় স্তরের ওয়াচ লিস্ট বা পর্যবেক্ষণ তালিকায় রাখা হয়েছে ৪৪টি দেশকে, যেসব দেশ মানবপাচার প্রতিরোধে রাষ্ট্রীয় প্রচেষ্টার তথ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং যেসব দেশে মানবপাচারের শিকার মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর ৩য় স্তরের রাষ্ট্রগুলো ন্যূনতম মানদণ্ড মেনে চলে না এবং এ জন্য তাদের কোন প্রচেষ্টাও নেই। এছাড়া, বিশেষ ক্ষেত্র হিসেবে রাখা হয়েছে সোমালিয়াকে। ৩৮৪ পৃষ্ঠার ওই প্রতিবেদনে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে আরও বলা হয়, পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষামূলক সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার ঘাটতি রয়েছে। কর্তৃপক্ষ মানবপাচারের শিকার ২৬২১ জনকে উদ্ধার করেছে এবং তাদের সরকার পরিচালিত নয়টি আশ্রয় ক্ষেত্রে রেখেছে। সরকার বহুমুখী ৯টি আশ্রয়কেন্দ্রের জন্য অর্থায়ন অব্যাহত রেখেছে। সরকার সৌদি আরবের সঙ্গে শ্রমিক পাঠানোর চুক্তি করেছে। এ চুক্তির অধীনে নিয়োগদাতাকে নিয়োগ ব্যয়ের নির্দিষ্ট কিছু অংশ বহন করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও নিয়োগ সংক্রান্ত আইনি ফি অত্যধিক বেশিই রয়েছে। বাংলাদেশের জন্য সুপারিশ অনুচ্ছেদে, পিএসএইচটিএ বাস্তবায়ন আইনগুলো চূড়ান্ত করে তা অবলম্বন করার কথা বলা হয়েছে। একইসঙ্গে আইনটি বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, অনুমোদিত শ্রমিক নিয়োগদাতাদের যাবতীয় নিয়োগ ফি বাতিল করা, যথাযথ প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে শ্রমিক পাচারের অপরাধ সংক্রান্ত ফৌজদারি ব্যবস্থা এবং দণ্ড বৃদ্ধি, মানবপাচারের শিকার ব্যক্তিদের সহায়তায় বাংলাদেশে এবং বহির্বিশ্বে বাংলাদেশী দূতাবাসে সেবা বৃদ্ধি, পিএসএইচটিএ ব্যবহার করে প্রতারক শ্রমিক নিয়োগদাতাদের বিচার, বিদেশে যাওয়ার আগে দেয়া প্রশিক্ষণগুলো মান উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে। এসব প্রশিক্ষণের মধ্যে শ্রম অধিকার, শ্রম আইন এবং গন্তব্য রাষ্ট্র ও বাংলাদেশে ন্যায়বিচার পাবার উপায় ও সহায়তার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া, ২০০০ সালের জাতিসংঘ টিআইপি প্রটোকলে (মানবপাচার প্রতিরোধ, দমনবিষয়ক প্রটোকল) সম্মতি দেয়ার সুপারিশ করা হয়।
‘প্রসিকিউশন’ অনুচ্ছেদে বলা হয়, সরকার মানবপাচারবিরোধী আইন প্রয়োগের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। সরকার পিএসএইচটিএ’র নিয়মকানুন বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে কিন্তু এখনও তা চূড়ান্ত করেনি। কিছু এনজিও জানিয়েছে, পিএসএইচটিএ ধারাগুলো জেলা ও স্থানীয় কর্মকর্তা পর্যায়ে ব্যাপক প্রচারণা হয় নি।  সরকার পুলিশ ট্রেনিং অ্যাকাডেমিতে মানবপাচার বিরোধী কিছু প্রশিক্ষণ দিয়েছে। সরকার ২০১৪ সালে দেহব্যবসার জন্য পাচারের ১৪৬টি মামলা এবং জোরপূর্বক শ্রমের ১২টি মামলা তদন্ত করেছে। আগের বছরে এ সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৮৪ ও ২। ২০১৪ সালে বিচার হয়েছে মোট ৪৪৯টি পাচারবিষয়ক মামলার। আগের বছরে যা ছিল ২১৫। এসব মামলা ২০১২ পিএসএইচটিএ’র অধীনে বিচার করা হয়েছে। ২০১৪ সালে দণ্ড হয়েছে ১৫ পাচারকারীর। আগের বছর তা ছিল ১৪। ২০১৪ সালে দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আদালত যাবজ্জীবন দিয়েছে ১২ জনকে। এছাড়া, ২ জনকে ১০ বছর ও একজনকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। কর্মকর্তাদের জড়িত থাকার অভিযোগ এখনও বিদ্যমান একটি সমস্যা। এক রিপোর্ট অনুযায়ী রাজনীতিবিদ, পুলিশ ও বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের উভয় দিকের সীমান্তরক্ষী বাহিনীগুলো পাচারকারীদের গ্রেপ্তার এড়াতে সহায়তা করেছে বলে অভিযোগ করা হয়।
‘প্রোটেকশন’ বা সুরক্ষা অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, মানবপাচারের শিকার ভুক্তভোগীদের রক্ষায় খুব কমই করেছে সরকার। সরকার ২০১৪ সালে ২৬২১ ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করার কথা জানিয়েছে। ২০১৩ সালের সরকার ১০৯০ জনকে উদ্ধারের কথা জানিয়েছিল। সে হিসাবে সংখ্যাটা বেড়েছে। ২০১৪ সালে উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ২২১৮ জন পুরুষ, ২২৭ জন নারী ও ১৭৬ জন শিশু। সরকার উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগীদের জন্য কোন আনুষ্ঠানিক কর্মপন্থা এখন পর্যন্ত নির্ধারণ করেনি। এর ফলে ২৬২১ জন উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগীর মধ্যে মাত্র ৯ জন সরকার পরিচালিত আশ্রয়কেন্দ্রে স্থান পেয়েছেন। মানবপাচারের শিকার হওয়া মানুষদের জন্য কোন বিশেষায়িত সেবা প্রদান করেনি সরকার। তবে ঝুঁকিপূর্ণ মানুষদের জন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় পরিচালিত নয়টি বহুমুখী আশ্রয়কেন্দ্র, ড্রপ-ইন সেন্টার, সেফ হোমে ভুক্তভোগীরা সেবা নিতে পারতেন। এনজিওগুলো এ ধরনের ভুক্তভোগীদের আশ্রয় ও সেবা প্রদান করেছে। পুলিশ অনেক সময় পূর্ব-পরিকল্পনা ব্যতীত (অ্যাডহকের ভিত্তিতে) ভুক্তভোগীদের এসব আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠিয়েছে। তবে রিয়াদে সৌদি দূতাবাসে একটি আশ্রয়কেন্দ্র পরিচালনা করছে সরকার। এছাড়া, জেদ্দা কনস্যুলেটে অত্যাচারী নিয়োগদাতার হাত থেকে পালিয়ে আসা নারী শ্রমিকদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে। মানবপাচারের শিকার হওয়া শ্রমিকদের পরিপূর্ণভাবে সহায়তা করার জন্য গন্তব্য-রাষ্ট্রে পর্যাপ্ত সুবিধাদি কর্মকর্তাদের নেই। শ্রম ও নিয়োগ নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ দায়ের করে সরকারের সালিশি চাইতে পারে বাংলাদেশী অভিবাসী শ্রমিকরা। কিন্তু এর ফলে নামমাত্র প্রতিদান পান তারা। এছাড়া, সেখানে রিক্রুটমেন্ট এজেন্সিগুলোর প্রতারণার বিষয়ে কোন পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়া হয় না। বিভিন্ন এনজিও জানিয়েছে, খুব স্বল্প সুরক্ষার ফলে সামগ্রিকভাবে তদন্ত ও বিচারের সংখ্যাও কম। তবে বাংলাদেশ ও ভারতের সরকার শিশুপাচারের ভুক্তভোগীদের উদ্ধার ও প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়া সমন্বয় করেছে। এর ফলে যে দেশে কষ্ট ও শাস্তির মুখোমুখি হতে পারে বিদেশী শ্রমিকরা, সে দেশে প্রত্যাবর্তনের পরিবর্তে আইনি বিকল্প বাছাইয়ের কোন সুযোগ থাকে না। মানবপাচারের শিকার অনথিভুক্ত রোহিঙ্গা শরণার্থীরা নথিপত্রের অভাবে গণহারে আটকের ঝুঁকিতে রয়েছে।
‘প্রিভেনশন’ বা প্রতিহতকরণ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সরকার মানবপাচার রোধে সীমিত প্রচেষ্টা চালিয়েছে। নিয়োগ সংক্রান্ত আইনি ফি অত্যধিক বেশি নির্ধারণ করতে বায়রাকে সুযোগ দেয়া অব্যাহত রেখেছে সরকার। এছাড়া, বায়রার লাইসেন্স ও সনদ প্রদান চর্চায় বিদেশে বাংলাদেশী শ্রমিকদের ঋণ বন্দিদশার সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত পর্যবেক্ষণ করেনি সরকার। এ বছর ফেব্রুয়ারিতে সৌদি আরব সরকারের সঙ্গে শ্রম রপ্তানি চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ সরকার। এতে বলা হয়, নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠান বিমান ভাড়া, মেডিক্যাল পরীক্ষাসহ অভিবাসন ব্যয় বহন করবে। তবে সরকার সর্বোচ্চ খরচের অঙ্ক নির্ধারণ করেনি বা প্রসেসিং ফি বাতিল করেনি যা অভিবাসীদের ওপর বর্তায়। দেশের বাইরে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতে যাওয়া বাংলাদেশী নারীদের জন্য বাংলাদেশ ছেড়ে যাওয়ার আগে ২১ দিনে একটি প্রশিক্ষণের বাধ্যবাধকতা অব্যাহত রেখেছে সরকার। এ প্রশিক্ষণে কাজের বাস্তবিক দক্ষতা বৃদ্ধি সহ মানবপাচার নিয়ে সচেতনতা ও আত্ম-সুরক্ষাবিষয়ক মডিউল অন্তর্ভুক্ত ছিল। সরকার ২০১৫-২০১৭ জাতীয় কর্মপরিকল্পনার খসড়া তৈরি করলেও তা চূড়ান্ত করেনি। সরকার মানবপাচারবিরোধী প্রচারণায় অর্থায়ন করে নি। সেনা সদস্যদের দেশের বাইরে শান্তিরক্ষী মিশনে পাঠানোর আগে সরকার মানবপাচার শনাক্ত ও প্রতিহত করা নিয়ে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। দেহব্যবসা বা জোরপূর্বক শ্রম কমানোর ক্ষেত্রে সরকার প্রচেষ্টা দেখায় নি। প্রতিবেদনে বাংলাদেশ অংশের শেষে উল্লেখ করা হয় বাংলাদেশ ২০০০ সালের জাতিসংঘ টিআইপি প্রটোকলের স্বাক্ষরকারী দেশ নয়।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ মূলত জোরপূর্বক শ্রম ও দেহ ব্যবসার জন্য পাচারের শিকার নারী-পুরুষ ও শিশুদের একটি উৎস রাষ্ট্র। তবে দেশটি এ ধরনের মানবপাচারের ক্ষেত্রে ছোট পরিসরের একটি ট্রানজিট ও গন্তব্য রাষ্ট্রও। মধ্যপ্রাচ্য, পূর্ব আফ্রিকা, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছায় অভিবাসী হওয়া কিছু বাংলাদেশী নারী-পুরুষ এমন সব পরিস্থিতির মুখোমুখি হন, যা জোরপূর্বক শ্রমের ইঙ্গিত দেয়। দেশত্যাগের আগে অনেক অভিবাসী শ্রমিক বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) আওতাধীন বৈধ রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি বা লাইসেন্সবিহীন দালালদের ফি পরিশোধের জন্য ঋণ গ্রহণ করে। এর ফলে অনেকে ঋণের জালে আবদ্ধ হয়ে যায়। অনেক রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি ও দালালরা নিয়োগ প্রতারণা করে থাকে। এর মধ্যে চুক্তি পরিবর্তন উল্লেখযোগ্য। যেমন, যাবার আগে ওই শ্রমিককে এক ধরনের বেতন, চাকরি ও পরিবেশের প্রতিশ্রুতি দেয় এজেন্সি বা দালাল। কিন্তু গন্তব্য রাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর চাকরি, নিয়োগদাতা, কর্ম পরিবেশ ও বেতন পরিবর্তিত হয়ে যায়। যেসব নারীরা গৃহকর্মী হিসেবে অভিবাসী হন, তারা বিশেষভাবে নির্যাতনের ঝুঁকিতে থাকেন। অনেক নারী-শিশু ভারত ও পাকিস্তানে ব্যবসায়িক যৌন শোষণ ও জোরপূর্বক শ্রমদানের শিকার হন। কিছু এনজিও অভিযোগ করেছে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের উভয় পাশের কর্মকর্তারা বিভিন্ন সময় পাচারকারীদের কাজ করার সুযোগ করে দেয়।
দেশের মধ্যেই কিছু শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি দেহ ব্যবসার জন্য পাচার, গৃহদাসত্ব, জোরপূর্বক ও এককালীন অর্থগ্রহণপূর্বক শ্রমের শিকার হন। এককালীন অর্থগ্রহণপূর্বক শ্রমদানের বেলায় পাচারকারীদের কাছ থেকে শ্রমিকরা এককালীন কিছু অর্থ গ্রহণ করেন। সে অর্থের বিনিময়ে শ্রম দিতে হয় ওই শ্রমিকদের। রাস্তার শিশুদের অনেক সময় অপরাধ ও জোরপূর্বক ভিক্ষাবৃত্তিতে যুক্ত করা হয়। ভিক্ষাবৃত্তি চক্রের হোতারা অনেক সময় আয় বাড়ানোর জন্য শিশুদের অঙ্গহানি করে। কিছু ঘটনায় দেখা গেছে, অর্থের বিনিময়ে শিশুদের বিক্রি করে দেয় পিতা-মাতা। আবার অনেককে প্রতারণা, প্রলুব্ধকরণ ও শারীরিক নিগ্রহের মাধ্যমে শ্রমদানে বা পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়। ঋণ দাসত্বের বিষয়ে একজন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞের মতে, বাংলাদেশী অনেক পরিবার ও ভারতীয় অভিবাসী শ্রমিকরা বাংলাদেশের কিছু ইটভাটায় এ ধরনের এককালীন অর্থের বিনিময়ে শ্রমদানে লিপ্ত। অনেক ইটভাটার মালিক এককালীন অর্থের বিনিময়ে শ্রমদানে আসা নারীদের পতিতাবৃত্তিতে যুক্ত করে। অনেক পরিবার আবার চিংড়ি খামারে এ ধরনের এককালীন অর্থের বিনিময়ে কাজ করে। বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গারা পাচারের শিকার হবার বিশেষ ঝুঁকিতে রয়েছেন।

এই বিভাগের আরও খবর
  • © ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম
Site Customized By NewsTech.Com