1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

আতংকিত ‘ছিনতাই’ শব্দটি ঈদ এলে যেন আরো ভয়াবহ রূপ ধারণ করে

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০১৫
  • ১৩৫ দেখা হয়েছে

এস এম আরোজ ফারুক :
‘ছিনতাই’ শব্দটি আতংকিত হলেও প্রতি ঈদেই এ যেন সাভাবিক বিষয়ে পরিনত হয়। প্রতি ঈদেই কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন স্থানে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটছে। আর এসব ঘটনায় আহতও হচ্ছেন অনেকে। এতে করে আতংকিত ‘ছিনতাই’ শব্দটি ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে।
পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে শহরের অর্ধশত স্পটে সক্রিয় হয়ে উঠেছে অপরাধীরা। ছিনতাই, চাঁদাবাজী, খুনসহ বিভিন্ন মামলার সাজা প্রাপ্ত সন্ত্রাসীদের নাম ভাংগিয়ে এখনো অপরাধ কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে শীর্ষ সন্ত্রসীদের সহযোগীরা। তাছাড়া বহু মামলার পলাতক আসামী, জেল ফেরত আসামী, সাজাপ্রাপ্ত আসামী ও প্রশাসনের তালিকাভুক্ত অপরাধীরা একাধীক ছিনতাইকারী গ্রুপ করে সক্রিয় সদস্যে পরিনত হচ্ছে। ওসব অপরাধীরা কোলাহলহীন স্পট গুলোতে সুযোগ বুঝে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সর্বস্ব লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে সেসব অপরাধীদের হাতে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে অনেকেই। তবে ওই ছিনতাইকারী চক্র গুলোতে রাজনৈতিক দলগুলোর বিভিন্ন নেতা-কর্মীদের সম্প্রীক্ত থাকার কারণে পুলিশ প্রশাসনের কাছ থেকে ভূক্তভোগীরা সুষ্ট বিচার পাচ্ছেনা বলে অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি ওসব জনশূণ্য পয়েন্ট গুলোতে প্রশাসনের তেমন নজরধারী না থাকায় অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে বলেও জানাগেছে। বিশেষ করে শহরের হলিডের মোড়স্থ এসএ পরিবহণকে কেন্দ্র করে একটি, বালিকা মাদ্রাসা পয়েন্টে ও ডায়বেটিকস পয়েন্টে সক্রিয় ভাবে প্রকাশ্যে ছিনতাইসহ নানা অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে প্রায় সমসই।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শহরতলীর লিংক রোড়, বাস টার্মিনাল, বিড়িআর ক্যাম্প, বাইপাস সড়ক, দক্ষিণ আদর্শ গ্রাম, সৈকত পাড়া, শুকনা ছড়ি, ঝরঝরি কুয়া এলাকা, শহরের লাইট হাউস, সুগন্ধা পয়েন্ট, সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সামনে, জাম্বুর মোড়, বাদশাহ ঘোনা, ফাতেহ ঘোনা, সার্কিট হাউস রোড, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে, স্টেড়িয়াম সড়ক, সদর হাসপাতালের আশপাশের এলাকা, হলিড়ের মোড় ও এস এ পরিবহণ কেন্দ্রীক সক্রিয় একটি গ্রুপ, ডায়বেটিকস পয়েন্ট, বালিকা মাদ্রাসা পয়েন্ট, হোটেল সী-গার্ল পয়েন্ট, শহরের ইডেন গার্ডেনের আশপাশ এলাকা, হাসপাতাল সড়ক, বড় বাজারস্থ পেশকার পাড়া ব্রীজ, এন্ডারসন রোড়, সী-সাইড হাসপাতালের সম্মূখস্থ ব্রীজ পার্শ্ববর্তী এলাকা, বার্মিজ মার্কেট, বৌদ্ধ মন্দির সড়ক, বইল্যা পাড়া কবরস্থান রোড়, বৈদ্যর ঘোনা, খাঁজা মঞ্জিল, ঘোনার পাড়া, পাহাড়তলী ও পার্শ্ববর্তী টেকনাইফ্যা পাহাড়, টেকপাড়া মসজিদ রোড় ও চৌমহনী, খুরুশকুল নতুন রাস্তা, দক্ষিণ রুমালিয়ার ছড়া, আলীর জাঁহাল গরুর হালদা, গোদার পাড়া, এবিসি ঘোনা, এসএম পাড়া সড়কসহ অন্তত অর্ধশত স্পটে প্রতিনিয়ত ছিনতাই ও ডাকাতীর মতো ঘটনা ঘটছে। ওসব অপরাধীরা তাদের অপকর্মে লাইসেন্সবিহীন মোটর সাইকেল ব্যবহার করে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে। ওসব পয়েন্টে কোন কোন স্থানে ভ্রাম্যমান পুলিশ সদস্য থাকলেও তাদের অনেকে ওসব অপরাধীদের কর্মকান্ডের বিষয় গুলো এড়িয়ে যান বলেও অনেক ভূক্তভোগীর অভিযোগ।
এদিকে গতকাল দুপুরে শহরের সাহিত্যিকাপল্লী এলাকা থেকে তিন লক্ষ টাকা ছিনতাই হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ ব্যাপারে সদর মডেল থানায় জানতে চাইলে থানা কর্তৃপক্ষের কাথে কোন তথ্য নেই বলে জানানো হয়।
একটি সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন মামলার সাজা প্রাপ্ত সন্ত্রাসীদের নাম ভাংগিয়ে অপরাধ কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে শীর্ষ সন্ত্রসীদের সহযোগীরা। শহরের শীর্ষ সন্ত্রাসী দক্ষিণ রুমালিয়ারছড়ার চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকার মোঃ রকি, তার সহযোগী জাহাঙ্গির, এবিসিঘোনা এলাকার রফিক, সমিতি বাজার এলাকার হাসনাত তারা বর্তমানে বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে জেল হাজতে রয়েছে। অথচ তাদের নামে এখনো চলছে ছিনতাই ও চাঁদাবাজী। সূত্রটি আরো জানায়, দক্ষিণ রুমালিয়ারছড়ার এবিসিঘোনা এলাকার আবু সৈয়দের পুত্র শফিউল আলম, দিল মোহাম্মদের পুত্র মোঃ ইসমাইল, দারোয়ান ফরিদের পুত্র আলমগির, আবুল কালাম, জাহেদ, আলাউদ্দিন, আবু, বকতিয়ারের পুত্র সজিব, মান্নরা জেলে থাকা সন্ত্রসীদের নামে চাঁদাবাজী করে যাচ্ছে।
সূত্রমতে, এসব ছিনতাইকারীরা দক্ষিণ রুমালিয়ার ছড়া, চেয়ারম্যানঘাটা, বাচামিয়ার ঘোনা, এবিসি ঘোনা, সমিতি বাজার, সাহিত্যিকাপল্লী, খাঁজা মঞ্জিল, ঘোনার পাড়া, পাহাড়তলী, পার্শ্ববর্তী টেকনাইফ্যা পাহাড়, খুরুশকুল নতুন রাস্তা, আলীর জাঁহাল, গরুর হালদা, গোদার পাড়া, এসএম পাড়া বিডিএর ক্যাম্প, হাসেমিয়া মাদ্রাসা এলাকাগুলোতে গ্রুপ করে জেলে থাকা সন্ত্রাসীদের নামে ছিনতাই করে।
তাছাড়া বাহারছড়া এলাকার কিছু ছিনতাইকারী ঈদকে টার্গেট করে ছিনতাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় একটি সূত্র থেকে জানাযায়, উত্তর বাহারছড়ার ছোটন, সোহেল, মধ্যম বাহাড়ছড়ার নাঈম, জিকু জিল্লুসহ বেশ কিছু ছিনতাইকারী ঈদের আগে ছিনতাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
রমজান মাস ও ঈদে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা পুলিশের বিশেষ কোন পরিকল্পনা আছে কিনা সে ব্যপারে জানতে চাইলে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মতিউল ইসলাম বলেন, বাস টার্মিনাল থেকে হলিডে মোড় পর্যন্ত ১৪টি স্থান চিহ্নিত করে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তাছাড়া শহরের মার্কেটগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ ও সাদা পেপাশাকে সর্বক্ষণিক পুলিশ সদস্য তাদের দায়িত্ব পালন করছেন।

এই বিভাগের আরও খবর
  • ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ‌্য মন্ত্রণালয়ে আবেদিত ।
Site Customized By NewsTech.Com