বৃহস্পতিবার , ৩০ জুলাই ২০১৫ | ১৬ই মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরো
  6. ইসলাম
  7. এক্সক্লুসিভ
  8. কক্সবাজার
  9. করোনাভাইরাস
  10. খেলাধুলা
  11. জাতীয়
  12. জেলা-উপজেলা
  13. পর্যটন
  14. প্রবাস
  15. বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি

ঈদগাঁওতে বৃষ্টিপাত আর দমকা হাওয়ায় ঘরবাড়ি- গাছপালার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি : উপকূলীয় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক

প্রতিবেদক
কক্সবাজার আলো
জুলাই ৩০, ২০১৫ ৬:২৭ অপরাহ্ণ

এম. আবুহেনা সাগর, ঈদগাঁও :
কক্সবাজার সদর উপজেলার বৃহত্তর ঈদগাঁওতে বৃষ্টিপাত ও দমকা হাওয়ায় ঘরবাড়ি-গাছপালার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকা জুড়ে মাইকিং করে অসহায় লোকজনদেরকে নিরাপদ আশ্রয় কিংবা আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এতে করে উপকূলে জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা ও ৭নং বিপদ সংকেতে উপকূলীয় এলাকার অসহায় লোকজন চরম আতঙ্কগ্রস্থ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। জানা যায়, ২৯ ও ৩০ জুলাই সকাল থেকে সারারাত ধরে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত আর ভারী বাতাসে বৃহত্তর ঈদগাঁও তথা ছয় ইউনিয়নের গ্রামাঞ্চলের অসংখ্য ঘরবাড়ি ও গাছপালাসহ অন্যান্য জিনিসপত্রের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তার সাথে অনেক লোকজন অনাহারে-অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছে বলে জানা যায়। এদিকে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপের কারনে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া জলোচ্ছ্বাস হওয়ার আশঙ্কায় বিপদ সংকেত দেখা দেওয়ার ফলে বৃহত্তর ঈদগাঁওর উপকূলীয় এলাকা চৌফলদন্ডী, পোকখালী ও গোমাতলী এলাকায় নির্ঘুম রাত কাটিয়েছে অনেকে। আবার গোমাতলী এলাকায় রাত্রে মাইকিং করে এলাকার লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে মুঠোফোনে এ প্রতিনিধিকে এমনটাই জানিয়েছেন এমইউপি আবদুল্লাহ বিন ছৈয়দ ছিদ্দিকী। অন্যদিকে পোকখালীর বিভিন্ন এলাকায় ভারী বাতাস আর বৃষ্টিপাতের ফলে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও গ্রামাঞ্চলের সড়কের প্রচুর ক্ষতি হয়েছে বলে জানান ছাত্রনেতা রাসেল মিয়া। অপরদিকে চৌফলদন্ডী এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি লোকজন নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছেন বলে জানিয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি এহছানুল হক। চৌফলদন্ডীতে টেকসই ওয়াপদ বাঁধ নির্মাণ না করলে আগামীতে বর্ষা মৌসুমে ইউনিয়নবাসীকে মরণদশায় ভুগতে হবে বলে জানান অনেকে। ঈদগাঁও কালিরড়ার বালুচরপাড়া এলাকায় একটি বেড়ীবাঁধ ভাঙ্গনের ফলে প্রায় ৪০টি পরিবার চরম আতঙ্কে রয়েছে। তার সাথে কালিরছড়া প্রাইমারী স্কুলের পার্শ্ববর্তী বেড়ীবাঁধ ভাঙ্গনের কারনে বাজার এলাকাটি প্লাবিত হয়ে পড়ে বারবার। এতে করে বাজারের লোকজনের দুর্ভোগ আর দুর্গতি চরম পর্যায়ে পৌছে যায় বলে জানান তরুণ সমাজ সেবক ইফতেখারুল আলম চৌধুরী রুমেল। অন্যদিকে বিপদ সংকেতের কারনে ঈদগাঁওর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান কয়েক শিক্ষার্থী। আবার ২৯ জুলাই রাত ১০টার পর থেকে ৩০ জুলাই সন্ধ্যা পর্যন্ত একটানা বিদ্যুৎ বন্ধ ছিল ঈদগাঁও বাজারসহ আশপাশ এলাকায়। এতে করে বাজারের ব্যবসায়ীরা নানাভাবে বিপাকে পড়তে দেখা যায়। সে সাথে ঈদগাঁওর মাইজপাড়া, মাছুয়াখালী, ভোমরিয়াঘোনা, পালপাড়া, দরগাহ পাড়া, ভাদিতলা, শিয়া পাড়া, হাসিনা পাহাড়, মেহেরঘোনা, চান্দেরঘোনা, কলেজ গেইট, জালালাবাদের তেলিপাড়া, লরাবাক, ফরাজী পাড়া, পালাকাটা, বটতলী পাড়া, ইসলামাবাদের পশ্চিম পাহাশিয়াখালী, টেকপাড়া, ইউছুপেরখীল, বাঁশঘাটা, খোদাইবাড়ী, ওয়াহেদের পাড়া, হরিপুরসহ ইসলামপুরের বিভিন্ন এলাকায় প্রচন্ড বাতাস ও বৃষ্টিপাতের সম্মুখীন হয়েছে ঘরবাড়িসহ অন্যান্য জিনিস। সবমিলিয়ে বৃহত্তর এলাকার লোকজন টানা বৃষ্টিপাত আর দমকা হাওয়ার মাঝেও রাখে আল্লাহ মারে কে অবস্থায় দিন যাপন করে যাচ্ছে।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

খুরুশখুল ইউনিয়ন জাসদের কমিটি গঠিত

এশিয়ার সবচেয়ে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট, দাম ৭৬.৭ মিলিয়ন ডলার

হঠাৎ ধমকা-হাওয়া : ভেসে গেছে লবণ-বিধ্বস্ত পানবরজ, নিহত ১

আন্তর্জাতিক সেমিনারে যোগ দিচ্ছে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শাকিলা ইয়াসমিন

রামুর চা বাগান স্টেশনে আবারো মিনি ট্রাক চাপায় ১ জনের মৃত্যু

কক্সবাজারে মোটর সাইকেল দূর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র নিহত

উখিয়ার মামুন উদ্দিন জুয়েল বিসিএস (শিক্ষা) ক্যাডারে সুপারিশ প্রাপ্ত

কক্সবাজার জেলা যুব ইউনিয়নের সম্মেলন ও কাউন্সিল শনিবার

টেকনাফ ভূমি অফিসটির বেহাল অবস্থা : সেবা প্রার্থীরা ভোগান্তিতে

মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও তদন্তকারি সংস্থাকে টেকনাফ উপজেলা ছাত্রলীগের অভিনন্দন