1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

কক্সবাজারে পাহাড় ধসে নিহত ৫

  • আপডেটের সময় : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০১৫
  • ৬১ দেখা হয়েছে

কক্সবাজারে পাহাড় ধসে মাটি চাপা পড়ে জেলা বাস্তুহারালীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহ আলম (৪৩) ও তার স্ত্রী রাবেয়া বগেমসহ ৫ জন নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন আরো ২ জন। তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে শহরের কবরস্থানপাড়ার রাডার এলাকায় পাহাড় ধসে পড়লে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। নিহত জেলা বাস্তুহারালীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, তার স্ত্রী রাবেয়া বেগম (২৫), ভাগিনী রীণা আকতার (১৭), কায়রুল আমিনের স্ত্রী জুনু বেগম (২৮) ও তার শিশুকন্যা নীহা মনি (৭)। তাদের সকলের গ্রামের বাড়ি মহেশখালীতে।পাহাড়ধস থেকে বেঁচে আসতে পারা সেফায়েত(১৭) বলেন, রাত ২টার দিকে হঠাৎ করে বিকট শব্দে পাহাড় ধসে পড়ে। নুরুন্নবী(১৮) জানান, কিছু বুঝার আগেই পাহাড়ের মাটিতে বাড়ি চাপা পড়ে যায়। এরপর আর কিছুই জানিনা। পাহাড়ধসের খবর পেয়ে কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং উদ্ধারকাজ শুরু করেন। এর পরই উদ্ধারকাজে যোগ দেয় সেনাবাহিনীর একটি দল। সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার দল দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে নুরুন নবী (১৮)কে জীবিত উদ্ধার করে।কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আবদুল মজিদ জানান,প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, দুইটি ঘর মাটিচাপা পড়েছে। এ পর্যন্ত একজনকে জীবিত উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ছাড়াও উদ্ধারে যোগ দিয়েছে পেকুয়া ও চকরিয়া সার্ভিসের কর্মীরা।
কক্সবাজারের ১৬ ইসিবির উপ-অধিনায়ক মেজর মাহবুবুর রহমান খান জানান, বৃষ্টির মধ্যেও উদ্ধারকাজ চালিয়ে যেতে হচ্ছে। এ পর্যন্ত একটি শিশু ও এক নারীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে।প্রবল বর্ষণে কক্সবাজারে পাহাড়ধ্বসের আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক বার্তা প্রচার করেছে জিওলজিক্যাল সার্ভে অব বাংলাদেশ। জিওলজিক্যাল সার্ভে অব বাংলাদেশের এ বিবরণীতে বলা হয়েছে- কক্সবাজার, টেকনাফ ও চট্টগ্রামে যেকোনো সময় অতিরিক্ত বর্ষণের কারণে ভূমিধস হতে পারে।এ খবর পেয়ে রোববার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত কক্সবাজারের জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার তৎপরতা চলে। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে তাদের নিরাপদে সরে যেতে বলা হয়।এদিকে ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে যান কক্সবাজার ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ড. অনুপম সাহা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোফায়েল আহমদ, সিভিল সার্জন ডা. কমর উদ্দিন ও সদর থানার ওসি মতিউর রহমান।কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান জানান, যে জায়গায় পাহাড় ধ্বসে গেছে সেখানে আরো ২০টি পরিবার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তাদের সরিয়ে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে আশ্রয় দেওয়া হবে।তিনি আরো বলেন, ‘কক্সবাজারের অন্যান্য জায়গায় পাহাড়ের পাদদেশে যারা ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস করছে তাদেরও সরিয়ে যেতে মাইকিং করা হয়েছে। তবে তারা যদি সরে না যায়, তাহলে নিদের্শ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই বিভাগের আরও খবর
  • ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ‌্য মন্ত্রণালয়ে আবেদিত ।
Site Customized By NewsTech.Com