বৃহস্পতিবার , ২৩ ডিসেম্বর ২০২১ | ২১শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরো
  6. ইসলাম
  7. এক্সক্লুসিভ
  8. কক্সবাজার
  9. করোনাভাইরাস
  10. খেলাধুলা
  11. জাতীয়
  12. জেলা-উপজেলা
  13. পর্যটন
  14. প্রবাস
  15. বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি

কক্সবাজারে স্বামী সন্তানকে জিম্মি করে পর্যটক গৃহবধুকে ধর্ষণ, সর্বত্রই নিন্দার ঝড়

প্রতিবেদক
সৈয়দ আলম
ডিসেম্বর ২৩, ২০২১ ৩:৫৫ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঢাকা থেকে কক্সবাজার বেড়াতে এসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন এক গৃহবধু। তিনি জানান, স্বামী-সন্তানকে জিম্মি করে হত্যার ভয় দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন তিন ব্যক্তি। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে র‌্যাব। এ রিপোর্ট লেখাকালিন সংঘবদ্ধ ধর্ষণ চক্রের সদস্যদের সনাক্ত করেছে খবর পাওয়া গেছে।

কক্সবাজার হোটেল-মোটেল জোনের জিয়া গেস্ট ইন নামের রিসোর্ট থেকে বুধবার রাত দেড়টার দিকে তাকে উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর সিপিসি কমান্ডার মেজর মেহেদী হাসান।

ভুুক্তভোগী ওই নারী জানান, বুধবার সকালে ঢাকার যাত্রাবাড়ি থেকে স্বামী-সন্তানসহ কক্সবাজার বেড়াতে আসেন। উঠেন শহরের হলিডে মোড়ের একটি হোটেলে। সেখান থেকে বিকেলে যান সৈকতের লাবনী পয়েন্টে। সেখানে অপরিচিত এক যুবকের সঙ্গে ধাক্কা-ধাক্কি হয় তার স্বামীর। এর জের ধরে সন্ধ্যার পর পর্যটন গলফ মাঠের সামনে থেকে তার ৮ মাসের সন্তান ও স্বামীকে কয়েকজন মিলে নিয়ে যায়। পরে তাকে একটি সিএনজি অটোরিক্সাযোগে জোর করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। তারপর শহরের একটি ঝুপড়ি চায়ের দোকানে নিয়ে প্রথমে ৩ জন পালাক্রমে ধর্ষণ করে। তারপর নেয়া হয় হোটেল-মোটেল জোনের জিয়া গেষ্ট ইন নামে একটি হোটেলে। সেখানে মাদক সেবনের পর তাকে ভয় দেখায় সন্তান ও স্বামীকে তারা হত্যা করবে যদি সে এসব কথা কাউকে জানায়। সে বলে হোটেল কক্ষ বাহির থেকে বন্ধ করে দুর্বৃত্তরা বেরিয়ে যায়।
ওই নারী আরও জানায়, জিয়া গেষ্ট ইন এর ৩য় তলা থেকে জানালা দিয়ে এক যুবকের সহায়তা কক্ষের দরজা খুলেন। তারপর পুলিশের জাতীয় সেবা ৯৯৯ এ কল দেন। সেখান থেকে বলা হয় জিডি করার কথা। তারপর পাশের একজনের সহযোগীতায় কল দেন র‌্যাব-১৫ এর কাছে। তারা এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে তার স্বামী ও সন্তানকেও উদ্ধার করা হয়।
ভুক্তভোগীর স্বামী বলেন, সামান্য ধাক্কা-ধাক্কির কারণে তারা আমার এতো বড় ক্ষতি করলো। অপরিচিত বলে শহরের বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে গেলেও সে জায়গা ও দুর্বৃত্তদের চিন্তে পারিনি। বার বার হাতে পায়ে ধরেও তারা আমার স্ত্রীকে ফেরত দেয়নি। বেড়াতে এসেছিলাম বেতন পাওয়ার খুশিতে। খুশিটা আর রইলো না। এখন স্ত্রীর অবস্থা ভালো না তাকে নিয়ে চিন্তায় আছি।
কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর সিপিসি কমান্ডার মেজর মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে স্বামী-সন্তান ও গৃহবধুকে উদ্ধার করা হয়েছে। তারপর থেকে ছায়া তদন্ত শুরু করেছি। এখন পর্যন্ত তিনজনের মধ্যে দুইজনকে আমরা শনাক্ত করেছি। তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর লে. কর্ণেল খায়রুল ইসলাম বলেন, এঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত থাকুক না কেন তাদের কঠোর শাস্তি পেতে হবে। বিষয়টি নিয়ে অধিকতর তদন্ত চলছে।

সর্বশেষ - অপরাধ