বৃহস্পতিবার , ২০ আগস্ট ২০১৫ | ২৫শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরো
  6. ইসলাম
  7. এক্সক্লুসিভ
  8. কক্সবাজার
  9. করোনাভাইরাস
  10. খেলাধুলা
  11. জাতীয়
  12. জেলা-উপজেলা
  13. পর্যটন
  14. প্রবাস
  15. বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি

চকরিয়া-বরইতলী-পেকুয়া-মগনামা সড়কের যাত্রীবাহি পরিবহনে ভাড়া আদায়ে গলাকাটা বাণিজ্য

প্রতিবেদক
কক্সবাজার আলো
আগস্ট ২০, ২০১৫ ১০:৫৯ অপরাহ্ণ

এস.এম.ছগির আহমদ আজগরী,পেকুয়া :
পেকুয়ায় যাত্রীদের কাছ থেকে গলাকাটা ভাড়া আদায় করছে গাড়ি চালকরা। আর তা নিয়ে যাত্রী ও গাড়ি চালক-শ্রমিকদের মধ্যে চলছে বচসা, হাতাহাতি ও রক্তপাতের ঘটনা। ফলে, নিরহ যাত্রী ও সাধারণ মানূষের মাঝে দেখা দিয়েছে চাঁপা ক্ষোভ ও হতাশা। জানা যায়, ঈদের সময় থেকে সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক দূর্ঘটনায় ব্যাপক প্রাণ হানির ঘটনা ঘটে। সম্প্রতি ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে তিন চাকার সিএনজি অটো রিক্সা বন্ধ থাকার ঘোষনা দেয়। এরই জের ধরে নানা অজুহাত দেখিয়ে মাত্রাতিরিক্ত ভাড়া আদায় শুরু করছে ম্যাজিক স্প্যাশিয়াল সার্ভিস। সরকারী ঘোষনা মতে সিএনজি অটোরি´্র বন্ধ রাখার ঘোষনা হিসাবে গত কয়েকদিন ধরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নামে গলাকাটা বানিজ্য শুরু করেছে গাড়ির মালিক, ড্রাইভার ও হেলাপার। সরোজমিনে পরিদর্শন ও প্রাপ্ত তথ্য সংগ্রহে জানা যায়, যাত্রী সাধারনের কাছ থেকে কয়েকদিন ধরে প্রায় সব গাড়ি চালকরা সরকারের নির্ধারিত হারের চেয়েও বেশী দরে ভাড়া আদায় করে আসছেন। গাড়িতে যাত্রী উঠার আগেই হেলাপারের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে অঘোষিতভাবে চকয়িরা হইতে মগনামা ৫০টাকা, পেকুয়া ৪০টাকা, বইতলী রাস্তার মাতা থেকে মগনামায় ৪০টাকা ও পেকুয়া ৩৫টাকা। এমনকি চকরিয়া হইতে পেকুয়া-মগনামা সড়ক দিয়ে আসার পথে পহারচাঁদা সিমান্ত ব্রিজ পার হলে ওই ভাড়ার পুরো অংক যাত্রীদেও কাছ থেকে কেটে রাখে হেলাপার। যাত্রী সাধারনের কাছ থেকে পূর্ব নির্ধারিত হারের চেয়েও ৩গুণ বেশী টাকা ভাড়া দাবী ও আদায় করছেন গাড়িতে থাকা সংশ্লিষ্ট শ্রমিকরা। এনিয়ে গতকাল বুধবার বিকালে উপজেলা প্রান কেন্দ্র চৌমহুনীতে ভাড়া আদায়কে কেন্দ্র করে পরিবহন শ্রমিকের সাথে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। রাতদিন অসহায় যাত্রী সাধারনকে লাগামহীন গাড়ি চালকরা যত্রতত্র জিম্মি ও শোষন করতে আরম্ভ করেছেন বলে অভিযোগ তুলে এর প্রতিকার চেয়েছেন। এদিকে মাত্রাতিরিক্ত হারে ভাড়া আদায়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ২/৩দিনে উপজেলার বিভিন্ন স্পটে অসহায় যাত্রী সাধারণ গাড়ি চালকদের হাতে নাজেহাল, দূর্ব্যবহার ও শোষনের শিকার হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এমনকি ষ্টেশনে ষ্টেশনে সংঘবদ্ধ গাড়ি চালক ও শ্রমিকরা নিরহ যাত্রী সাধারণ ও পথচারীদের সাথে বচসা, হাতাহাতি ও রক্তপাতের ঘটনা ঘঠিয়েছেন।  এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের আশুদৃষ্টি কামনা করছেন সাধারণ যাত্রীরা।

সর্বশেষ - অপরাধ