1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. shahjahanauh@gmail.com : কক্সবাজার আলো : কক্সবাজার আলো
  3. syedalamtek@gmail.com : syedalam :
  4. bblythe20172018@mail.ru : traceyhowes586 :

টেকনাফের পাহাড়ের ঐতিহ্য হারিয়ে গাছ কর্তনের বাণিজ্য অব্যাহত

  • আপডেটের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০১৫
  • ৬৮ দেখা হয়েছে
SAMSUNG CAMERA PICTURES

সাদ্দাম হোসাইন, হ্নীলা :
কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের আওতায় টেকনাফ উপজেলার পাহাড়টি ঐতিহ্য হারাচ্ছে। হাজার হাজার মূল্যবান গাছ কর্তনের বাণিজ্য অব্যাহত রয়েছে। এক যুগ আগে টেকনাফের পাহাড়ের প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশ দৃশ্যে মন আকড়ে ধরে রাখত। এই পাহাড়ে ঔষধি, ফলজ, বনজসহ বিভিন্ন জাতের বৃক্ষ সমারোহ ছিল। বিশেষ করে শাল গজারীর বাগান ছিল শত শত হেক্টরে অপরদিকে বাঘ, হরিণ, বানরসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর বিচরণ ছিল সারা পাহাড়ে। আজ তা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। টেকনাফ উপজেলার ৩টি রেঞ্জের  অধীন সংরক্ষিত ও রক্ষিত বনাঞ্চল সরকারী পর্যাপ্ত পরিমান অর্থ বরাদ্ধের অভাবে অরক্ষিত হয়ে হড়েছে। প্রয়োজনীয় জনবল এবং বনাঞ্চল আজ হুমকির মধ্যে রয়েছে। বনাঞ্চলের পাশ্বে রোহিঙ্গা নাগরিকদের শরনার্থী শিবির, জ্বালানী, বিকল্প কর্মসংস্থান ব্যাপক বনায়ন মোটিভেশন ও পানিরস্থর নেমে যাওয়াতে বনাঞ্চলটি হয়ে যাচ্ছে, ন্যাড়া মাথার ন্যায়।  অতীত ও বর্তমান রেঞ্জ কর্মকর্তা, বিট কর্মকর্তার যোগসাজশে এই পাহাড়টি ন্যাড়াই পরিণত হয়ে বৃক্ষ শূন্য পাহাড়ে পরিণত হয়েছে। এই ঐতিহ্যকে হারানোর পিছনে প্রত্যেক ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবের একটি প্রভাব থাকে। যার দরুণ এই পাহাড়কে রক্ষা করা বহু কঠিন হয়ে পড়েছে। স্থানীয় সাংবাদিকরা পাহাড়ের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার্থে পত্র পত্রিকায় লেখা লেখি করলেও তা কর্ণপাতও করেন না বিভাগীয় বন কর্মকর্তাসহ স্থানীয় বন বিভাগের অসাধু বন কর্মকর্তারা। গাছ কর্তনের সাথে একটি চোরের সংঘবদ্ধ দল ও স্থানীয় বন বিভাগের কর্তব্যরত অসাধু কর্মকর্তাগণ জড়িত। এ নিয়ে আইন শৃঙ্খলা সহ বিভিন্ন সেমিনারে পাহাড় রক্ষার্থে বক্তারা বড় বড় বলি ছাড়লেও তা কখনোই বাস্তবায়িত হতে দেখা যায়নি। টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় পাহাড়ের কাঠ বেচাকেনা অব্যাহত রয়েছে। দুই যুগ আগে যে মূল্যবান গাছগুলি হিসাব নিকাশ না করে চোরদের হাতে কর্তন করার সহযোগীতা করেছে আজ সেই গাছগুলি থাকলে পাহাড়ের সৌন্দর্য বৃদ্ধিসহ সরকারের কোষাগারে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব জমা হত। বন খেকোদের অত্যাচারে সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আজো প্রতি রাতেই পাহাড় কাটার মহোৎসবের খবর পাওয়া যায়। সরকার বনে নিযুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতা দিয়ে আসলেও প্রতি রাতেই তারা বেতন ভাতা অবৈধ পথে উত্তোলন করে থাকে। রেঞ্জ কর্মকর্তাদের ওছিলা একটাই জনবল সংকট। গোপনে কাঠ কর্তন ও বিক্রির সাথে জড়িত আছে বলে এলাকাবাসীর নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। পার্টিসিপেন্টদের সাথেও আতাত করে গাছ কর্তনের মহোৎসব চালিয়ে থাকে অসাধু বন কর্মকর্তারা। প্রকৃত পার্টিসিপেন্টদের সদস্য নিয়োগ করতে জনপ্রতি ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা গ্রহণ করে থাকে। অথচ সরকারী নিয়ম অনুযায়ী পাহাড়ের আশ পাশের দুঃখী মানুষের এই আওতায় আনার বিধান থাকলেও তা লঙ্ঘন করে শহরের বড় বড় লোকদের টাকার বিনিময়ে নিযুক্ত করেছেন। ইতিপূর্বেও সাংবাদিকের নামেও পার্টিসিপেন্টে অংশীদার বানিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক বানিয়ে দিয়েছে এবং ফরেস্টের আওতায় জায়গা দখলের বাণিজ্যের সাথেও জড়িত অসাধু বন খেকোরা। তা তদন্ত করার জন্য ভূক্তভোগী এলাকাবাসী জোর দাবী জানিয়েছেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নিকট। ভবিষ্যত প্রজন্মের নিকট এখনও সময় আছে পরিকল্পনা মাফিক পাহাড়ের খালি জায়গায় মূল্যবান গাছ রোপন করা হলে আবারও প্রাকৃতিক ভারসাম্য ফিরে আসবে এবং ভবিষ্যত প্রজন্মরা এক ঐতিহ্য ধরে রাখতে পারবে  এবং পাহাড়ের সুরক্ষা, ক্ষয়রোধ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষার করার জন্য দ্রুত সবুজায়ন পরিকল্পনা গ্রহন করা উচিত বলে মতামত দিয়েছেন অভিজ্ঞ মহল

এই বিভাগের আরও খবর
  • ২০১৪ - ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | কক্সবাজার আলো .কম। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ‌্য মন্ত্রণালয়ে আবেদিত ।
Site Customized By NewsTech.Com